টেস্টে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সেন্ট জোনসে ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১৮ রান তাড়া করে জিতেছিল ক্যারিবীয়রা। চেন্নাই টেস্টে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য—৫১৫ রান। এই বিশাল রানের পাহাড় ডিঙিয়ে জয়ের আশা যেন ‘আকাশকুসুম’ কল্পনা। তার মধ্যে সফরকারীরা তৃতীয় দিন পার করেছে ৪ উইকেট হারিয়ে।
আজ সেঞ্চুরি পাওয়া ভারতীয় ব্যাটার শুবমান গিলের মতে এম. চিদাম্বরম স্টেডিয়ামের উইকেট ব্যাটিং বান্ধব হয়ে উঠলেও বাকি ৬ উইকেট নিয়ে টানা দুই দিন ব্যাট করা অবিশ্বাস্য ব্যাপার বাংলাদেশের জন্য। ৫১ রান নিয়ে আগামীকাল চতুর্থ দিন শুরু করবেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে প্রথম ইনিংসে ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট দিয়ে আসা—শিষ্যদের নিয়ে হতাশ বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্প। তবে তিনি মনে করেন উইকেটে যে আসুক, ইনিংসটা বড় করা উচিত।
দিন শেষে নিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলনে হেম্প বলেন, ‘কেউ ৩০-৪০ রান করলে তার ইনিংসটা বড় করা উচিত, কঠিন কাজটা করে ফেলার পর এখন সুযোগটা কাজে লাগানো তার দরকার। পাকিস্তানের বিপক্ষে খণ্ড-খণ্ডভাবে এই বিষয়টা দেখা গেছে। এই ব্যাপারটি নিয়ে আমরা কাজ করছি, এটা নিয়ে আমাদের নজরে আছে। তবে আমার কাছে এই মুহূর্তে লক্ষ্য হচ্ছে ব্যাটিং অ্যাপ্রোচটা ঠিক করা। একবার শুরুটা পেয়ে গেলে, ২০-৩০টা বল (ডেলিভারি) কেউ খেলে ফেললে তার একটা ধারণা হয়ে যায়, কি হচ্ছে মাঠে। তখন তার লম্বা ইনিংস খেলাটা জরুরি। কিন্তু এটা আমাদের খুব একটা ভালো হচ্ছে না। কেউ যদি ৪০-৫০-৬০ বল খেলে ফেলে তাহলে তার উচিত ১২০ বল অন্তত খেলা, তার অবদানটাকে অর্থবহ করে তোলা।’
ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ইনিংসে শুরুতে চাপে পড়লেও বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে ভারতীয় ব্যাটাররা। বোলাররাও কম যাননি। আজ রবিচন্দ্রন অশ্বিন ঘূর্ণিতে কাবু করেছেন সফরকারী ব্যাটারদের। ভারতীয়দের বোলিং দক্ষতা নিয়ে হেম্প বলেন, ‘ভারতীয় বোলাররা বেশ দক্ষ। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের সঙ্গে তাদের লড়াই চলে সমানে সমানে। আমাদের তাদের মতো হওয়া দরকার। আমাদের ব্যাটিংটাকে গুরুত্ব দিয়ে ম্যাচের চাহিদা অনুযায়ী খেলতে হবে। না হয় এই সমস্যা থেকে বের হওয়া যাবে না সহজে।’
বাংলাদেশ দলে ইনিংসের শুরুতে চারজন টানা বাঁহাতি ব্যাটার। প্রতিপক্ষও সেটি মাথায় রেখে বোলিং কৌশল সাজিয়েছে। চেন্নাই টেস্টে ভারত বোলিং ফাঁদ ফেলে উইকেট তুলে নিয়েছে নিয়মিত বিরতিতে। কখনো বাংলাদেশের ব্যাটাররা নিজেরাই উইকেট বিলিয়ে দিয়েছে। সেই প্রসঙ্গটা টেনে হেম্প বলেন, ‘আসলে আমাদের হাতে এখন এর থেকে বেশি বিকল্প নেই। বাঁহাতি একাধিক হলেও একজনের শক্তির জায়গা একেক রকম। এটা খুব বেশি গুরুত্ববহ করে না ম্যাচে। তবে সম্পদের সেরা ব্যবহারটা ভালোভাবে জানা থাকলে অনেক সময় দারুণ ভূমিকা রাখা যায় ম্যাচে।’
দুই ইনিংসে বাংলাদেশের তিন টপ অর্ডার জাকির-সাদমান-মুমিনুল ইনিংস বড় করতে পারেননি। তাঁদের আউটের ধরনগুলোও ম্যাচ পরিস্থিতিতে প্রশ্নবিদ্ধ। আক্রমণের সময় আক্রমণ, রক্ষণাত্মক সময় রক্ষণাত্মক—এই মানসিকতা দেখা যায়নি তাঁদের মধ্যে। এই জায়গায় বাংলাদেশের ব্যাটারদের ঘাটতি রয়েছে মনে করেন হেম্প, ‘হ্যা এটা নিয়ে আমরা কথা বলছি। কোচ এই ব্যাপারে সচেতন। আমরা অনুশীলনে দলীয় আলোচনায় এগুলো তুলছি। বলছি ম্যাচে মানসিক শক্তিটা বেশ শক্ত থাকতে হয়। পরিস্থিতিতে থিতু হওয়া জরুরি, যেখানে আমরা ব্যর্থ। এই ব্যর্থতাগুলোকে আমরা ঝেড়ে ফেলতে চাই। আমরা সামনে তাকাতে চাই। উন্নতির বিকল্প নেই।’

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৮ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৯ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১০ ঘণ্টা আগে