ক্রীড়া ডেস্ক

এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত যারা জিতেছে, সহজ জয়ই পেয়েছে। গতকাল এই তালিকায় নাম লেখাল পাকিস্তানও। আইসিসির সহযোগী দেশ ওমানের বিপক্ষে ৯৩ রানের বড় জয় দিয়ে মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্ট শুরু করেছে পাকিস্তান।
জয়ের জন্য ১৬১ রান করা একরকম অসম্ভবই ছিল ওমানের। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ১৬.৪ ওভারে ৬৭ রানে অলআউট হয়ে গেছে তারা।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ওমান। ৫১ রানের ৯ উইকেট হারিয়ে ফেল তারা। তখন মনে হয়েছিল এক শরও বেশি রানে হয়তো হারবে ওমান। কিন্তু শেষ উইকেট জুটিতে তা হতে দেননি শাকিল আহমেদ (১০) ও সামি শ্রীবাস্তব (৫*)। ২৭ বল খেলে ১৬ রান করেন তাঁরা। শাকিল ছাড়াও রানের দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন আরও দুজন—হাম্মাদ মির্জা ও আমির কলিম। করেছেন ২৭ ও ১৩ রান। পাকিস্তানের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সায়েম, মুকিম ও আশরাফ।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৬০ রান তোলে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের এই স্কোরে বড় অবদান মোহাম্মদ হারিসের। ৪৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। ৭টি চার ও ৩টি চারে সাজানো তাঁর ইনিংস।
দলীয় ৪ রানে কোনো রান না করেই ফিরে যান সায়েম আইয়ুব। শুরুর এই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে দারুণ একটা জুটি গড়েন হারিস। ৬৪ বলে ৮৫ রান করেন তাঁরা। সাহিবজাদার (২৯) বিদায়ে যখন এই জুটি ভাঙে তখন পাকিস্তান তুলে ফেলেছে ৮৯ রান। সাহিবজাদাকে ফিরিয়ে দেওয়ার বোলার আমির কলিম এরপর ফিরিয়ে দেন হারিসকেও। তবে চার নম্বরে উইকেটে আসা ফখর জামান ১৬ বলে ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। বলার মতো আর ১৯ রান করেছেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। ৪৩ বছর বয়সী এই স্পিনার কলিম ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত যারা জিতেছে, সহজ জয়ই পেয়েছে। গতকাল এই তালিকায় নাম লেখাল পাকিস্তানও। আইসিসির সহযোগী দেশ ওমানের বিপক্ষে ৯৩ রানের বড় জয় দিয়ে মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্ট শুরু করেছে পাকিস্তান।
জয়ের জন্য ১৬১ রান করা একরকম অসম্ভবই ছিল ওমানের। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ১৬.৪ ওভারে ৬৭ রানে অলআউট হয়ে গেছে তারা।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ওমান। ৫১ রানের ৯ উইকেট হারিয়ে ফেল তারা। তখন মনে হয়েছিল এক শরও বেশি রানে হয়তো হারবে ওমান। কিন্তু শেষ উইকেট জুটিতে তা হতে দেননি শাকিল আহমেদ (১০) ও সামি শ্রীবাস্তব (৫*)। ২৭ বল খেলে ১৬ রান করেন তাঁরা। শাকিল ছাড়াও রানের দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন আরও দুজন—হাম্মাদ মির্জা ও আমির কলিম। করেছেন ২৭ ও ১৩ রান। পাকিস্তানের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সায়েম, মুকিম ও আশরাফ।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৬০ রান তোলে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের এই স্কোরে বড় অবদান মোহাম্মদ হারিসের। ৪৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। ৭টি চার ও ৩টি চারে সাজানো তাঁর ইনিংস।
দলীয় ৪ রানে কোনো রান না করেই ফিরে যান সায়েম আইয়ুব। শুরুর এই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে দারুণ একটা জুটি গড়েন হারিস। ৬৪ বলে ৮৫ রান করেন তাঁরা। সাহিবজাদার (২৯) বিদায়ে যখন এই জুটি ভাঙে তখন পাকিস্তান তুলে ফেলেছে ৮৯ রান। সাহিবজাদাকে ফিরিয়ে দেওয়ার বোলার আমির কলিম এরপর ফিরিয়ে দেন হারিসকেও। তবে চার নম্বরে উইকেটে আসা ফখর জামান ১৬ বলে ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। বলার মতো আর ১৯ রান করেছেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। ৪৩ বছর বয়সী এই স্পিনার কলিম ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বোস্টনে ঘাঁটি গড়বে ফ্রান্স। আর জার্মানির ঘাঁটি হবে নর্থ ক্যারোলাইনায়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম দুই ফেবারিট ফ্রান্স ও জার্মানির এই অনুশীলন ক্যাম্পের কথা নিশ্চিত করেছে দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশন।
৪ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেটীয় সম্পর্কে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে না খেলতে আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে এর মধ্যেই ক্রিকেটীয় কারণে ভারতে গিয়েছেন বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফ
৪ ঘণ্টা আগে
তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরি ছোঁয়া ইনিংস বাঁচাতে পারল না রংপুর রাইডার্সকে। এই ব্যাটারের ঝোড়ো ব্যাটিং বৃথা করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ত্রাতা বনে গেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। তাঁদের দুজনের ব্যাটে চড়ে রংপুরকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী।
৪ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর এক মাসও বাকি নেই। তার আগে বৈশ্বিক মঞ্চটিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিটন দাস, তাসকিন আহমেদরা খেললেও কোন ভেন্যুতে খেলবেন, সেটা এখনো নিশ্চিত হয়নি। মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ায় যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেটার সমাধান আসেনি এখনো।
৫ ঘণ্টা আগে