ক্রীড়া ডেস্ক

সবশেষ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিং ইস্যুতে হইচই পড়ে যায়। বিপিএলের পর এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও (ডিপিএল) আলোচনায় ফিক্সিং। কিন্তু এবার এই ইস্যুতে স্বয়ং একটি দলের কোচই খেলোয়াড়দের খেলার ধরন দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এ মৌসুমে ডিপিএলে পারটেক্সের অধিনায়কত্ব করছেন সাব্বির রহমান। তাঁকে নিয়েই জটিলতা তৈরি হয়েছে। পারটেক্সের ক্রিকেটাররা পারিশ্রমিক না পাওয়ায় বিসিবিতে অভিযোগ করে চিঠি দিয়েছেন।
এসবের মধ্যেই পারটেক্সের কোচ আনোয়ারুল মোস্তাকিম জানিয়েছেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কিছু কিছু খেলোয়াড় নেতিবাচক ক্রিকেট খেলছেন, যা সন্দেহজনক। আনোয়ারুল সংবাদমাধ্যমকে অভিযোগ করেছেন, ‘আমাদের অফিশিয়ালরা নির্দেশনা দিয়েছে একরকম। তারা (ক্রিকেটাররা) খেলছে আরেক রকম। আমাদের অফিশিয়ালরা নির্দেশনা দিচ্ছে, আমার দল ১০০ রানে অলআউট হয়ে যাক, কিন্তু ইতিবাচক খেলা চাই। কিন্তু ওরা গিয়ে নেগেটিভ ক্রিকেট খেলেছে।’
কী ধরনের নেতিবাচক ক্রিকেট খেলছেন খেলোয়াড়েরা, সেটিও আনোয়ারুল, ‘নেগেটিভ বলতে যেমন ধরেন ৫০ বল খেলে ১৮ রান। ওই ধরেন কেউ ৪০ বল খেলে ৫ রান। আমার অফিশিয়াল তো এটা গ্রহণ করেনি। আমাকে অনেক খেলোয়াড় অনেক ফোন করছে, আপনার এই খেলোয়াড় ফিক্সিং করছে। এই খেলোয়াড় এটা করছে, ওটা করছে। আমার তো এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা নেই, ফিক্সিংটা করে কীভাবে। কিন্তু এ রকম নেগেটিভ খেলা কেন!’
ক্রিকেটারদের নিয়ে ফিক্সিংয়ের সন্দেহ করছেন? পারটেক্সের কোচ আনোয়ারুল বলেন, ‘এটা শুধু (সন্দেহ) আমরা না। বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন আসছে, এটা সন্দেহজনক, তোমাদের দলের খেলোয়াড়েরা এমন করছে কেন! এ রকম তো খেলার কথা না। যেখানে ২২০ রান তাড়া করছি, ২০ ওভারে ৩৭ রান। এটা তো সন্দেহজনক খেলা।’
তবে আনোয়ারুল প্রমাণ ছাড়া কথা বলতে অনিচ্ছুক। তিনি বলেন, ‘আমি তো প্রমাণ ছাড়া কোনো কথা বলতে পারছি না। আমাকে অনেক খেলোয়াড় অনেক ফোন করছে, আপনার এই খেলোয়াড় ফিক্সিং করছে। এই খেলোয়াড় এটা করছে, ওটা করছে। আমার তো এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা নেই, ফিক্সিংটা করে কীভাবে। কিন্তু এ রকম নেগেটিভ খেলা কেন!’

ডিপিএলের কয়েকটি দল একই পর্ষদ থেকে পরিচালিত হয়। তাতে অবনমান এড়ানো কিংবা সুপার লিগে জায়গা করতে ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। এবার গাজী গ্রুপের দুটি দলের মধ্যে একটি ম্যাচ নিয়েও ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে।
সবচেয়ে আলোচনায় আজ গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের মিনাহাজুল আবেদীন সাব্বির উইকেট বিলিয়ে দেওয়া আসার কাণ্ড দেখে। মিরপুরে ৫ উইকেটে শাইনপুকুরের বিপক্ষে জিতেছে গুলশান। উইকেট থেকে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে, স্বজ্ঞানে যেন আর বক্সে ঢুকলেন না! স্টাম্পিং হয়েই ফিরলেন তিনি। একই রকমভাবে ফিরলেন মোহাম্মদ রহিম আহমেদও। তাঁদের আউটের ধরন নিয়ে সমালোচনার ঝড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সবশেষ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিং ইস্যুতে হইচই পড়ে যায়। বিপিএলের পর এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও (ডিপিএল) আলোচনায় ফিক্সিং। কিন্তু এবার এই ইস্যুতে স্বয়ং একটি দলের কোচই খেলোয়াড়দের খেলার ধরন দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এ মৌসুমে ডিপিএলে পারটেক্সের অধিনায়কত্ব করছেন সাব্বির রহমান। তাঁকে নিয়েই জটিলতা তৈরি হয়েছে। পারটেক্সের ক্রিকেটাররা পারিশ্রমিক না পাওয়ায় বিসিবিতে অভিযোগ করে চিঠি দিয়েছেন।
এসবের মধ্যেই পারটেক্সের কোচ আনোয়ারুল মোস্তাকিম জানিয়েছেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কিছু কিছু খেলোয়াড় নেতিবাচক ক্রিকেট খেলছেন, যা সন্দেহজনক। আনোয়ারুল সংবাদমাধ্যমকে অভিযোগ করেছেন, ‘আমাদের অফিশিয়ালরা নির্দেশনা দিয়েছে একরকম। তারা (ক্রিকেটাররা) খেলছে আরেক রকম। আমাদের অফিশিয়ালরা নির্দেশনা দিচ্ছে, আমার দল ১০০ রানে অলআউট হয়ে যাক, কিন্তু ইতিবাচক খেলা চাই। কিন্তু ওরা গিয়ে নেগেটিভ ক্রিকেট খেলেছে।’
কী ধরনের নেতিবাচক ক্রিকেট খেলছেন খেলোয়াড়েরা, সেটিও আনোয়ারুল, ‘নেগেটিভ বলতে যেমন ধরেন ৫০ বল খেলে ১৮ রান। ওই ধরেন কেউ ৪০ বল খেলে ৫ রান। আমার অফিশিয়াল তো এটা গ্রহণ করেনি। আমাকে অনেক খেলোয়াড় অনেক ফোন করছে, আপনার এই খেলোয়াড় ফিক্সিং করছে। এই খেলোয়াড় এটা করছে, ওটা করছে। আমার তো এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা নেই, ফিক্সিংটা করে কীভাবে। কিন্তু এ রকম নেগেটিভ খেলা কেন!’
ক্রিকেটারদের নিয়ে ফিক্সিংয়ের সন্দেহ করছেন? পারটেক্সের কোচ আনোয়ারুল বলেন, ‘এটা শুধু (সন্দেহ) আমরা না। বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন আসছে, এটা সন্দেহজনক, তোমাদের দলের খেলোয়াড়েরা এমন করছে কেন! এ রকম তো খেলার কথা না। যেখানে ২২০ রান তাড়া করছি, ২০ ওভারে ৩৭ রান। এটা তো সন্দেহজনক খেলা।’
তবে আনোয়ারুল প্রমাণ ছাড়া কথা বলতে অনিচ্ছুক। তিনি বলেন, ‘আমি তো প্রমাণ ছাড়া কোনো কথা বলতে পারছি না। আমাকে অনেক খেলোয়াড় অনেক ফোন করছে, আপনার এই খেলোয়াড় ফিক্সিং করছে। এই খেলোয়াড় এটা করছে, ওটা করছে। আমার তো এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা নেই, ফিক্সিংটা করে কীভাবে। কিন্তু এ রকম নেগেটিভ খেলা কেন!’

ডিপিএলের কয়েকটি দল একই পর্ষদ থেকে পরিচালিত হয়। তাতে অবনমান এড়ানো কিংবা সুপার লিগে জায়গা করতে ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। এবার গাজী গ্রুপের দুটি দলের মধ্যে একটি ম্যাচ নিয়েও ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে।
সবচেয়ে আলোচনায় আজ গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের মিনাহাজুল আবেদীন সাব্বির উইকেট বিলিয়ে দেওয়া আসার কাণ্ড দেখে। মিরপুরে ৫ উইকেটে শাইনপুকুরের বিপক্ষে জিতেছে গুলশান। উইকেট থেকে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে, স্বজ্ঞানে যেন আর বক্সে ঢুকলেন না! স্টাম্পিং হয়েই ফিরলেন তিনি। একই রকমভাবে ফিরলেন মোহাম্মদ রহিম আহমেদও। তাঁদের আউটের ধরন নিয়ে সমালোচনার ঝড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
৪৪ মিনিট আগে
দিনের প্রথম ম্যাচের মতো আজ বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচও মাঠে গড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটানসের ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও টসের সময় (সাড়ে ৫টা) ইতোমধ্যেই পেরিয়েছে। দুই দলের কেউই এখনো মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছায়নি।
১ ঘণ্টা আগে
এম নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) থাকলে মাঠে ফিরবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্রিকেটাররা। বনানীর শেরাটন হোটেলে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মিঠুন সংবাদ সম্মেলন শেষে এমনটা জানানোর অল্প কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে অব্যহতি দিয়েছে বিসিবি। তবে তাঁকে পরিচালক পদ থেকে সরানোর সুযো
১ ঘণ্টা আগে
বিতর্কিত পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির প্রধানসহ সব কর্মকাণ্ড থেকে সরিয়ে দিয়েছে বিসিবি। আজ অনলাইনে এক জরুরি সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিসিবির এক সূত্র।
২ ঘণ্টা আগে