নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চট্টগ্রামের উইকেট দেখে কাল ড্যারেন স্যামির মুখে ফুটে উঠেছে একচিলতে হাসি। মিরপুরের কালো উইকেটের বিপরীতে চট্টগ্রামের বাদামি সবুজাভ পিচ দেখে মনে একটা স্বস্তির হাওয়া বইয়ে যাওয়ার কথা ক্যারিবীয় কোচের। বিপিএল আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বাংলাদেশে তো কম খেলেননি স্যামি। বাংলাদেশের উইকেট-কন্ডিশন তাঁর যে ভালোই চেনা, সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচের কথাতেই বোঝা যাবে।
মিরপুরে ওয়ানডে সিরিজ শেষে স্যামি বলেছেন, ‘আমার অভিজ্ঞতা বলে, বাংলাদেশের সেরা উইকেট (চট্টগ্রামে)। যদি ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামের তুলনা করি, ওয়ানডে সিরিজের উল্টো ফল পেতে উন্মুখ হয়ে আছি। গত বছরের ডিসেম্বরে আমাদের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে আমরা জেতার পর তারা (বাংলাদেশ) কিন্তু আমাদের ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল। আশা করি, এখানে আমরাও তেমন কিছু করতে পারব।’
চট্টগ্রামের ভালো উইকেটে স্যামি যেটা করার আশায় আছেন, সেটা ভেস্তে দিতে তৈরি বাংলাদেশও! দুই বছর আগেও ২০ ওভারের ক্রিকেটে দুই দলের সাক্ষাতে এগিয়ে রাখা যেত ক্যারিবীয়দের। গত দুই দশকে ২০ ওভারের ক্রিকেটেই তো মজেছে তারা। দুটো বিশ্বকাপ জিতেছে। কিন্তু এখন সেটা বলার সুযোগ নেই। পরিসংখ্যান-রেকর্ডই সে সুযোগ দিচ্ছে না। কাল থেকে চট্টগ্রামে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বরং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশকে ‘ফেবারিট’ বলতে হবে।
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জেতার আগে ওয়ানডেতে বাংলাদেশ টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে কিন্তু উল্টো দৃশ্য। টানা চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে। পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতলে শারজায় আফগানিস্তানকে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। এমনকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ কিন্তু ক্যারিবীয়দের মাঠেই ধবলধোলাই করে এসেছে। সেই সিরিজের কথাই মিরপুরে উল্লেখ করেছেন স্যামি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিসংখ্যান ঠিক উল্টো। এ বছর যে ৫টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে ক্যারিবীয়রা, তার মধ্যে এক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতেছে। বাকি চারটিতেই হার। এর মধ্যে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার কাছে হয়েছে ধবলধোলাই। বাংলাদেশে আসার আগে নেপালের কাছে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে তারা।
২০ ওভারের ক্রিকেটে এমনিতেই বাংলাদেশ দারুণ ছন্দে আছে, দুদিন আগে ওয়ানডে সিরিজ জিতে আরও আত্মবিশ্বাসী স্বাগতিকেরা। দলকে উজ্জীবিত রাখতে এরই মধ্যে চোট কাটিয়ে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস। পাঁচ মাস পর ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাঠে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলের বিপক্ষে নিজেদের তৈরি করার সুযোগটাও কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে ওয়ানডেতে যতটা ঘূর্ণি উইকেটের ফাঁদ তৈরি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ঘায়েল করতে চেয়েছে বাংলাদেশ, টি-টোয়েন্টিতে সেটা স্বাগতিকেরা নিশ্চয়ই করতে চাইবে না। বিশ্বকাপ ভাবনায় রেখে চট্টগ্রামের রানপ্রসবা উইকেটে আদর্শ টি-টোয়েন্টি ম্যাচই খেলতে চাইবে বাংলাদেশ।
পাওয়ার হিটিংয়ে এখন বাংলাদেশ বেশ এগিয়েছে, চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটাতে তাদের বেগ পেতে হয় না। ক্যারিবীয়রাও জানে ২০ ওভারের রোমাঞ্চ জমিয়ে তুলতে হয়, সে হিসেবে চট্টগ্রামে একটা জমজমাট টি-টোয়েন্টি সিরিজের আশা তো করাই যায়।

চট্টগ্রামের উইকেট দেখে কাল ড্যারেন স্যামির মুখে ফুটে উঠেছে একচিলতে হাসি। মিরপুরের কালো উইকেটের বিপরীতে চট্টগ্রামের বাদামি সবুজাভ পিচ দেখে মনে একটা স্বস্তির হাওয়া বইয়ে যাওয়ার কথা ক্যারিবীয় কোচের। বিপিএল আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বাংলাদেশে তো কম খেলেননি স্যামি। বাংলাদেশের উইকেট-কন্ডিশন তাঁর যে ভালোই চেনা, সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচের কথাতেই বোঝা যাবে।
মিরপুরে ওয়ানডে সিরিজ শেষে স্যামি বলেছেন, ‘আমার অভিজ্ঞতা বলে, বাংলাদেশের সেরা উইকেট (চট্টগ্রামে)। যদি ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামের তুলনা করি, ওয়ানডে সিরিজের উল্টো ফল পেতে উন্মুখ হয়ে আছি। গত বছরের ডিসেম্বরে আমাদের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে আমরা জেতার পর তারা (বাংলাদেশ) কিন্তু আমাদের ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল। আশা করি, এখানে আমরাও তেমন কিছু করতে পারব।’
চট্টগ্রামের ভালো উইকেটে স্যামি যেটা করার আশায় আছেন, সেটা ভেস্তে দিতে তৈরি বাংলাদেশও! দুই বছর আগেও ২০ ওভারের ক্রিকেটে দুই দলের সাক্ষাতে এগিয়ে রাখা যেত ক্যারিবীয়দের। গত দুই দশকে ২০ ওভারের ক্রিকেটেই তো মজেছে তারা। দুটো বিশ্বকাপ জিতেছে। কিন্তু এখন সেটা বলার সুযোগ নেই। পরিসংখ্যান-রেকর্ডই সে সুযোগ দিচ্ছে না। কাল থেকে চট্টগ্রামে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বরং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশকে ‘ফেবারিট’ বলতে হবে।
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জেতার আগে ওয়ানডেতে বাংলাদেশ টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে কিন্তু উল্টো দৃশ্য। টানা চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে। পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতলে শারজায় আফগানিস্তানকে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। এমনকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ কিন্তু ক্যারিবীয়দের মাঠেই ধবলধোলাই করে এসেছে। সেই সিরিজের কথাই মিরপুরে উল্লেখ করেছেন স্যামি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিসংখ্যান ঠিক উল্টো। এ বছর যে ৫টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে ক্যারিবীয়রা, তার মধ্যে এক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতেছে। বাকি চারটিতেই হার। এর মধ্যে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার কাছে হয়েছে ধবলধোলাই। বাংলাদেশে আসার আগে নেপালের কাছে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে তারা।
২০ ওভারের ক্রিকেটে এমনিতেই বাংলাদেশ দারুণ ছন্দে আছে, দুদিন আগে ওয়ানডে সিরিজ জিতে আরও আত্মবিশ্বাসী স্বাগতিকেরা। দলকে উজ্জীবিত রাখতে এরই মধ্যে চোট কাটিয়ে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস। পাঁচ মাস পর ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাঠে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলের বিপক্ষে নিজেদের তৈরি করার সুযোগটাও কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে ওয়ানডেতে যতটা ঘূর্ণি উইকেটের ফাঁদ তৈরি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ঘায়েল করতে চেয়েছে বাংলাদেশ, টি-টোয়েন্টিতে সেটা স্বাগতিকেরা নিশ্চয়ই করতে চাইবে না। বিশ্বকাপ ভাবনায় রেখে চট্টগ্রামের রানপ্রসবা উইকেটে আদর্শ টি-টোয়েন্টি ম্যাচই খেলতে চাইবে বাংলাদেশ।
পাওয়ার হিটিংয়ে এখন বাংলাদেশ বেশ এগিয়েছে, চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটাতে তাদের বেগ পেতে হয় না। ক্যারিবীয়রাও জানে ২০ ওভারের রোমাঞ্চ জমিয়ে তুলতে হয়, সে হিসেবে চট্টগ্রামে একটা জমজমাট টি-টোয়েন্টি সিরিজের আশা তো করাই যায়।

রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বিক্রি হলেও আইপিএল খেলতে পারছেন না মোস্তাফিজুর রহমান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের নির্দেশে তাঁকে দল থেকে বাদ দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। যদিও বিসিসিআই তাদের এই সিদ্ধান্তের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে কোথাও উল্লেখ করেনি। শুধুমাত্র জানিয়েছে, চারদিকে যা ঘটছে তাতে এই সিদ্ধান্ত নে
৪ মিনিট আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারত-শ্রীলঙ্কায় মাঠে গড়াবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের সূচিও দুই মাস আগে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। তবে বাংলাদেশের চাপে এখন ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাকে বদলাতে হবে টুর্নামেন্টের সূচি।
১ ঘণ্টা আগে
সাদা পোশাকে সাদা বলের ক্রিকেট খেলতেই যেন বেশি পছন্দ করেন ট্রাভিস হেড। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—যে সংস্করণই হোক, প্রতিপক্ষ দলের কাছে মূর্তিমান এক আতঙ্ক তিনি। অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি ব্যাটার আজ পেছনে ফেলেছেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যানকে।
২ ঘণ্টা আগে
মিসরের হয়ে সময়টা ভালোই যাচ্ছে মোহাম্মদ সালাহর। দলের প্রয়োজনের মুহূর্তে জ্বলে উঠছেন মিসরীয় এই ফরোয়ার্ড। ছন্দে থাকা সালাহর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল মিসর।
৪ ঘণ্টা আগে