Ajker Patrika

‘পুলিশ-কাণ্ডের’ পর আবারও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ আনলেন বাংলাদেশের সেই কোচ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০০: ০০
‘পুলিশ-কাণ্ডের’ পর আবারও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ আনলেন বাংলাদেশের সেই কোচ
অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ জেরার্ড জোন্স। ছবি: বাফুফে

সহকারী কোচের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স। সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় কর্মক্ষেত্রে শারীরিক হামলার অভিযোগ করেছেন এই ব্রিটিশ কোচ। একই সঙ্গে দাবি করেছেন, পরিস্থিতির কারণে তাঁকে পুলিশের সহায়তা নিতে হয়েছে।

জেরার্ড জোন্স বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আত্মরক্ষার্থেই আমাকে পুলিশ ডাকতে হয়েছিল। আমি বাফুফেকে (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) আমার প্রাপ্ত আঘাতের ছবি পাঠিয়ে বিষয়টি জানিয়েছিলাম, কিন্তু সেখান থেকে কোনো সাহায্য বা সমর্থন পাইনি। আমি এখনও নিরাপদবোধ করছি না। এমন একটি দেশে আছি যেখানে প্রতিনিয়ত সাহায্যের জন্য আকুতি জানাতে হচ্ছে।’

ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজন হলে নিজের দাবির পক্ষে প্রমাণ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন জোন্স। ছবি, অডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে গোলকিপিং কোচের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খারাপ—এমন খবরও অস্বীকার করেছেন জোন্স।

তিনি বলেন, ‘গোলকিপার কোচের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা হাসাহাসি করি, একে অপরের রুমে যাতায়াত করি এবং ম্যাচে কৌশলগত বিষয় শেয়ার করি। কিন্তু একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।’

ঘটনার পেছনে কারও ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন জোন্স। নিজের দীর্ঘ কোচিং ক্যারিয়ারে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে কখনো হননি বলে দাবি তাঁর।

জোন্স বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে কখনোই কাজের জায়গায় শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হয়নি বা সুরক্ষার জন্য পুলিশ কিংবা ব্রিটিশ দূতাবাসের সহায়তা নিতে হয়নি। যখন এএফসি প্রতিযোগিতায় ভালো কিছু করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে, তখন কেন এমনটা করা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়।’

অস্থিরতার মধ্যেও দলের প্রস্তুতি ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে এর প্রভাব পড়তে দিতে চান না জোন্স। তাঁর লক্ষ্য এখন সামনে থাকা এএফসি প্রতিযোগিতায় দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।

এর আগে বাফুফের কাছ থেকে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিবারের আর্থিক সংকটের কথা জানিয়েছিলেন এই কোচ। তবে পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত বেতন তাঁর ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত