
ইকার ক্যাসিয়াস গতকালকে সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব দেখা গেছে। আটলান্টায় আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে একাধিক পোস্ট করেছেন। কখনো গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন, কখনোবা আর্জেন্টিনাকে নিয়ে মজা করেছেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক।
আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনাল মানেই যেন ফাইনাল। এবারও হলো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। নিশ্চিত হেরে যাওয়া ম্যাচ জিতে আলবিসেলেস্তেরা ষষ্ঠবারের মতো উঠে গেল ফাইনালে। রোববার নিউজার্সিতে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে স্পেনকে উজ্জীবিত করে নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে ক্যাসিয়াস লিখেছেন, ‘এবার আর চতুর্থ তারা হচ্ছে না আর্জেন্টিনা। আমরা দ্বিতীয়টির দিকে যাচ্ছি। এগিয়ে চলো স্পেন।’
৫৫ মিনিটে মরগান রজার্সের অ্যাসিস্টে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেন অ্যান্থনি গর্ডন। এই গোলের পর কিছুক্ষণ ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক খেলতে থাকে। একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে স্কালোনির দল মুহুর্মুহু আক্রমণ করতে থাকে। যেটার ফল হাতেনাতে পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ৮৫ ও ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ২ মিনিটে এনসো ফের্নান্দেস আর লাউতারো মার্তিনেসের জোড়া গোলে আলবিসেলেস্তেরা ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। যেখানে ফের্নান্দেস ডি বক্সের বাইরে থেকে ক্রস করে অসাধারণ গোল করেছেন। আর লাউতারোর হেডে আর্জেন্টিনার ফাইনাল অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। এই দুটিতেই অ্যাসিস্ট করেছেন লিওনেল মেসি।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলেই আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে হারিয়েছে ইংল্যান্ডকে। এগিয়ে থেকেও হেরে যাওয়া ইংলিশদের সমালোচনা করতে গিয়ে ক্যাসিয়াস কাঠগড়ায় তুলেছেন কোচ টমাস টুখেলকে। স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক বলেন, ‘তারা (ইংল্যান্ড) গোল করার পরই রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে। একেবারে ভীরুর মতো কৌশল। নিজেদের বক্স ছেড়েই বের হয়নি। বরং আর্জেন্টিনাকে আরও বেশি আক্রমণ করার সুযোগ দিয়েছে। এর ফল তো এমনই হওয়ার কথা।’
আর্জেন্টিনা দল যখন উদযাপনে ব্যস্ত, ইংল্যান্ড দলে তখন শোকের ছায়া। যে বিশ্বকাপ শিরোপার জন্য ইংল্যান্ড ৬০ বছর ধরে অপেক্ষা করছে, সেই খরা এখনো কাটেনি। এর আগে ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে সেমিতে হেরেছিল ইংলিশরা। গতকাল ২-১ গোলে হারের পর ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন বলেন, ‘স্নায়ুচাপে ভোগাটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ফাইনালের কাছাকাছি এসেছিলাম।’
সেমিতে উঠলে যে আর্জেন্টিনা হারে না, সেটা আরও একবার প্রমাণিত। ১৯ জুলাই নিউজার্সিতে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা-স্পেন। কাতারে ২০২২ বিশ্বকাপে যে শিরোপা জিতেছিল লিওনেল স্কালোনির দল, এবার সেটা ধরে রাখতে নামবেন মেসি-এমিলিয়ানো মার্তিনেসরা। দেখা যাক, নিউজার্সির মঞ্চে কোন দল শিরোপা নিয়ে করবে বাঁধভাঙা উদযাপন। এর আগে পরশু মায়ামিতে হবে ফ্রান্স-ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।

আটলান্টায় গত রাতে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে সব আলো নিজের দিকে কেড়ে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। গোল না করলেও দুটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। যা ঘুরিয়ে দেয় ম্যাচের মোড়। আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলার পর যে উপহার পেয়েছেন, তা তিনি প্রয়াত কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনাকে উৎসর্গ করেছেন।
৪০ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে যে উত্তাপ থাকবে, সেটা আগে থেকেই ছিল জানা। আটলান্টায় সেমিফাইনালে দুই দলের ফুটবলাররা শরীরনির্ভর ফুটবল খেলেছে বেশি। মাঠে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ব্যানার নিয়ে উদযাপনও করেছে আর্জেন্টিনা। এমনকি মাঠের বাইরেও দেখা গেছে এর রেশ।
২ ঘণ্টা আগে
এভাবেও ফিরে আসা যায়—এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স দেখলে জনপ্রিয় এই গান মনে পড়তে বাধ্য। শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ানো এক রকম শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে লিওনেল স্কালোনির কথা। গত রাতে আটলান্টায় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের জয় যখন সময়ের ব্যাপার ছিল, তখন ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছে আর্জেন্টিনা।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে না উঠতেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় গত রাতে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার নিয়ে উদযাপন করে লিওনেল স্কালোনির দল। এমন ঘটনায় শাস্তির আশঙ্কায় রয়েছে আর্জেন্টিনা।
৪ ঘণ্টা আগে