
পেনাল্টি শুটআউটে ইন্টার মায়ামির জয় এখন অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুটি প্রীতি ম্যাচেই টাইব্রেকারে জিতেছে লিওনেল মেসি-লুইস সুয়ারেজদের মায়ামি। পেরুর এক ক্লাবের বিপক্ষেও আজ মেসিদের জয় এসেছে এভাবেই।
বাংলাদেশ সময় আজ সকালে ক্লাব প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ক্লাব ইউনিভার্সিটারিও দি দেপোর্তেস এবং ইন্টার মায়ামি। প্রীতি ম্যাচের পেনাল্টি শুটআউটেও লড়াইটা হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে জিতেছে মায়ামি। জয়সূচক গোলটা করেছেন ইয়ানিক ব্রাইট।
মূল ম্যাচে ইউনিভার্সিটারিও-ইন্টার মায়ামি লড়াই হয়েছে সমানে সমানে। ৫৯ শতাংশ বল দখলে রেখে মায়ামি প্রতিপক্ষের লক্ষ্য বরাবর নেয় ২ শট। ইউনিভার্সিটারিও বল দখলে রাখে ৪১ শতাংশ। তবে মায়ামির লক্ষ্য বরাবর তারা নেয় ৫ শট।
৯০ মিনিট পেরিয়ে অতিরিক্ত ৫ মিনিট পর্যন্ত খেলা হলেও কোনো দল লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। মেসি, সুয়ারেজ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। কখনো ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা, কখনোবা ইউনিভার্সিটারিও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় তা সম্ভব হয়নি। পেরুর ক্লাবটির গোলরক্ষক সেবাস্তিয়ান ব্রিতোসও ছিলেন দুর্দান্ত।
মূল ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। টাইব্রেকারে হুলিয়ান গ্রেসেল, সান্তিয়াগো মোরালেস, দাভিড রুইজ, বেঞ্জামিন ক্রেমাশ্চি, ব্রাইট—মায়ামির পাঁচ ফুটবলারই গোল করেছেন। ইউনিভার্সিটারিওর জাইরো ভেলেজ গোল করতে পারেননি। এটাতেই মূলত পিছিয়ে গেছে ক্লাবটি।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি এ বছরের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে ইন্টার মায়ামি। অ্যালেজিয়েন্ট স্টেডিয়ামে ক্লাব আমেরিকা-ইন্টার মায়ামি মূল ম্যাচ ড্র হয়েছিল ২-২ গোলে। শেষ পর্যন্ত সেই ক্লাব প্রীতি ম্যাচে ৩-২ গোলে পেনাল্টি শুটআউটে ইন্টার মায়ামি জিতেছিল।

আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন লিওনেল মেসি। বুধবার ভোরে বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শেষবারের মতো আলবিসেলেস্তেদের জার্সি পরবেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। তার আগে সোমবার এজেইজায় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়ে নিজের বিদায়ী ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড।
২৪ মিনিট আগে
ফিফা আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের হয়েছে ভুলে যাওয়ার মতোই। তবু টুর্নামেন্টে কিছু প্রাপ্তি ছিল টমাস ডুলির দলের। এই টুর্নামেন্টে যে তিন তরুণ ফুটবলার নজর কেড়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি শুকি ইতোফুসা। গতকাল দুপুরে বেরাইদে ফর্টিস ক্লাব ভবনে জাপানি ভাষায় দেওয়া শুকির সাক্ষাৎকার পর্বে বড় সহায়ক
২ ঘণ্টা আগে
বড় মঞ্চে ভালো না করার কারণটা পরিষ্কার না আমার কাছেও। তবে বড় দলের সঙ্গে আমাদের ব্যবধান কিন্তু অনেক কমছে। আমরা আগের তুলনায় অনেক ধারাবাহিক। নিয়মিত বড় দলকে হারাই। বড় বড় ম্যাচ জিতি। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো খেলছি। এশিয়া কাপের ফাইনালও তিনবার খেলছি। কিন্তু ট্রফি জিততে পারিনি। রানার্সআপ আসলে কেউ মনে রাখে না।
২ ঘণ্টা আগে
আরও একটি বড় মঞ্চের পরীক্ষা, আরও একবার ব্যর্থ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এশিয়াডে সান্ত্বনার ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে। এভাবে শূন্য হাতে ফেরার গল্প আর নতুন কি! কিন্তু দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশ বড় দলগুলোকে হারিয়ে দেয়। এমনকি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বিশ্বকাপও একবার জেতা হয়েছে। কিন্তু এশিয়া কাপ, এশিয়ান গে
২ ঘণ্টা আগে