শ্যামপুর-কদমতলী (প্রতিনিধি) ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, হামলা-মামলায় এখন আর বিএনপি ভয় পায় না। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) জনগণের মাথায় ঢোকানোর আগে তাঁদের ভোট দেওয়া শেখান। নতুন পদ্ধতির কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।’
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়কে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আর কোনো তালেবানি নির্বাচন চলবে না, জনগণ তা মেনে নেবে না। বিএনপির বিরুদ্ধে মানুষকে ভুল-বোঝানোর চেষ্টা করে লাভ নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ১৭ বছর আন্দোলন করেছি, প্রয়োজনে আরও ১৭ বছর আন্দোলন করব। যারা একসময় ভাত খেতে পারত না, আজ তারা টাকার কুমির হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই—তারা এত টাকা কোথায় পেল?’
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘বিএনপিকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে দমন করা যাবে না। প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি। আমরা কোনো দালালি রাজনীতি করি না। আমরা জনগণের রাজনীতি করি।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু এবং সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ সালাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ্ নবী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। এ ছাড়া মহানগর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা–কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, হামলা-মামলায় এখন আর বিএনপি ভয় পায় না। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) জনগণের মাথায় ঢোকানোর আগে তাঁদের ভোট দেওয়া শেখান। নতুন পদ্ধতির কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।’
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়কে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আর কোনো তালেবানি নির্বাচন চলবে না, জনগণ তা মেনে নেবে না। বিএনপির বিরুদ্ধে মানুষকে ভুল-বোঝানোর চেষ্টা করে লাভ নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ১৭ বছর আন্দোলন করেছি, প্রয়োজনে আরও ১৭ বছর আন্দোলন করব। যারা একসময় ভাত খেতে পারত না, আজ তারা টাকার কুমির হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই—তারা এত টাকা কোথায় পেল?’
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘বিএনপিকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে দমন করা যাবে না। প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি। আমরা কোনো দালালি রাজনীতি করি না। আমরা জনগণের রাজনীতি করি।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু এবং সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ সালাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ্ নবী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। এ ছাড়া মহানগর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা–কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে ভূমিকা পালন করা দরকার, বিএনপি তা-ই করবে। আজ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা...
১২ ঘণ্টা আগে
‘যে জাতীয় পার্টি স্বৈরাচার তৈরি করেছে, তারা যেন কোনোভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাই। জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন করতে দেওয়া স্বৈরাচারকে পুনর্বাসন বা এজেন্সির খেলা’—এ মন্তব্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনের। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায়...
১৩ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে দেশের অর্থনীতি, শিল্প-বাণিজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপরেখা নিয়ে মতবিনিময় হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
সন্দেহজনক আচরণের কারণে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসভবন এলাকা থেকে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ ও চেয়ারম্যান সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ)। আজ রোববার সকালে গুলশান থানাধীন ১৯৬ নম্বর বাসভবন এলাকা থেকে প্রথমে মো. রুহুল আমিন (৪৬) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে