নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘হেফাজতে ইসলামকে বাংলাদেশের বড় একটি রাজনৈতিক শক্তি বললে আমার কাছে মনে হয় ভুল হবে না। আপনারা (হেফাজতে ইসলাম) বলেন যে আপনারা অরাজনৈতিক; কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতি অনেকটা আপনারা নিয়ন্ত্রণ করেন। বাংলাদেশে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, যারাই রাজনীতি করুক না কেন, হেফাজতে ইসলামকে বাদ রেখে বাংলাদেশে রাজনীতি করা যাবে না।’
আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে শায়খুল হাদিস পরিষদ আয়োজিত জাতীয় কনফারেন্সে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘আমাদের দল গণঅধিকার পরিষদ ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশে আমরা রাজনীতি করছি, আপনাদের (হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ) মতো আমরা ইসলামিক দল নই। কিন্তু আমরা যারা মধ্যপন্থা অবলম্বন করি, আমরা কেউ ইসলামের বিরুদ্ধে নই। ইসলামি মূল্যবোধকে ধারণ করে বাংলাদেশের যে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ইসলাম বিদ্বেষী হওয়ার কারণেই হাসিনার পতন হয়েছে। এ দেশে কেউ কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে গিয়ে, ইসলামের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে রাজনীতি করতে পারে নাই। আগামীতে ইসলামের বিপক্ষে গিয়ে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। ইসলামের বিপক্ষে যে সরকার অবস্থান নিয়েছে, ধর্মনিরপেক্ষতার বয়ান, এই বয়ানের নামে ধর্মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিভিন্ন ধরনের সংজ্ঞায়ন আমাদের সামনে হাজির করেছে, সেই সরকার কিন্তু বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারে নাই। সুতরাং, এখন যে সরকার রয়েছে, আগামীতে যে সরকার আসবে, প্রত্যেককে ইসলাম মেনে রাজনীতি করতে হবে, দেশ চালাতে হবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘কতজন মাদ্রাসাশিক্ষার্থী জীবন দিয়েছে, কতজন আক্রান্ত হয়েছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করুন। শাপলা চত্বরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ যে গণহত্যা চালিয়েছিল, কতজন শহীদ হয়েছিল, সেই তালিকা এখনো পর্যন্ত তৈরি করা হয় নাই।
‘সরকারকে বলব, যারা এই আলেম সমাজকে বিভিন্ন সময় আক্রান্ত করেছে, রক্তাক্ত করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনুন। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের, আলেম সমাজকে দূরে রেখে নতুন বাংলাদেশ গঠন করা যাবে না। আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখছি।’

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘হেফাজতে ইসলামকে বাংলাদেশের বড় একটি রাজনৈতিক শক্তি বললে আমার কাছে মনে হয় ভুল হবে না। আপনারা (হেফাজতে ইসলাম) বলেন যে আপনারা অরাজনৈতিক; কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতি অনেকটা আপনারা নিয়ন্ত্রণ করেন। বাংলাদেশে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, যারাই রাজনীতি করুক না কেন, হেফাজতে ইসলামকে বাদ রেখে বাংলাদেশে রাজনীতি করা যাবে না।’
আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে শায়খুল হাদিস পরিষদ আয়োজিত জাতীয় কনফারেন্সে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘আমাদের দল গণঅধিকার পরিষদ ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশে আমরা রাজনীতি করছি, আপনাদের (হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ) মতো আমরা ইসলামিক দল নই। কিন্তু আমরা যারা মধ্যপন্থা অবলম্বন করি, আমরা কেউ ইসলামের বিরুদ্ধে নই। ইসলামি মূল্যবোধকে ধারণ করে বাংলাদেশের যে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ইসলাম বিদ্বেষী হওয়ার কারণেই হাসিনার পতন হয়েছে। এ দেশে কেউ কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে গিয়ে, ইসলামের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে রাজনীতি করতে পারে নাই। আগামীতে ইসলামের বিপক্ষে গিয়ে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। ইসলামের বিপক্ষে যে সরকার অবস্থান নিয়েছে, ধর্মনিরপেক্ষতার বয়ান, এই বয়ানের নামে ধর্মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিভিন্ন ধরনের সংজ্ঞায়ন আমাদের সামনে হাজির করেছে, সেই সরকার কিন্তু বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারে নাই। সুতরাং, এখন যে সরকার রয়েছে, আগামীতে যে সরকার আসবে, প্রত্যেককে ইসলাম মেনে রাজনীতি করতে হবে, দেশ চালাতে হবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘কতজন মাদ্রাসাশিক্ষার্থী জীবন দিয়েছে, কতজন আক্রান্ত হয়েছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করুন। শাপলা চত্বরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ যে গণহত্যা চালিয়েছিল, কতজন শহীদ হয়েছিল, সেই তালিকা এখনো পর্যন্ত তৈরি করা হয় নাই।
‘সরকারকে বলব, যারা এই আলেম সমাজকে বিভিন্ন সময় আক্রান্ত করেছে, রক্তাক্ত করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনুন। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের, আলেম সমাজকে দূরে রেখে নতুন বাংলাদেশ গঠন করা যাবে না। আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখছি।’

সংবাদ সম্মেলনে নাম উল্লেখ না করে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা যদি জনপ্রতিনিধি হতে চান, তাহলে প্রকৃত অর্থে প্রথমে এককভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন। আমরা কোনো বিদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে নির্বাচন করতে দেব না। যদি নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন করার...
২৭ মিনিট আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাধা-নিষেধের কারণে এখনই তা তুলে ধরতে পারেননি দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘সকল শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী দিনে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি ছিলেন প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক এবং গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী এক মহান রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার স্পষ্ট ঘোষণা দিলেও এখনো তাদের জন্য আলোচনার দরজা উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে...
৪ ঘণ্টা আগে