
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মুলার (Christian Brix Møller) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্ক দূতাবাসের উপপ্রধান অ্যান্ডার্স বি. কার্লসেন (Anders B. Karlsen) উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ডেনমার্কের অবদান এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় মানসম্মত ওষুধ আমদানিসহ স্বাস্থ্য খাতে ডেনমার্কের সহযোগিতার বিষয়টিও উঠে আসে।
বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা মেরিটাইম ও ব্লু ইকোনমি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিন এনার্জি, তৈরি পোশাকশিল্প, শ্রমিক অধিকার এবং কর্মপরিবেশের উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ডেনমার্কের চলমান সহযোগিতামূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, বিচার বিভাগীয় সংস্কার, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে ডেনিশ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের বিষয়ে ডেনমার্কের আগ্রহ ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং দলের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমেদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ শুরুতেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান-পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি...
১৮ ঘণ্টা আগে
আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
২০ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেই রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই একটি প্রতিক্রিয়াশীল পটপরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা
২১ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট সেই একই রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের জন্মশত্রু-চিরশত্রুদের কাজ। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে...
২১ ঘণ্টা আগে