নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বাচনের ইতিহাসে ‘অন্ধকারাচ্ছন্ন দিন’ মনে করে বিএনপি। আট বছর আগের ওই নির্বাচনের দিনটিতে প্রতিবছরই নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও দিনটিতে (বুধবার) রাজধানীসহ সারা দেশের জেলা সদরগুলোতে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার সকালে কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) বিএনপি। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি জেলা সদরেও একই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান তিনি।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ওই নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল না। সরকারের জোট ছাড়া বিরোধী দলসহ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সেই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার গায়ের জোরে, জনগণকে ত্যাজ্য করে একতরফা নির্বাচন করেছিল। ভোটার ও বিরোধী দলের প্রার্থীবিহীন একতরফা বিতর্কিত, প্রতারণামূলক, হাস্যকর এবং শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ প্রহসনমূলক একদলীয় পাতানো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনেন রুহুল কবির রিজভী। এ সময় ‘বিএনপির সমাবেশে সরকার বাধা দিচ্ছে না’—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই দাবিকে নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেবের কাছে প্রশ্ন, সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে অস্ত্র হাতে যারা হামলা করেছে, তারা কারা? গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, এরা সবাই যুবলীগের কর্মী। তারা এখনো ধরা পড়ছে না কেন? পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ হামলা করে অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে, গুলি করে আহত করেছে, এরা কারা? গাজীপুরের সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল কেন? বাগেরহাটে ছাত্রদলের সমাবেশে বাধা দিয়েছিল কে? কক্সবাজার, নওগাঁ ও ফেনীতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে কেন? হবিগঞ্জে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ শত শত নেতাকর্মীর ওপর গুলি করল কেন? শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার অপরাধে বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার নেতাকর্মীর নামে মামলা হচ্ছে কেন? নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কেন?’
ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমি কাদের সাহেবকে পরিষ্কার বলে দিতে চাই, কর্তৃত্ববাদী হিংসার শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশের মানুষ কঠিন সংগ্রামে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভোটারবিহীন সরকারের দিন শেষ। ভোট ডাকাতির দিন শেষ। বাংলাদেশের জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমে গেছে। বিশ্ববিবেক জেগে উঠছে। যেভাবে অবরুদ্ধের খবর আসছে, তাতে অনেক মন্ত্রী, এমপি ও আমলাদের মতো পালানোর রাস্তাও তাদের খোলা নেই।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বাচনের ইতিহাসে ‘অন্ধকারাচ্ছন্ন দিন’ মনে করে বিএনপি। আট বছর আগের ওই নির্বাচনের দিনটিতে প্রতিবছরই নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও দিনটিতে (বুধবার) রাজধানীসহ সারা দেশের জেলা সদরগুলোতে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার সকালে কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) বিএনপি। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি জেলা সদরেও একই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান তিনি।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ওই নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল না। সরকারের জোট ছাড়া বিরোধী দলসহ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সেই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার গায়ের জোরে, জনগণকে ত্যাজ্য করে একতরফা নির্বাচন করেছিল। ভোটার ও বিরোধী দলের প্রার্থীবিহীন একতরফা বিতর্কিত, প্রতারণামূলক, হাস্যকর এবং শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ প্রহসনমূলক একদলীয় পাতানো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনেন রুহুল কবির রিজভী। এ সময় ‘বিএনপির সমাবেশে সরকার বাধা দিচ্ছে না’—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই দাবিকে নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেবের কাছে প্রশ্ন, সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে অস্ত্র হাতে যারা হামলা করেছে, তারা কারা? গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, এরা সবাই যুবলীগের কর্মী। তারা এখনো ধরা পড়ছে না কেন? পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ হামলা করে অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে, গুলি করে আহত করেছে, এরা কারা? গাজীপুরের সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল কেন? বাগেরহাটে ছাত্রদলের সমাবেশে বাধা দিয়েছিল কে? কক্সবাজার, নওগাঁ ও ফেনীতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে কেন? হবিগঞ্জে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ শত শত নেতাকর্মীর ওপর গুলি করল কেন? শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার অপরাধে বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার নেতাকর্মীর নামে মামলা হচ্ছে কেন? নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কেন?’
ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমি কাদের সাহেবকে পরিষ্কার বলে দিতে চাই, কর্তৃত্ববাদী হিংসার শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশের মানুষ কঠিন সংগ্রামে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভোটারবিহীন সরকারের দিন শেষ। ভোট ডাকাতির দিন শেষ। বাংলাদেশের জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমে গেছে। বিশ্ববিবেক জেগে উঠছে। যেভাবে অবরুদ্ধের খবর আসছে, তাতে অনেক মন্ত্রী, এমপি ও আমলাদের মতো পালানোর রাস্তাও তাদের খোলা নেই।’

সংবাদ সম্মেলনে নাম উল্লেখ না করে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা যদি জনপ্রতিনিধি হতে চান, তাহলে প্রকৃত অর্থে প্রথমে এককভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন। আমরা কোনো বিদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে নির্বাচন করতে দেব না। যদি নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন করার...
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাধা-নিষেধের কারণে এখনই তা তুলে ধরতে পারেননি দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘সকল শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী দিনে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি ছিলেন প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক এবং গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী এক মহান রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার স্পষ্ট ঘোষণা দিলেও এখনো তাদের জন্য আলোচনার দরজা উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে...
৪ ঘণ্টা আগে