ঢাবি সংবাদদাতা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ অঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ সেনাবাহিনীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, আপনারা ক্যান্টনমেন্টে থাকুন। আপনাদেরকে আমরা সম্মান জানাই। গত ১৬ বছর জাতীয় রাজনীতিতে যেভাবে নোংরা হস্তক্ষেপ করেছেন, ’২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে তা আর করতে দেওয়া হবে না।’
আজ শনিবার বিকেলে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন। গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার, নিবন্ধন বাতিল এবং রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির ঢাকা মহানগর শাখা।
সমাবেশে সেনাবাহিনীর উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে এতগুলা ডামি নির্বাচন হলো, আপনাদের ইনক্লুসিভিটি কোথায় ছিল। এত বছর কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে সেনাবাহিনীর কোনো একটি জেনারেলকে দেখিনি পদত্যাগ করতে। এত গুম-খুন, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন চলেছে; আপনারা প্রতিবাদ করেননি। এখন আমরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রত্যাশায় আছি। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা একটি সুষ্ঠু পরিবেশে ফিরে যেতে চাই। আপনারা এতে হস্তক্ষেপ করবেন না।’
হাসনাত বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। আপনারা জনগণকে আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড় করাবেন না। আমাদের অবস্থান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়। সেনাবাহিনীকে যারা অপব্যবহার করতে চায়, আমাদের অবস্থান তাদের বিরুদ্ধে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, সেনাবাহিনী আমাদের আস্থার প্রতিদান দেবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগ আর কখনো পুনর্বাসিত হবে না।’
এনিসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিগত সময়ে আওয়ামী লীগকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পুনর্বাসন করেছেন। পরে তাঁর নেতা-কর্মীদের এর খেসারত দিতে হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে সাহায্য করেছে, তাদের নেতাদের ফাঁসির মাধ্যমে এর খেসারত দিতে হয়েছে। আবার যদি কেউ এ দলকে পুনর্বাসন করে, তবে জীবন দিয়ে তাকে এর খেসারত দিতে হবে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘পরিবর্তিত বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে রেখে এসব করা হবে। আওয়ামী লীগ বিতাড়িত হয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। পৃথিবীর ইতিহাসে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বিতাড়িত কোনো দল কখনো ফিরে আসেনি। আওয়ামী লীগের নাম, মার্কা—এগুলো চিরতরে জাতীয় রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত বলেন, ‘আমাদের আশা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করবে। কিন্তু আমাদের সে প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। সরকার এখনো পিলখানা, শাপলা, জুলাই—কোনো হত্যাকাণ্ডেরই বিচার করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ চাই না। যে গুম-খুন তারা চালিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই জাতীয় রাজনীতিতে অবৈধ।
আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল না। আওয়ামী লীগ ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রতিনিধি। ভারতের এই আধিপত্যবাদ বাংলাদেশে আর কখনো ফিরতে দেওয়া হবে না। বাংলার মাটিতে এনসিপি যত দিন আছে, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত হতে দেওয়া হবে না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ অঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ সেনাবাহিনীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, আপনারা ক্যান্টনমেন্টে থাকুন। আপনাদেরকে আমরা সম্মান জানাই। গত ১৬ বছর জাতীয় রাজনীতিতে যেভাবে নোংরা হস্তক্ষেপ করেছেন, ’২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে তা আর করতে দেওয়া হবে না।’
আজ শনিবার বিকেলে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন। গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার, নিবন্ধন বাতিল এবং রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির ঢাকা মহানগর শাখা।
সমাবেশে সেনাবাহিনীর উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে এতগুলা ডামি নির্বাচন হলো, আপনাদের ইনক্লুসিভিটি কোথায় ছিল। এত বছর কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে সেনাবাহিনীর কোনো একটি জেনারেলকে দেখিনি পদত্যাগ করতে। এত গুম-খুন, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন চলেছে; আপনারা প্রতিবাদ করেননি। এখন আমরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রত্যাশায় আছি। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা একটি সুষ্ঠু পরিবেশে ফিরে যেতে চাই। আপনারা এতে হস্তক্ষেপ করবেন না।’
হাসনাত বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। আপনারা জনগণকে আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড় করাবেন না। আমাদের অবস্থান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়। সেনাবাহিনীকে যারা অপব্যবহার করতে চায়, আমাদের অবস্থান তাদের বিরুদ্ধে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, সেনাবাহিনী আমাদের আস্থার প্রতিদান দেবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগ আর কখনো পুনর্বাসিত হবে না।’
এনিসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিগত সময়ে আওয়ামী লীগকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পুনর্বাসন করেছেন। পরে তাঁর নেতা-কর্মীদের এর খেসারত দিতে হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে সাহায্য করেছে, তাদের নেতাদের ফাঁসির মাধ্যমে এর খেসারত দিতে হয়েছে। আবার যদি কেউ এ দলকে পুনর্বাসন করে, তবে জীবন দিয়ে তাকে এর খেসারত দিতে হবে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘পরিবর্তিত বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে রেখে এসব করা হবে। আওয়ামী লীগ বিতাড়িত হয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। পৃথিবীর ইতিহাসে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বিতাড়িত কোনো দল কখনো ফিরে আসেনি। আওয়ামী লীগের নাম, মার্কা—এগুলো চিরতরে জাতীয় রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত বলেন, ‘আমাদের আশা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করবে। কিন্তু আমাদের সে প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। সরকার এখনো পিলখানা, শাপলা, জুলাই—কোনো হত্যাকাণ্ডেরই বিচার করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ চাই না। যে গুম-খুন তারা চালিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই জাতীয় রাজনীতিতে অবৈধ।
আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল না। আওয়ামী লীগ ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রতিনিধি। ভারতের এই আধিপত্যবাদ বাংলাদেশে আর কখনো ফিরতে দেওয়া হবে না। বাংলার মাটিতে এনসিপি যত দিন আছে, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত হতে দেওয়া হবে না।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে দলের কর্মীরা অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে দমন করা যাবে না।’
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে থাকতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা। তিনি বলেছেন, ‘সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দূর করতে না পারলে আমরা এক হতে পারব না।’
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে