নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন সেবায় নাগরিকদের দুর্ভোগ কমেছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, প্রতি মাসে আগে যেখানে গড়ে ১ লাখ ৯২০ করে এনআইডি সংশোধনের আবেদন পড়ত, এখন তা কমে প্রায় ৮০ হাজারে নেমেছে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এনআইডি সংশোধনসংক্রান্ত ক্র্যাশ প্রোগ্রামের অগ্রগতি তুলে ধরার সময় তিনি এ দাবি করেন।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘প্রতি মাসে নাগরিকদের এনআইডি সংশোধনসংক্রান্ত আবেদন কমে আসছে। ভোগান্তির মাত্রাও কমে এসেছে। আশা করি, ভবিষ্যতে এনআইডি সেবা নিয়ে আর হয়রানির অভিযোগ থাকবে না।’
ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব জানান, এ বছরের ১ জানুয়ারিতে এনআইডি সংশোধনের অনিষ্পন্ন আবেদন ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৬টি। ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে নতুন আবেদন পড়ে ৬ লাখ ৫ হাজার ৫২০টি। সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৬টি আবেদনের মধ্যে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামে’ নিষ্পন্ন করা হয়েছে ৯ লাখ ৭ হাজার ৬৬২টি। বর্তমানে অনিষ্পন্ন আবেদন রয়েছে ৭৬ হাজার ৬৯৪টি।
প্রতি মাসে আগে যেখানে গড়ে ১ লাখ ৯২০ করে আবেদন পড়ত, এখন তা কমে এসে প্রায় ৮০ হাজারে নেমেছে বলে জানান তিনি।
জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এনআইডি সংশোধনের মাত্রা দেখে চারটি ক্যাটাগরি করে ইসি সচিবালয়। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ, দলিল যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এনআইডি সংশোধন করে দেওয়া হয়। ২০২০ সাল থেকে এ-সংক্রান্ত ৫৪ লাখ ৭৬ হাজার ১১টি আবেদন করা হয়। চার ক্যাটাগরিতে আবেদন নিষ্পন্ন হয় ৫৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪২০টি।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমার মনে হয়, নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে মানুষের ভোগান্তির মাত্রাটা কমেছে। ছয় মাসে তুলনামূলকভাবে আবেদনের সংখ্যাও কমেছে। আগামী কয়েক মাসে তা সন্তোষজনক পর্যায়ে আসবে। তখন হয়রানির অভিযোগগুলো হয়তো আর থাকবে না।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নানা অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকজন রাজনীতিকসহ অনেকের এনআইডি ‘লক’ করা হয়।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান সচিব। তিনি বলেন, ‘নানা কারণে এনআইডি লক করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে এনআইডির অপব্যবহার রোধে তা করা হয়। এমনকি আমারটাও নাকি লক করা আছে। কারোর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তথ্য না নেওয়াই ভালো।’

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন সেবায় নাগরিকদের দুর্ভোগ কমেছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, প্রতি মাসে আগে যেখানে গড়ে ১ লাখ ৯২০ করে এনআইডি সংশোধনের আবেদন পড়ত, এখন তা কমে প্রায় ৮০ হাজারে নেমেছে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এনআইডি সংশোধনসংক্রান্ত ক্র্যাশ প্রোগ্রামের অগ্রগতি তুলে ধরার সময় তিনি এ দাবি করেন।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘প্রতি মাসে নাগরিকদের এনআইডি সংশোধনসংক্রান্ত আবেদন কমে আসছে। ভোগান্তির মাত্রাও কমে এসেছে। আশা করি, ভবিষ্যতে এনআইডি সেবা নিয়ে আর হয়রানির অভিযোগ থাকবে না।’
ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব জানান, এ বছরের ১ জানুয়ারিতে এনআইডি সংশোধনের অনিষ্পন্ন আবেদন ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৬টি। ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে নতুন আবেদন পড়ে ৬ লাখ ৫ হাজার ৫২০টি। সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৬টি আবেদনের মধ্যে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামে’ নিষ্পন্ন করা হয়েছে ৯ লাখ ৭ হাজার ৬৬২টি। বর্তমানে অনিষ্পন্ন আবেদন রয়েছে ৭৬ হাজার ৬৯৪টি।
প্রতি মাসে আগে যেখানে গড়ে ১ লাখ ৯২০ করে আবেদন পড়ত, এখন তা কমে এসে প্রায় ৮০ হাজারে নেমেছে বলে জানান তিনি।
জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এনআইডি সংশোধনের মাত্রা দেখে চারটি ক্যাটাগরি করে ইসি সচিবালয়। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ, দলিল যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এনআইডি সংশোধন করে দেওয়া হয়। ২০২০ সাল থেকে এ-সংক্রান্ত ৫৪ লাখ ৭৬ হাজার ১১টি আবেদন করা হয়। চার ক্যাটাগরিতে আবেদন নিষ্পন্ন হয় ৫৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪২০টি।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমার মনে হয়, নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে মানুষের ভোগান্তির মাত্রাটা কমেছে। ছয় মাসে তুলনামূলকভাবে আবেদনের সংখ্যাও কমেছে। আগামী কয়েক মাসে তা সন্তোষজনক পর্যায়ে আসবে। তখন হয়রানির অভিযোগগুলো হয়তো আর থাকবে না।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নানা অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকজন রাজনীতিকসহ অনেকের এনআইডি ‘লক’ করা হয়।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান সচিব। তিনি বলেন, ‘নানা কারণে এনআইডি লক করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে এনআইডির অপব্যবহার রোধে তা করা হয়। এমনকি আমারটাও নাকি লক করা আছে। কারোর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তথ্য না নেওয়াই ভালো।’

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আগামীকাল রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
২ ঘণ্টা আগে
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইনতা লাসে বলেন, ‘আপনারাই মাঠে থাকবেন। বাস্তবতা দেখবেন। প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, তা ঢাকায় আমাদের জানাবেন। আপনার মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকেরা আমাদের মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ...
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাইয়ের চেতনার নামে গরু কোরবানি দেওয়া, মধ্যরাতে অফিসে হামলা করা, আগুন দেওয়া নজিরবিহীন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ। আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এ কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও সরকারের গণভোট প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, ‘এ সরকার রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনি এটাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মনে করেন? যে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগে