নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৫ সালে দেশে ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ১১১ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ৮১২ জন আহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
আজ রোববার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির ২০২৫ সালের বার্ষিক সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন তুলে ধরেন সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ, নিহত বেড়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং আহত বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত বছর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ছিল ২ হাজার ৪৯৩টি, যাতে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৯৮৩ জন এবং আহত হয়েছেন ২ হাজার ২১৯ জন। মোট দুর্ঘটনার ৩৭ দশমিক ০৪ শতাংশ, নিহতের ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং আহতের ১৪ দশমিক ৯৮ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
২০২৫ সালে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মোট ১০ হাজার ২৮৮টি যানবাহনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস এবং ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।
সংগঠনটি জানায়, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়লেও গণমাধ্যমে এসব দুর্ঘটনার সংবাদ তুলনামূলকভাবে কম আসায় প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ৪৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়া এবং ০ দশমিক ৬৮ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের কারণে ঘটেছে।
স্থানভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ২২ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৭ দশমিক ১৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ২৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরীতে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম মহানগরীতে ০ দশমিক ৯০ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, সড়কের নির্মাণ ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য, চালকের অদক্ষতা, মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, অরক্ষিত রেলক্রসিং, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সংগঠনটি ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে—সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবহন খাত সংস্কার অন্তর্ভুক্ত করা, সড়ক নিরাপত্তায় বাজেট বৃদ্ধি, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান, মানসম্মত ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ছাড়া লাইসেন্স প্রদান বন্ধ, পরিবহন খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থার প্রবর্তন।
সংবাদ সম্মেলনে মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ক্ষমতার পালাবদল হলেও সড়ক খাতে নীতিগত পরিবর্তন না হওয়ায় দুর্ঘটনা ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমছে না। যানজট ও চাঁদাবাজির কারণে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের ভাড়া বেড়েই চলেছে। সড়ক পরিবহন খাত সংস্কার না করায় সাধারণ মানুষ আজও নিরাপদ যাতায়াত থেকে বঞ্চিত।

২০২৫ সালে দেশে ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ১১১ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ৮১২ জন আহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
আজ রোববার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির ২০২৫ সালের বার্ষিক সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন তুলে ধরেন সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ, নিহত বেড়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং আহত বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত বছর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ছিল ২ হাজার ৪৯৩টি, যাতে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৯৮৩ জন এবং আহত হয়েছেন ২ হাজার ২১৯ জন। মোট দুর্ঘটনার ৩৭ দশমিক ০৪ শতাংশ, নিহতের ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং আহতের ১৪ দশমিক ৯৮ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
২০২৫ সালে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মোট ১০ হাজার ২৮৮টি যানবাহনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস এবং ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।
সংগঠনটি জানায়, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়লেও গণমাধ্যমে এসব দুর্ঘটনার সংবাদ তুলনামূলকভাবে কম আসায় প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ৪৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়া এবং ০ দশমিক ৬৮ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের কারণে ঘটেছে।
স্থানভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ২২ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৭ দশমিক ১৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ২৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরীতে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম মহানগরীতে ০ দশমিক ৯০ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, সড়কের নির্মাণ ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য, চালকের অদক্ষতা, মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, অরক্ষিত রেলক্রসিং, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সংগঠনটি ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে—সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবহন খাত সংস্কার অন্তর্ভুক্ত করা, সড়ক নিরাপত্তায় বাজেট বৃদ্ধি, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান, মানসম্মত ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ছাড়া লাইসেন্স প্রদান বন্ধ, পরিবহন খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থার প্রবর্তন।
সংবাদ সম্মেলনে মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ক্ষমতার পালাবদল হলেও সড়ক খাতে নীতিগত পরিবর্তন না হওয়ায় দুর্ঘটনা ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমছে না। যানজট ও চাঁদাবাজির কারণে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের ভাড়া বেড়েই চলেছে। সড়ক পরিবহন খাত সংস্কার না করায় সাধারণ মানুষ আজও নিরাপদ যাতায়াত থেকে বঞ্চিত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৯ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
১১ ঘণ্টা আগে