Ajker Patrika

বাংলাদেশে গ্যাস-তেলসম্পদ উত্তোলনে ইতালিকে আমন্ত্রণ স্পিকারের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ৫১
বাংলাদেশে গ্যাস-তেলসম্পদ উত্তোলনে ইতালিকে আমন্ত্রণ স্পিকারের
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সৌজন্য সাক্ষাৎ। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। আজ রোববার স্পিকারের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইতালির অকৃত্রিম বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ইতালি বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইতালির সম্পর্কের সূচনা হয়। বাংলাদেশের অভিবাসীদের জন্য ইতালি সব সময় উদারতা দেখিয়ে আসছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইতালি বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের বৃহৎ গন্তব্য।

স্পিকার আরও বলেন, সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ ও আইনগত মাইগ্রেশনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকটে তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রতি বছর ইতালির সরকার বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশকে দিয়ে থাকে।

স্পিকার বলেন, ইতালি বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। ইতালির বিভিন্ন মেশিনারি যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। ইতালি ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনে আরও কৌশলগতভাবে বিস্তার লাভ করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ইতালির পুরোনো বন্ধু। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ইতালির সরকার সব সময় দৃঢ় সমর্থন দেয়। বাংলাদেশ ও ইতালির সংসদের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন ও সংসদীয় প্রতিনিধির সফর বিনিময়ের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির বিস্তারে ইতালির সরকার আগ্রহী।

প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও সিরামিক পণ্য ইতালিতে রপ্তানি হয়ে থাকে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধান, জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং কূপ খননের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্পিকার এ সময় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় মজুত গ্যাস ও তেল সম্পদ উত্তোলনে ইতালির বাণিজ্যিক কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে ইতালির দূতাবাসের কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত