
ছুটি কাটানোর উদ্দেশ্য হলো জীবন উপভোগ করা। এর অর্থ দুশ্চিন্তা বাড়ানো নয়। সব খরচ একবারে দিয়ে প্যাকেজ বুক করা বা অল-ইনক্লুসিভ ট্যুরের জন্য সেরা সমাধান হতে পারে। তবে বুকিংয়ের সময় কিছু সাধারণ ভুল এড়িয়ে না চললে হিতে বিপরীত হতে পারে। যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে হবে সেগুলোর মধ্যে আছে,
শর্তাবলি না পড়া
বুকিংয়ের সময় ছোট ছোট অক্ষরে লেখা শর্তগুলো মন দিয়ে পড়ুন। অনেক সময় দেখা যায়, ট্যাক্স বা গ্র্যাচুইটি প্যাকেজের বাইরে থাকে, যা পরে কয়েক হাজার ডলারের বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। আবার হয়তো দেখবেন, বিনা মূল্যে পাওয়া এয়ারপোর্ট ট্রান্সফারের গাড়ি টাকা দিয়ে বুক করে বসে আছেন। এ ছাড়া রিফান্ড বা ক্যানসেলেশন পলিসি পড়ে নেওয়াও অত্যন্ত জরুরি। নইলে বাড়তি অর্থ ব্যয় হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
খাবারের প্যাকেজ নিশ্চিত না করা
অনেকে মনে করেন, প্যাকেজ না নিয়ে রিসোর্টে গিয়ে খাবার বা পানীয় কিনে খেলে হয়তো সাশ্রয় হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। অল-ইনক্লুসিভ রিসোর্টে আলাদাভাবে কোনো খাবারের দাম সাধারণত স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। যে স্টার্টারের দাম বাইরে ১০ ডলার, রিসোর্টে তা ২৫ ডলারও হতে পারে। তাই আলাদাভাবে টাকা খরচ করার চেয়ে প্যাকেজ নেওয়াটাই সাধারণত বেশি সাশ্রয়ী। তাই খাবারের প্যাকেজ নিশ্চিত করুন।

‘সবকিছু অন্তর্ভুক্ত’ এমনটা ধরে নেওয়া
প্যাকেজ বুক করা মানে বিমান ভাড়া থেকে শুরু করে টিপস—সবই এর ভেতরে থাকা। এমন ভাবনা আসলে ভুল। বাস্তবতা হলো, একেক রিসোর্টের প্যাকেজ একেক রকম হয়। হয়তো আপনার প্যাকেজে শুধু থাকা আর খাওয়া আছে। কিন্তু পানীয় বা টিপস নেই। আবার সাধারণত বিমানভাড়া প্যাকেজে থাকে না। তাই বুকিংয়ের পর চোখ বন্ধ করে দেওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন আর কী কী খরচ আপনার নিজের পকেট থেকে করতে হবে। ভালো করে দেখে নিন কোন জিনিসগুলো প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
রিসোর্টের পরিবেশ যাচাই না করা
প্রতিটি রিসোর্টের আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে। কোনোটি হয়তো শুধু বড়দের জন্য, আবার কোনোটি পরিবারের জন্য। পরিবার প্রাধান্য দেওয়া রিসোর্টে স্লাইড আর ডে-কেয়ারের সুবিধা বেশি। ধরুন, আপনি শান্তিতে সময় কাটাতে চান। কিন্তু ভালো করে না যাচাই করলে আপনি ভুল করে কোলাহলপূর্ণ ফ্যামিলি রিসোর্ট বুক করে ফেলতে পারেন। তাহলে আপনার ছুটিটাই মাটি হতে পারে। তাই বুকিংয়ের আগে সেখানকার সুযোগ-সুবিধা আর ইভেন্ট লিস্ট দেখে নিন।
বাজেটের বাইরে গিয়ে খরচ করা
দামি প্যাকেজ নিতে নিজের সাধ্যের বাইরে যাবেন না। যদি ঋণ করে বা জমানো সব টাকা খরচ করে আপনাকে ট্রিপে যেতে হয়, তবে পুরো সফরে আপনি খিটখিটে মেজাজে থাকবেন। ছোটখাটো কোনো ত্রুটি হলেই আপনার মনে হবে, এতগুলো টাকা দিয়েও শান্তি নেই। এ ছাড়া প্যাকেজে নেই এমন বাড়তি সুযোগ-সুবিধা নিতে গিয়ে দিন শেষে বিশাল বিলের মুখে পড়া থেকে সাবধান থাকুন। অপ্রয়োজনীয় সুবিধার জন্য টাকা দেবেন না। যা দরকার নেই, তা নেওয়া থেকেও বিরত থাকবেন। আপনার রিসোর্ট আপনাকে অনেক ধরনের প্যাকেজ অফার করতে পারে। কিন্তু আপনার যা প্রয়োজন নেই, তার জন্য টাকা ব্যয় করবেন না। যেমন আপনি যদি অ্যালকোহল পান না করেন বা ডায়েটে থাকেন, তবে দামি ওয়াইন বা স্টেক ডিনার আছে, এমন প্রিমিয়াম প্যাকেজ নেওয়ার কোনো মানে হয় না। যা ব্যবহার করবেন না, তার জন্য বাড়তি খরচ করা শুধুই বোকামি।
শুধু রিসোর্টে বসে থাকা
সবকিছু রিসোর্টের ভেতরে পাওয়া যাচ্ছে বলে অনেকে বাইরের দুনিয়া ভুলে যান। এতে স্থানীয় সংস্কৃতি, রেস্তোরাঁ বা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। সব সময় রিসোর্টের চারদেয়ালের ভেতরে থাকলে আপনার ভ্রমণ হবে একঘেয়ে। তাই স্থানীয় স্বাদ নিতে এবং নতুন অভিজ্ঞতার জন্য রিসোর্টের বাইরে যাওয়ার বাজেটও আলাদা করে রাখা উচিত।
অতিরিক্ত খাওয়ার চাপ নেওয়া
টাকা উশুল করার জন্য অনেকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এটা একদমই অনুচিত; বরং সুযোগটি কাজে লাগান নতুন কিছু ট্রাই করার জন্য। যেহেতু খাবার প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত, তাই পরিচিত খাবারের বাইরে নতুন কোনো ডিশ চেখে দেখুন। ভালো না লাগলে অন্য কিছু নেওয়ার সুযোগ তো থাকছেই।
সূত্র: ট্রাভেল+লিজার

মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের উত্তেজনা। দিন দিন এর পারদ বেড়েই চলেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি এবং সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কা এখন আর শুধু রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক বিষয়ে সীমাবদ্ধ নেই। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থায়ও; বিশেষ করে বিমান চলাচল...
৭ ঘণ্টা আগে
বসের প্রশংসা পাওয়ার যোগ আছে। বস আপনার পিঠ চাপড়ে দেবে, কিন্তু খেয়াল রাখবেন সেটা যেন কাজের চাপ বাড়ানোর কোনো কৌশল না হয়। সন্দেহ থাকলে সরাসরি পরিষ্কার কথা বলুন।
৭ ঘণ্টা আগে
নেপাল বললেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে পর্বতারোহণ আর এভারেস্টের গল্প। কিন্তু সেই এভারেস্টের ছায়ায় সোলুখুম্বু অঞ্চলের ছোট শহর ফাপলুতে জন্ম নিচ্ছে ভিন্ন একধরনের পর্যটন। সেখানে পর্যটকেরা সাইকেল চালিয়ে পাহাড় ভ্রমণ করছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
সহকর্মীকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলতেই তিনি জানালেন ঢাকার সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের গোলাপ গ্রামের কথা। শুনেছি কিন্তু যাওয়া হয়নি সেখানে। জানা গেল, সহকর্মীর বাড়ি থেকে সেখানে যাওয়া যায় আধা ঘণ্টার কম সময়ে! ঠিক হলো দিন-তারিখ গোলাপ গ্রামে যাওয়ার। ঢাকায় থাকার এই সুবিধা যে এখান থেকে দেশের যেকোনো...
৯ ঘণ্টা আগে