
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ছবি, ভিডিও ও ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো শেয়ার করা এখন অনেকের নিত্যদিনের অভ্যাস। তবে নিরাপত্তার কারণে নিজের তথ্য ও ব্যক্তিগত কনটেন্ট সবাইকে দেখাতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তাই কিছু ব্যবহারকারী চান যেন তাঁদের পোস্ট শুধু নির্দিষ্ট কিছু মানুষ দেখতে পারেন—সেই জায়গা থেকেই আসে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘প্রাইভেট’ করার প্রয়োজনীয়তা। প্রাইভেট অ্যাকাউন্ট আপনাকে আরও বেশি গোপনীয়তা ও নিয়ন্ত্রণ দেয়, যা ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য খুবই জরুরি।
ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট করা খুব সহজ। নিজের অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট করতে চাইলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. প্রথমে স্মার্টফোন থেকে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হবে।
২. নিচে থাকা প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করতে হবে।
৩. পরের পেজে ওপরে ডান দিকে থাকা তিনটি রেখা বা হ্যামবার্গার মেনুতে ট্যাপ করতে হবে। ফলে একটি মেনু চালু হবে।
৪. মেনু থেকে স্ক্রল করে ‘হু ক্যান সি ইউর কনটেন্ট’-এর নিচে থাকা অ্যাকাউন্ট প্রাইভেসি অপশন দেখা যাবে।
৫. অ্যাকাউন্ট পাবলিক করা থাকলে এর পাশে পাবলিক লেখা দেখা যাবে। এবার অপশনটিতে ট্যাপ করে পরবর্তী পেজে যেতে হবে। সেখানে প্রাইভেট অ্যাকাউন্টের পাশে থাকা টগলটি চালু করে দিতে হবে।
৬. এরপর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পাবলিক থেকে প্রাইভেট হয়ে যাবে।

কর্টিসল ডিটক্স। ভাবছেন, এটা আবার কী? আর আদৌ কি কোনো হরমোন ডিটক্স করা যায়? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তো বলছেন, যায়। আপনার শরীর অতিরিক্ত পরিমাণে কর্টিসল তৈরি করছে কি না তা কীভাবে নির্ণয় করবেন এবং এই স্ট্রেস হরমোনের কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলো সমাধান কী করে করবেন, জেনে নিন...
১৩ ঘণ্টা আগে
ধরুন, ঘড়িতে বাজে রাত ২টা। পুরো দুনিয়া গভীর ঘুমে মগ্ন আর আপনি বিছানায় শুয়ে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে আছেন; কিংবা মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিংয়ের বিশ্ব রেকর্ড গড়ার চেষ্টা করছেন। যাঁরা রাতে ঘুমাতে পারেন না, কিন্তু সকালে ঠিকই অফিস বা ক্লাসের জন্য সময়মতো উঠতে অ্যালার্ম দিতে হয়,
১৯ ঘণ্টা আগে
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আমাদের চারপাশে রয়েছে অবিরাম তথ্যের স্রোত, দীর্ঘ স্ক্রিন-টাইম আর নানামুখী ব্যস্ততা। এখন মানুষের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা বা অ্যাটেনশন স্প্যান আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে মন শান্ত করতে এবং মনোযোগের ক্ষমতা বাড়াতে মানুষ নানান উপায় খুঁজছে।
২১ ঘণ্টা আগে
নিয়ম মেনে রোজই বয়স বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বয়সের ছাপ শরীরে বা মুখে কত দ্রুত পড়বে, তা অনেকটাই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এই ধারণাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে এখন দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে স্লো এজিং। এতে ত্বকের বয়স বাড়ে, কিন্তু ধীরে। না, বিজ্ঞাপন দেখে নামী ব্র্যান্ডের দামি অ্যান্টি-এজিং ক্রিম মাখা...
১ দিন আগে