
ফেসবুক রিলসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ছোট ভিডিও তৈরি করে তাঁদের মনের ভাব বা সৃজনশীলতা শেয়ার করতে পারেন। কখনো কখনো ভিডিও তৈরির পর সময়ের অভাবে সেগুলো মনমতো এডিট করা হয়ে ওঠে না। এমন পরিস্থিতিতে রিলসগুলো পোস্ট না করে সেগুলো সেভ করে রাখতে পারেন, যা পরে এডিট করতে পারবেন।
সেভ করা রিলসগুলো ড্রাফট ফোল্ডারে পাওয়া যায়। তবে অনেকে ড্রাফট ফোল্ডারটি কোথায় রয়েছে, তা জানেন না। তবে খুব সহজেই এই ফোল্ডার খুঁজে পাওয়া যায়। ফোল্ডারটিতে সব খসড়া রিলস থাকে।
ফেসবুকে রিলস ড্রাফট করবেন যেভাবে
১. অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনে ফেসবুক চালু করুন।
২. এবার ওপরের দিকে থাকা ‘+’ আইকনে ট্যাপ করুন।
৩. এখন ‘রিল’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৪. ছবি দিয়ে রিল তৈরির জন্য একটি বা একাধিক ছবি নির্বাচন করুন। একাধিক ছবি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘সিলেক্ট মাল্টিপল’ অপশনে ট্যাপ করতে হবে। এরপর ছবিগুলোর ওপর ট্যাপ করে সেগুলো নির্বাচন করতে পারবেন।
ভিডিও রিল তৈরি জন্য গ্যালারির পাশে থাকা তীর চিহ্নে ট্যাপ করুন। অপশনগুলো থেকে ‘ভিডিও’ বাছাই করুন। এর ফলে ফোনের গ্যালারিতে থাকা ভিডিওগুলো দেখা যাবে।
৫. এখন রিলসটি সেভ করার জন্য ডানপাশের ‘সেভ বাটনে’ ট্যাপ করুন।
ফলে স্বংয়ক্রিয়ভাবে রিলসটি ড্রাফট ফোল্ডারে সেভ হয়ে থাকবে। এরপর বাম পাশের ওপরের দিকে থাকা তীর চিহ্নে ট্যাপ করে রিলস তৈরি পেজ থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন।
ফেসবুকের রিলসের ড্রাফট ফোল্ডার খুঁজে পাবেন যেভাবে
১. অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনে ফেসবুক চালু করুন।
২. এবার ওপরের দিকে থাকা ‘+’ আইকনে ট্যাপ করুন।
৩. এখন ‘রিল’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৪. এখন ওপরের দিকে থাকা ‘ড্রাফটস’ ফোল্ডারটি দেখতে পাবেন। এর ওপর ট্যাপ করুন। এখন সব খসড়া রিল এই ফোল্ডারে দেখা যাবে। পছন্দের রিলসের ওপর ট্যাপ করে রিলসটি এডিট করে পোস্ট করা যাবে।

পড়ন্ত বিকেলে ঘরের কোণে জমে থাকা নোংরা থালাবাসন নিয়ে রুমমেটের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি, কিংবা সঙ্গীর সঙ্গে টাকা-পয়সা নিয়ে অমিল, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে মতবিরোধ, ঝগড়া বা ‘কনফ্লিক্ট’ এক অনিবার্য বাস্তবতা। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক থাকলে সেখানে ঘর্ষণ থাকবেই।
১ ঘণ্টা আগে
নতুন মা-বাবা হওয়ার পর যখন নিজের চারপাশের অন্য অভিভাবকদের দেখেন, তখন মনে হতে পারে সবাই কত সুন্দর গুছিয়ে সব সামলাচ্ছেন। এদিকে নিজের অবস্থা দেখে মনে হয়, আপনি বোধ হয় কিছুই ঠিকঠাক পারছেন না। কিন্তু আসল সত্যিটা হলো, প্রত্যেক অভিভাবকেরই কিছু নিজস্ব গোপনীয়তা এবং শর্টকাট আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
চুলের যত্নে আমরা শ্যাম্পু ব্যবহারের ওপর যতটা গুরুত্ব দিই, কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঠিক ততটাই উদাসীন। অথচ স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও রেশমি চুল পেতে কন্ডিশনারের ভূমিকা অপরিসীম। শ্যাম্পু কেবল মাথার ত্বক ও চুলের ময়লা পরিষ্কার করে, আর কন্ডিশনার চুলকে করে নরম, উজ্জ্বল ও জটমুক্ত। তবে অনেকে কন্ডিশনার ব্যবহারের
৫ ঘণ্টা আগে
সকালে হয়তো এক কাপ চা না পেয়ে আপনার মনে হবে পৃথিবীটা বড়ই নিষ্ঠুর। বসের সামান্য ফিডব্যাককেও আপনার মনে হতে পারে শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজেডি। কর্মক্ষেত্রে আজ আপনার উদ্ভাবনী শক্তি বাড়বে, তবে সেটা যদি বসের ভুল ধরার কাজে লাগে, তবে বিপদ!
৫ ঘণ্টা আগে