
হৃদ্যন্ত্র ভালো না থাকলে কি আর ভালোভাবে বাঁচা সম্ভব? সপ্তাহে একবার বেশি করে বাজার তো করতেই হয়। আর আগে বসতে হয় বাজারের ফর্দ তৈরি করতে। কর্তা, গিন্নি আর গৃহকর্মী একসঙ্গে বসে তৈরি করা বাজারের ফর্দে হৃদ্যন্ত্রের উপযোগী জিনিসপত্র আছে কি না, সে বিষয়ে ভেবেছেন? হৃৎপিণ্ডের সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও সোডিয়াম কমানোর পাশাপাশি আঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ওমেগা-৩-এর মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি বেশি পরিমাণে খাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
আপনার হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার শুরুটা হয় মুদিদোকান থেকে কেনা খাবারের মাধ্যমে। তাই আপনার ফর্দ বা কেনাকাটার তালিকাটিই হলো আপনার হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখার প্রথম পদক্ষেপ।
একজন স্বাস্থ্যসচেতন হিসেবে যে কারওরই জেনে রাখা উচিত, হৃৎপিণ্ডের সুস্থতার জন্য কী কী খাবার খেতে হবে। আর সে অনুযায়ী তৈরি করতে হবে ফর্দ। যা যা সেই তালিকায় রাখা প্রয়োজনীয়, সেগুলো একনজরে দেখে নিন।
ফল ও সবজি
বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি কেনার চেষ্টা করুন; যত বেশি রং, তত বেশি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা আপনার হৃদ্যন্ত্র এবং সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
পাতাযুক্ত শাক: পালংশাক, কেল এবং সুইস চার্ড, যেগুলোতে প্রচুর ভিটামিন কে এবং নাইট্রেট থাকে।
ক্রুসিফেরাস সবজি: ব্রকলি, ফুলকপি ইত্যাদি।
অ্যাভোকাডো: মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের একটি দারুণ উৎস।
সাইট্রাস ফল: কমলা ও জাম্বুরা, যেগুলোতে প্রচুর আঁশ ও ভিটামিন সি থাকে।
প্রোটিনজাতীয় খাবার
উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং চর্বিযুক্ত মাছের ওপর মনোযোগ দিন।
চর্বিযুক্ত মাছ: সামুদ্রিক মাছ কিনুন। কারণ, এতে ওমেগা-৩ এর পরিমাণ বেশি থাকে।
ডালজাতীয় খাবার: মসুর ডাল, ছোলা, মটর ও রজমা।
চর্বিহীন মুরগির মাংস: চামড়া ছাড়া মুরগি বা টার্কির বুকের মাংস।
উদ্ভিদভিত্তিক খাবার: শস্য, বীজ, তেল ইত্যাদি।
অন্য যেসব খাবার ও উপকরণ কিনতে পারেন
ওটস: স্টিল-কাট বা রোলড ওটসে বিটা-গ্লুকান থাকে, যা এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
গোটা শস্য: কিনোয়া, বাদামি চাল ইত্যাদি।
বাদাম ও বীজ: আখরোট, চিয়া বীজ, তিসি এবং লবণবিহীন আমন্ড।
স্বাস্থ্যকর তেল: হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলকে সেরা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মসলা ও ভেষজ: লবণের পরিবর্তে রসুন, পেঁয়াজ, হলুদ এবং তাজা ভেষজ।
দুগ্ধজাতীয় খাবার
গ্রিক ইয়োগার্ট: নন-ফ্যাট বা লো-ফ্যাট। এগুলো প্রোবায়োটিকের জন্য খুব ভালো উৎস।
উদ্ভিজ্জ দুধ: চিনি ছাড়া আমন্ড বা সয়া দুধ।
ডিম: ডিমের সাদা অংশ (পরিমিত পরিমাণে) খাওয়ার জন্য।
কেনাকাটার সময় মনে রাখা চাই
সূত্র: হেলথ লাইন ও অন্যান্য
ছবি: পেক্সেলস

সাজসজ্জা যাই করুন না কেন, ঘুমানোর আগে মেকআপ ঠিকঠাক তোলা না হলে পরবর্তী সময়ে ত্বকের ভোগান্তির অন্ত থাকে না। মনে রাখতে হবে, শুধু ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়াই মেকআপ তোলার জন্য যথেষ্ট নয়। মেকআপের পরত যদি ত্বকে বুলিয়ে নেওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে শুধু মেকআপ রিমুভার বা ফেসওয়াশে ভরসা রাখাই যথেষ্ট নয়। তাহলে...
১ ঘণ্টা আগে
সকালে এক কাপ গরম চা বা কফি। অনেকের কাছে এটাই দিনটা চমৎকার কেটে যাওয়ার একটা দারুণ শুরু বলে মনে হয়। এই এক কাপ গরম পানীয় দিয়ে দিন শুরু করা আমাদের অনেকের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষ করে শীতের দিনে ধোঁয়া ওঠা পানীয় শরীরে এক মুহূর্তে চাঙা ভাব এনে দেয়।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্বক মুহূর্তে উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও দাগহীন করতে রূপচর্চার জগতে এখন নতুন ক্রেজ গ্লোয়িং স্কিন আইভি ড্রিপ। কসমেটিক ক্লিনিক ও বিউটি পারলারগুলোতে বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে দাবি করা হচ্ছে, কোনো প্রকার নাইট ক্রিম, সিরাম বা ফেশিয়াল না করে, স্রেফ স্যালাইনের মতো একটি ইনফিউশনের মাধ্যমে
৭ ঘণ্টা আগে
সকালের নাশতায় মচমচে ও সুস্বাদু ফ্রেঞ্চ টোস্ট অনেকে পছন্দ করেন। তবে সাধারণ ফ্রেঞ্চ টোস্টে শর্করা ও ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকায় ডায়েট চলাকালে এটি কেউ কেউ এড়িয়ে চলেন। তবে সামান্য কিছু উপকরণ বদলে নিয়ে আপনি খুব সহজে সাধারণ এই ক্ল্যাসিক নাশতা বানিয়ে ফেলতে পারেন পুষ্টিকর ‘হাই-প্রোটিন ফ্রেঞ্চ টোস্ট’।
৯ ঘণ্টা আগে