দীপিকা পাড়ুকোনের এয়ারপোর্ট লুক দেখলে বোঝা যায়, তিনি ব্যক্তিজীবনে কতটা সাদামাটা থাকতে ভালোবাসেন। মুখে তেমন মেকআপ নেই বললেই চলে। চুলে মেসি বান, চোখে সানগ্লাস। ঠোঁটে ন্য়ুডরঙা কোনো লিপস্টিক; ব্যস—এই হলো তাঁর ফাইনাল লুক। স্ক্রিনেও কি তাঁকে জমকালো সাজে দেখা যায়? মোটেও না। চরিত্রের প্রয়োজনে ভারী গয়না পরলেও ভারী মেকআপে তাঁকে সচরাচর দেখাই যায় না। এতটাই মিনিমাল লুকে ক্যামেরার সামনে হাজির হন তিনি। তাঁর জেল্লাদার ত্বকের মূল রহস্য হচ্ছে, সঠিক শরীরচর্চা ও নিয়মিত ঘাম ঝরানো। কিন্তু ঝকঝকে চেহারা, জেল্লাদার মসৃণ ত্বকের জন্য বাহ্যিক কিছু যত্ন তো তিনি নিশ্চয় নেন। তা-ও খুবই ছিমছাম ও মিনিমাল আবহে।
ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে গোসলখানায় সাবান রাখা বন্ধ করেছেন তিনি বহু বছর ধরে। সাবান ত্বক রুক্ষ ও খসখসে করে ফেলে। তাই একে না বলতে তাঁর কোনো কষ্টই হয়নি। তবে এটাই কি শেষ কথা? না, দীপিকা পাড়ুকোন ত্বকের যত্নে আরও কী কী করেন, তা বলতেই এত কথার অবতারণা। জেনে নিন দীপিকার আড়ম্বরহীন যত্ন-আত্তির গোপন রহস্য।

ফোম ফ্রি মাইল্ড ক্লিনজার
ঘুম থেকে উঠে সবার মতো তিনিও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নেন। এতে ত্বকে জমা হওয়া বাড়তি তেল ধুয়ে যায় এবং ত্বক তরতাজা দেখায়। এ ক্ষেত্রে ফোম ফ্রি, মাইল্ড ক্লিনজার ব্যবহার করেন তিনি।
আইস ফেশিয়াল
মুখের ফোলা ভাব দূর করতে অন্যান্য বলিউড তারকার মতো দীপিকাও আইস ফেশিয়াল করেন। ত্বকে সরাসরি বরফ ম্যাসাজ করার পরিবর্তে এক বাটি পানিতে কিছু বরফের টুকরো ফেলে পানি ঠান্ডা করে তাতে বেশ কয়েকবার মুখ ডোবান তিনি। এতে ত্বক ঠান্ডা থাকে, ফোলা ভাব কমে এবং পোরসের সমস্যা দূর হয়।

ত্বকের টান টান ভাব বজায় রাখতে হাইড্রেটিং
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য ভালো মানের ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। তবে এমন ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে, যা ত্বক আর্দ্র রাখবে; তবে অতিরিক্ত চিটচিটে ভাব এনে দেবে না। দিনে একবার মুখ পরিষ্কার করার পর আলতো করে মুছে ত্বকে তেল ম্যাসাজ করেন তিনি। দীপিকা মনে করেন, ত্বকে তেল ব্যবহারে ইলাস্টিসিটি বাড়ে, ত্বক পরিপুষ্ট হয়, আর্দ্র থাকে এবং বয়সের ছাপ দেরিতে পড়ে। ত্বকের টান টান ভাব বজায় রাখতেও তেল ম্যাসাজ করা খুব জরুরি। তবে ত্বকের আর্দ্র ভাব বজায় রাখতে শুধু বাইরে থেকে ময়শ্চারাইজার ব্যবহারই যথেষ্ট নয়। পর্যাপ্ত পানি এবং পানিবহুল ফল ও সবজিও খেতে হবে বলে মনে করেন এ তারকা।
এসপিএফ ৫০ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাবে ত্বকের অকালবার্ধক্য, অসম রং এবং পুড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। সানস্ক্রিন এসব সমস্যা থেকে ত্বক রক্ষায় সহায়ক। দীপিকা সানস্ক্রিন ব্যবহার না করে বাড়ি থেকে বের হন না। তিনি এসপিএফ ৫০ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন।
চাই সাপ্তাহিক যত্ন
রোজকার ত্বকচর্চার বাইরে দীপিকা সাপ্তাহিক প্যাম্পারিং সেশন নেন। এক্সপার্টের হাতে ফেস মাস্ক, হেয়ার মাস্ক এবং ফুল বডি ম্যাসাজ নেন। এতে করে ত্বক আরাম পায়। এই প্রক্রিয়া ত্বক ও চুল আরও সুন্দর করে তোলে।
ত্বকের যত্নে ধারাবাহিকতাই সব
দীপিকার ত্বকযত্নের দর্শনের মূল কথা হলো ধারাবাহিকতা। তিনি বিশ্বাস করেন, রাতারাতি নয়; বরং নিয়মিত সহজ, সচেতন পদক্ষেপের অনুশীলনে সর্বোত্তম ফল পাওয়া যায়। প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার, পানির ভারসাম্য রক্ষা এবং সুরক্ষার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার মাধ্যমে তিনি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উজ্জ্বল ও তারুণ্যময় ত্বকের অধিকারী হয়েছেন বলে বিশ্বাস করেন।
প্রিয় ফেসপ্যাক
দীপিকা পাড়ুকোন ভেষজ উপায়ে ত্বকের যত্ন নিতে বেশি ভালোবাসেন। প্রিয় ফেসপ্যাকের জন্য তিনি ব্যবহার করেন বেসন, কাঁচা হলুদবাটা ও দুধের সর। এগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে ঘরোয়া ফেসপ্যাক তৈরি করে তাই ব্যবহার করেন দীপিকা।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস ও অন্যান্য
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

একুশ শতকের শুরুর দিকের ভারতীয় সিনেমার কাল্পনিক নারী চরিত্রগুলো কেবল সিনেমার গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন জীবন্ত ট্রেন্ড-সেটার বা স্টাইলের এমন সব উদাহরণ, যা একটি প্রজন্মের পছন্দ-অপছন্দ ও আত্ম-উপলব্ধি গড়ে দিয়েছিল। এককথায় নিজেরা কিছু বলার আগেই তাঁদের পোশাক বলে দিত চরিত্রটি কেমন। ২০২৬ সালে...
৩ ঘণ্টা আগে
ক্যালেন্ডারের পাতা ১ অক্টোবরে পৌঁছালেই অনেকের শরীর ও মনে এক অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। সকালবেলা অ্যালার্ম বাজার পরও বিছানা ছাড়তে ইচ্ছে করে না, কর্মক্ষেত্রে সারা দিন একধরনের ঝিমুনি ভাব কাজ করে, আর কারণে-অকারণে মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠে। হঠাৎ করে সবার মধ্যে এই যে ক্লান্তি, অলসতা আর মেজাজ...
৫ ঘণ্টা আগে
কাবাবের নাম শুনলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে ধোঁয়া ওঠা গ্রিল, মসলার ঘ্রাণ আর মাংসের স্বাদ। তুরস্কের জনপ্রিয় কাবাবগুলোর মধ্যে আদানা কাবাব ঠিক এমনই একটি পদ, যার ঝাল-মসলাদার স্বাদ সহজে মন জয় করে নেয়। সাধারণত কিমা ও বিভিন্ন মসলার মিশ্রণ কাঠিতে গেঁথে গ্রিল করা হয় এই কাবাব। তবে বাড়িতে গ্রিল বা কাঠি না থাকলেও...
৭ ঘণ্টা আগে
অক্টোবরে আবহাওয়ায় বৃষ্টি বা গরমের ভাব কেটে গিয়ে ধীরে ধীরে হালকা শীতের আমেজ শুরু হয়। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের কারণে এ সময় সর্দি, কাশি, ফ্লু এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীর সুস্থ, সতেজ এবং রোগমুক্ত রাখতে এই মাসে আমাদের খাদ্যতালিকায় কিছু বিশেষ মৌসুমি খাবার যোগ করা...
৯ ঘণ্টা আগে