সানজিদা সামরিন, ঢাকা

ঘরে ঘরে ঈদের জোগাড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। ঈদের পোশাকে একদিকে যেমন উৎসবের আমেজ থাকা চাই, পাশাপাশি প্রয়োজন আরামও। যাঁরা ঈদে শুধু সালোয়ার-কামিজ পরবেন বলে ভেবে রেখেছেন, তাঁরা আরও আগে থেকেই ভাবতে বসেছেন, গরমের এই ঈদে কী ধরনের কাপড় ও কারুকাজের পোশাকটিই আদর্শ হবে। যেভাবে ঈদের তিন বেলা সালোয়ার-কামিজে সেজে উঠবেন দেখে নিন—
সকালে স্নিগ্ধ থাকুন
ঈদের সকালটা শুরু হয় রান্না ও খাবারঘরের কাজ থেকে। এরপর সারা দিন ঘুরে বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে সাজপোশাকটা হতে হয় আরামদায়ক। যেহেতু এখনই বেশ গরম পড়ে গেছে, কমবেশি সবারই ঘাম হচ্ছে বেশ, তাই ঈদের সকালে গোসল সেরে পরে নিতে পারেন চোখের জন্য আরামদায়ক কোনো রঙের পোশাক। তা হতে পারে সুতি বা লিনেনের সাদা, অলিভ, আকাশি, সি গ্রিন রঙের সালোয়ার-কামিজ। কাজ করা ও হেঁটে বেড়ানোর সুবিধার্থে লেগিংস বা সিগারেট প্যান্ট দিয়ে পরা যেতে পারে এসব কামিজ। ফুলহাতার কামিজের পরিবর্তে বেছে নিতে পারেন কনুই পর্যন্ত হাতা আর গোল বা বোটনেক গলার কামিজ।
সকালে সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে পরতে পারেন হালকা গয়না। সে ক্ষেত্রে স্নিগ্ধ দেখাবে এমন গয়না বেছে নেওয়া ভালো। হালকার মধ্য়ে সুন্দর গয়না হিসেবে মুক্তার জুড়ি নেই। কানে মুক্তা বসানো টপ বা দুল, গলায় ছোট্ট লকেট আর হাতে পরতে পারেন মুক্তার ব্রেসলেট। ব্যস, আর কী চাই!

সকালে বাড়িতে থাকলে খুব একটা মেকআপ করার প্রয়োজন নেই। মুখে ময়শ্চারাইজার মেখে হালকা করে ফেস পাউডার বুলিয়ে নিন। ঠোঁটে হালকা করে লিপস্টিক লাগাতে পারেন। তবে বাইরে বের হলে মেকআপে প্রাধান্য পাবে লিপস্টিক; আইশ্যাডো, চোখে টানা কাজল আর ছোট্ট টিপও করতে পারে সাজসঙ্গী। যেহেতু খুব গরম, তাই যাঁদের চুল লম্বা, তাঁরা চুলটা খোঁপা, পনিটেইল বা বেণি করে রাখতে পারেন। দিনের বেলা বাইরে কাটালে হিল জুতায় পা না গলানোই ভালো। পরতে হবে ফ্ল্যাট জুতা বা স্যান্ডেল। তাতে আরাম আর স্টাইল—দুই-ই মিলবে ষোলো আনা।

দুপুরে দাওয়াত থাকলে
দুপুরে দাওয়াত থাকলে বা বিকেলে আইসক্রিম খেতে বের হলেও কিন্তু সুতির সালোয়ার-কামিজের বিকল্প নেই। কো-অর্ডস সেটও হতে পারে দারুণ পছন্দ। জ্যাকার্ড কটন, স্ল্যাব কটন, নিব কটন লিনেন কাপড়ের সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে মানানসই গয়না আর হেয়ারস্টাইল করে নিলেই বাজিমাত! গরমে বেশ ঘাম হয় বলে ত্বকে চুলকানি হতে পারে এমন গয়না না পরাই ভালো। শুধু মুক্তা, ছোট পাথর বা সোনার চিকন চেইন ও কানে ছোট টপ পরা যেতে পারে। যাঁদের চুল বড়, তাঁরা মাঝখানে সিঁথি করে চুল দুভাগ করে দুপাশে দুটো বেণি করুন। এরপর রোল করে দুটো খোঁপা বেঁধে ক্লিপ আটকে নিন। এতে ঘাড়ের ওপর চুল পড়বে না, ঘামও কম হবে আর আরাম লাগবে।
যেহেতু রোদের তাপ খুব বেশি, তাই গ্লসি মেকআপ এড়িয়ে চলুন। ম্যাট ফিনিশিং নিজেকে ও অন্যের চোখকে আরাম দেবে। চোখে কাজল ও মাসকারা আর ঠোঁটে বুলিয়ে নিতে পারেন। ম্যাট ন্যুড লিপস্টিক ছাড়া আর কিছুরই প্রয়োজন নেই।

রাতে উজ্জ্বল থাকুন
রাতেও সালোয়ার-কামিজ পরতে চাইলে একটু উজ্জ্বল এবং কিছুটা কারুকাজের দিকে নজর দিতে পারেন। জর্জেট, সিল্ক, জয়শ্রী সিল্ক, অরগাঞ্জা কাপড়ের কামিজের গলা, হাতা ও নিচে এবং সালোয়ারের পায়ের অংশ মেশিন এমব্রয়ডারির, কারজুবির কাজ থাকতে পারে। রাতের সাজ যেহেতু, তাই ন্যুড মেকআপ না করে সাজ খানিকটা গাঢ় করা যেতে পারে। তবে মেকআপের বেজ হালকা রাখুন, এতে ঘামলে মেকআপ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে। আইশ্যাডো ও কাজল দেওয়া স্মোকি আই লুকের সঙ্গে ঠোঁটের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। চুল হালকা কার্ল করে রাখতে পারেন। ঘাম ও চুলকানির হাত থেকে বাঁচতে গলায় কিছু না পরলেও কানে পরতে পারেন বড় কোনো ঝোলানো দুল। রাতে দাওয়াতে গেলে ও হাঁটাহাঁটির ব্যাপার না থাকলে হাইহিল পরতে বাধা নেই।

চলতি বছর সালোয়ার-কামিজের নকশায় যা প্রাধান্য পেয়েছে
চলতি বছর এ-লাইন, বেসিক, প্রিন্সেস লাইন, লং এবং সেমি লং প্যাটার্নকেই মূলত প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কামিজের ইয়কে স্ক্রিন প্রিন্টের সঙ্গে হাতের কাজ আবার এমব্রয়ডারির সমন্বয়, এমব্রয়ডারির সঙ্গে কারজুবি আর সিকুইনের সমন্বয় চোখে পড়বে। এবারের সালোয়ারের কাটেও থাকছে ভিন্নতর পরিবর্তন। স্ক্রিন প্রিন্ট এবং লেসের ব্যবহারে স্ট্রেট প্যান্ট, ডিভাইডার, পালাজো স্টাইলের বটম ওয়্যার রয়েছে এবারের কালেকশনে। জামদানি, ফ্লোরাল, ইক্কত, পার্সিয়ান, আলাম, জিওমেট্রিক মোগল, মান্ডালা, গ্রিক, টার্কিশসহ বিভিন্ন মোটিফকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবারের ঈদের সালোয়ার-কামিজে।
ছবি সৌজন্য: কে ক্র্যাফট

ঘরে ঘরে ঈদের জোগাড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। ঈদের পোশাকে একদিকে যেমন উৎসবের আমেজ থাকা চাই, পাশাপাশি প্রয়োজন আরামও। যাঁরা ঈদে শুধু সালোয়ার-কামিজ পরবেন বলে ভেবে রেখেছেন, তাঁরা আরও আগে থেকেই ভাবতে বসেছেন, গরমের এই ঈদে কী ধরনের কাপড় ও কারুকাজের পোশাকটিই আদর্শ হবে। যেভাবে ঈদের তিন বেলা সালোয়ার-কামিজে সেজে উঠবেন দেখে নিন—
সকালে স্নিগ্ধ থাকুন
ঈদের সকালটা শুরু হয় রান্না ও খাবারঘরের কাজ থেকে। এরপর সারা দিন ঘুরে বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে সাজপোশাকটা হতে হয় আরামদায়ক। যেহেতু এখনই বেশ গরম পড়ে গেছে, কমবেশি সবারই ঘাম হচ্ছে বেশ, তাই ঈদের সকালে গোসল সেরে পরে নিতে পারেন চোখের জন্য আরামদায়ক কোনো রঙের পোশাক। তা হতে পারে সুতি বা লিনেনের সাদা, অলিভ, আকাশি, সি গ্রিন রঙের সালোয়ার-কামিজ। কাজ করা ও হেঁটে বেড়ানোর সুবিধার্থে লেগিংস বা সিগারেট প্যান্ট দিয়ে পরা যেতে পারে এসব কামিজ। ফুলহাতার কামিজের পরিবর্তে বেছে নিতে পারেন কনুই পর্যন্ত হাতা আর গোল বা বোটনেক গলার কামিজ।
সকালে সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে পরতে পারেন হালকা গয়না। সে ক্ষেত্রে স্নিগ্ধ দেখাবে এমন গয়না বেছে নেওয়া ভালো। হালকার মধ্য়ে সুন্দর গয়না হিসেবে মুক্তার জুড়ি নেই। কানে মুক্তা বসানো টপ বা দুল, গলায় ছোট্ট লকেট আর হাতে পরতে পারেন মুক্তার ব্রেসলেট। ব্যস, আর কী চাই!

সকালে বাড়িতে থাকলে খুব একটা মেকআপ করার প্রয়োজন নেই। মুখে ময়শ্চারাইজার মেখে হালকা করে ফেস পাউডার বুলিয়ে নিন। ঠোঁটে হালকা করে লিপস্টিক লাগাতে পারেন। তবে বাইরে বের হলে মেকআপে প্রাধান্য পাবে লিপস্টিক; আইশ্যাডো, চোখে টানা কাজল আর ছোট্ট টিপও করতে পারে সাজসঙ্গী। যেহেতু খুব গরম, তাই যাঁদের চুল লম্বা, তাঁরা চুলটা খোঁপা, পনিটেইল বা বেণি করে রাখতে পারেন। দিনের বেলা বাইরে কাটালে হিল জুতায় পা না গলানোই ভালো। পরতে হবে ফ্ল্যাট জুতা বা স্যান্ডেল। তাতে আরাম আর স্টাইল—দুই-ই মিলবে ষোলো আনা।

দুপুরে দাওয়াত থাকলে
দুপুরে দাওয়াত থাকলে বা বিকেলে আইসক্রিম খেতে বের হলেও কিন্তু সুতির সালোয়ার-কামিজের বিকল্প নেই। কো-অর্ডস সেটও হতে পারে দারুণ পছন্দ। জ্যাকার্ড কটন, স্ল্যাব কটন, নিব কটন লিনেন কাপড়ের সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে মানানসই গয়না আর হেয়ারস্টাইল করে নিলেই বাজিমাত! গরমে বেশ ঘাম হয় বলে ত্বকে চুলকানি হতে পারে এমন গয়না না পরাই ভালো। শুধু মুক্তা, ছোট পাথর বা সোনার চিকন চেইন ও কানে ছোট টপ পরা যেতে পারে। যাঁদের চুল বড়, তাঁরা মাঝখানে সিঁথি করে চুল দুভাগ করে দুপাশে দুটো বেণি করুন। এরপর রোল করে দুটো খোঁপা বেঁধে ক্লিপ আটকে নিন। এতে ঘাড়ের ওপর চুল পড়বে না, ঘামও কম হবে আর আরাম লাগবে।
যেহেতু রোদের তাপ খুব বেশি, তাই গ্লসি মেকআপ এড়িয়ে চলুন। ম্যাট ফিনিশিং নিজেকে ও অন্যের চোখকে আরাম দেবে। চোখে কাজল ও মাসকারা আর ঠোঁটে বুলিয়ে নিতে পারেন। ম্যাট ন্যুড লিপস্টিক ছাড়া আর কিছুরই প্রয়োজন নেই।

রাতে উজ্জ্বল থাকুন
রাতেও সালোয়ার-কামিজ পরতে চাইলে একটু উজ্জ্বল এবং কিছুটা কারুকাজের দিকে নজর দিতে পারেন। জর্জেট, সিল্ক, জয়শ্রী সিল্ক, অরগাঞ্জা কাপড়ের কামিজের গলা, হাতা ও নিচে এবং সালোয়ারের পায়ের অংশ মেশিন এমব্রয়ডারির, কারজুবির কাজ থাকতে পারে। রাতের সাজ যেহেতু, তাই ন্যুড মেকআপ না করে সাজ খানিকটা গাঢ় করা যেতে পারে। তবে মেকআপের বেজ হালকা রাখুন, এতে ঘামলে মেকআপ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে। আইশ্যাডো ও কাজল দেওয়া স্মোকি আই লুকের সঙ্গে ঠোঁটের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। চুল হালকা কার্ল করে রাখতে পারেন। ঘাম ও চুলকানির হাত থেকে বাঁচতে গলায় কিছু না পরলেও কানে পরতে পারেন বড় কোনো ঝোলানো দুল। রাতে দাওয়াতে গেলে ও হাঁটাহাঁটির ব্যাপার না থাকলে হাইহিল পরতে বাধা নেই।

চলতি বছর সালোয়ার-কামিজের নকশায় যা প্রাধান্য পেয়েছে
চলতি বছর এ-লাইন, বেসিক, প্রিন্সেস লাইন, লং এবং সেমি লং প্যাটার্নকেই মূলত প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কামিজের ইয়কে স্ক্রিন প্রিন্টের সঙ্গে হাতের কাজ আবার এমব্রয়ডারির সমন্বয়, এমব্রয়ডারির সঙ্গে কারজুবি আর সিকুইনের সমন্বয় চোখে পড়বে। এবারের সালোয়ারের কাটেও থাকছে ভিন্নতর পরিবর্তন। স্ক্রিন প্রিন্ট এবং লেসের ব্যবহারে স্ট্রেট প্যান্ট, ডিভাইডার, পালাজো স্টাইলের বটম ওয়্যার রয়েছে এবারের কালেকশনে। জামদানি, ফ্লোরাল, ইক্কত, পার্সিয়ান, আলাম, জিওমেট্রিক মোগল, মান্ডালা, গ্রিক, টার্কিশসহ বিভিন্ন মোটিফকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবারের ঈদের সালোয়ার-কামিজে।
ছবি সৌজন্য: কে ক্র্যাফট

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
১০ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৬ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৮ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১ দিন আগে