ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

বেশি ভাবনা বা ওভার থিংকিং বন্ধ করবেন যেভাবেঃ অনেক সময় আমরা এত বেশি ভাবতে শুরু করি যে সাধারণ সিদ্ধান্তও কঠিন মনে হয়। মনে হয় সব দিক থেকে বিষয়টা বিশ্লেষণ করলে ভালো হবে। কিন্তু বাস্তবে অতিরিক্ত চিন্তা আমাদের সিদ্ধান্তহীনতা আর দুশ্চিন্তার ভেতর আটকে রাখে।
যখন মাথায় চিন্তা ঘুরপাক খেতে শুরু করে, মনোযোগ সরানোর চেষ্টা করুন। এরপর নেতিবাচক ধারণাগুলো নিয়েও ভাবুন যে এগুলো ভাবা ঠিক হচ্ছে কি না। নিজের ওপর আস্থা বাড়ানো এবং যোগাযোগের দক্ষতা উন্নত করার চেষ্টা করুন। এগুলো অতিরিক্ত চিন্তা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
অতিরিক্ত চিন্তা বলতে বোঝায় কোনো একটি বিষয় নিয়ে বেশি ভাবা। অনেক সময় সেটি দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্লেষণ করা। এতে মন এক জায়গায় আটকে যায়। মাথায় শুধু একটাই ভাবনা ঘুরতে থাকে। অনেকে মনে করেন, বেশি বেশি ভাবলে সব দিক থেকে বুঝে ভালো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। কিন্তু গবেষণা বলছে, বেশি ভাবনার সঙ্গে বিষণ্নতা, উদ্বেগ এবং স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মতো মানসিক সমস্যা হতে পারে। আমরা সবাই কখনো না কখনো কোনো না কোনো বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ভাবি। সামনে কোনো প্রেজেন্টেশন, চাকরির সাক্ষাৎকার বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—এসব নিয়েও একই ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত চিন্তা কমাতে প্রথম দরকার এভাবে বারবার ভাবা থেকে বেরিয়ে আসা এবং কাজে মন দেওয়া।

সমস্যা নিয়ে ভাবা, সমাধান খোঁজা নয়
ওভার থিংকিং শুধু সমস্যায় আটকে রাখে। কিন্তু সমাধানের পথে নিয়ে যায় না। তাই কোনো কিছু নিয়ে সমস্যা পড়লে বা কোনো চ্যালেঞ্জ আসলে সেগুলো ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। সমাধান বের করার চেষ্টা করুন। বিষয়টি নিয়ে চিন্তায় ডুবে থাকলে সমাধান আসবে না।
একই চিন্তা বারবার মাথায় ঘোরা
একই ঘটনা বা কথোপকথন বারবার মনে করা মানসিক চাপ বাড়ায়। এটি উদ্বেগ, ঘুম কম হওয়া এবং অন্যান্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা
যখন সব দিক থেকে ভাবতে ভাবতে সময় নষ্ট হয়, তখন ছোট সিদ্ধান্তও কঠিন লাগে। কোথায় খাবেন, কোন হোটেলে থাকবেন এসব নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে। তাই ছোট বিষয় নিয়ে বড় করে ভাববেন না।

নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনুশোচনা
অনেকে আগে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে বারবার ভাবেন। কেন এই কাজ করলাম, ওটা করলে হয়তো ভালো হতো। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যায়।
জীবনে এর প্রভাব
অযথা চিন্তা কোনো মানসিক রোগ নয়, কিন্তু তা বিষণ্নতা বা উদ্বেগ, প্যানিক ডিসঅর্ডারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এর কারণে সম্পর্কেও ভুল-বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি হয়। অন্যের কথাবার্তার ভুল ব্যাখ্যা তৈরি করা, বারবার নিশ্চয়তা খোঁজা কিংবা অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়ায় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখুন
মাথায় অতিরিক্ত চিন্তা ঘুরলে কিছুটা বিরতি নিন। হাঁটা, বাগান করা কিংবা ঘরের কাজের মতো ছোট কাজগুলো মন অন্যদিকে সরিয়ে রাখে। কোনো কিছু নিয়ে বেশি ভাবতে হলে বরং সে বিষয়ে কেন ভাবছেন, সেই মূল কারণটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন।
নেতিবাচক ভাবনা বন্ধ করা
সব চিন্তা সব সময় সত্য নয়। যা নিয়ে চিন্তায় ডুবে আছেন, সেটি সত্য কি না, বিষয়টি আগে ভাবুন। যে বিষয় নিয়ে ভাবছেন, সে বিষয়ের প্রমাণ আছে কি? বিষয়টির অন্য কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে কি? এভাবে ভাবতে ভাবতে ভুল ধারণাকে ইতিবাচকভাবে বদলে ফেলার অভ্যাস করুন।
ধ্যান করুন
মাত্র দশ মিনিটের ধ্যানও মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। যা ভাবছেন, তা পুরোপুরি থামানো ধ্যানের লক্ষ্য নয়। লক্ষ্য হলো মনকে অন্যদিকে ঠেলে দেওয়া।
নিজেকে গ্রহণ করতে শিখুন
ভুলের জন্য নিজেকে দোষারোপ না করে নিজের ভালো দিকগুলো দেখুন। কৃতজ্ঞতার অভ্যাস করুন। কাছের মানুষের সাহায্য নিন।
প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন
যদি মনে হয় নিজে থেকে বের হওয়া কঠিন, তাহলে পেশাদার কারও সহায়তা নিন। মনোবিদ বা কাউন্সেলর প্রয়োজনীয় কৌশল শেখাতে পারেন।
সূত্র: ভেরি ওয়েল মাইন্ড

বেশি ভাবনা বা ওভার থিংকিং বন্ধ করবেন যেভাবেঃ অনেক সময় আমরা এত বেশি ভাবতে শুরু করি যে সাধারণ সিদ্ধান্তও কঠিন মনে হয়। মনে হয় সব দিক থেকে বিষয়টা বিশ্লেষণ করলে ভালো হবে। কিন্তু বাস্তবে অতিরিক্ত চিন্তা আমাদের সিদ্ধান্তহীনতা আর দুশ্চিন্তার ভেতর আটকে রাখে।
যখন মাথায় চিন্তা ঘুরপাক খেতে শুরু করে, মনোযোগ সরানোর চেষ্টা করুন। এরপর নেতিবাচক ধারণাগুলো নিয়েও ভাবুন যে এগুলো ভাবা ঠিক হচ্ছে কি না। নিজের ওপর আস্থা বাড়ানো এবং যোগাযোগের দক্ষতা উন্নত করার চেষ্টা করুন। এগুলো অতিরিক্ত চিন্তা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
অতিরিক্ত চিন্তা বলতে বোঝায় কোনো একটি বিষয় নিয়ে বেশি ভাবা। অনেক সময় সেটি দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্লেষণ করা। এতে মন এক জায়গায় আটকে যায়। মাথায় শুধু একটাই ভাবনা ঘুরতে থাকে। অনেকে মনে করেন, বেশি বেশি ভাবলে সব দিক থেকে বুঝে ভালো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। কিন্তু গবেষণা বলছে, বেশি ভাবনার সঙ্গে বিষণ্নতা, উদ্বেগ এবং স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মতো মানসিক সমস্যা হতে পারে। আমরা সবাই কখনো না কখনো কোনো না কোনো বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ভাবি। সামনে কোনো প্রেজেন্টেশন, চাকরির সাক্ষাৎকার বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—এসব নিয়েও একই ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত চিন্তা কমাতে প্রথম দরকার এভাবে বারবার ভাবা থেকে বেরিয়ে আসা এবং কাজে মন দেওয়া।

সমস্যা নিয়ে ভাবা, সমাধান খোঁজা নয়
ওভার থিংকিং শুধু সমস্যায় আটকে রাখে। কিন্তু সমাধানের পথে নিয়ে যায় না। তাই কোনো কিছু নিয়ে সমস্যা পড়লে বা কোনো চ্যালেঞ্জ আসলে সেগুলো ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। সমাধান বের করার চেষ্টা করুন। বিষয়টি নিয়ে চিন্তায় ডুবে থাকলে সমাধান আসবে না।
একই চিন্তা বারবার মাথায় ঘোরা
একই ঘটনা বা কথোপকথন বারবার মনে করা মানসিক চাপ বাড়ায়। এটি উদ্বেগ, ঘুম কম হওয়া এবং অন্যান্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা
যখন সব দিক থেকে ভাবতে ভাবতে সময় নষ্ট হয়, তখন ছোট সিদ্ধান্তও কঠিন লাগে। কোথায় খাবেন, কোন হোটেলে থাকবেন এসব নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে। তাই ছোট বিষয় নিয়ে বড় করে ভাববেন না।

নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনুশোচনা
অনেকে আগে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে বারবার ভাবেন। কেন এই কাজ করলাম, ওটা করলে হয়তো ভালো হতো। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যায়।
জীবনে এর প্রভাব
অযথা চিন্তা কোনো মানসিক রোগ নয়, কিন্তু তা বিষণ্নতা বা উদ্বেগ, প্যানিক ডিসঅর্ডারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এর কারণে সম্পর্কেও ভুল-বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি হয়। অন্যের কথাবার্তার ভুল ব্যাখ্যা তৈরি করা, বারবার নিশ্চয়তা খোঁজা কিংবা অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়ায় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখুন
মাথায় অতিরিক্ত চিন্তা ঘুরলে কিছুটা বিরতি নিন। হাঁটা, বাগান করা কিংবা ঘরের কাজের মতো ছোট কাজগুলো মন অন্যদিকে সরিয়ে রাখে। কোনো কিছু নিয়ে বেশি ভাবতে হলে বরং সে বিষয়ে কেন ভাবছেন, সেই মূল কারণটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন।
নেতিবাচক ভাবনা বন্ধ করা
সব চিন্তা সব সময় সত্য নয়। যা নিয়ে চিন্তায় ডুবে আছেন, সেটি সত্য কি না, বিষয়টি আগে ভাবুন। যে বিষয় নিয়ে ভাবছেন, সে বিষয়ের প্রমাণ আছে কি? বিষয়টির অন্য কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে কি? এভাবে ভাবতে ভাবতে ভুল ধারণাকে ইতিবাচকভাবে বদলে ফেলার অভ্যাস করুন।
ধ্যান করুন
মাত্র দশ মিনিটের ধ্যানও মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। যা ভাবছেন, তা পুরোপুরি থামানো ধ্যানের লক্ষ্য নয়। লক্ষ্য হলো মনকে অন্যদিকে ঠেলে দেওয়া।
নিজেকে গ্রহণ করতে শিখুন
ভুলের জন্য নিজেকে দোষারোপ না করে নিজের ভালো দিকগুলো দেখুন। কৃতজ্ঞতার অভ্যাস করুন। কাছের মানুষের সাহায্য নিন।
প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন
যদি মনে হয় নিজে থেকে বের হওয়া কঠিন, তাহলে পেশাদার কারও সহায়তা নিন। মনোবিদ বা কাউন্সেলর প্রয়োজনীয় কৌশল শেখাতে পারেন।
সূত্র: ভেরি ওয়েল মাইন্ড

যেসব বলিউড অভিনেত্রীকে আমরা আইকন মানি, তাঁদের রূপ রুটিনে চোখ রাখলে দেখা যায়, ঘরোয়া টোটকাই সেখানে রাজত্ব করছে। কৃতি শ্যাননের কথাই ধরুন। তাঁর মাখন কোমল ত্বকের রহস্য় লুকিয়ে আছে সাধারণ গ্লিসারিনের বোতলে। একটি সাক্ষাৎকারে কৃতি শ্যানন জানান, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে গ্লিসারিন। তা ছাড়া এটি...
১ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার শরীরের অবস্থা বেশ চনমনে। মনে হবে এভারেস্টে চড়ে একখানা সেলফি তুলে আসি! কিন্তু বাস্তবে দোতলার সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় চারবার জিরিয়ে নিতে হতে পারে। অফিসে আপনার এনার্জি দেখে কলিগরা ভাববে আপনি হয়তো কোনো এনার্জি ড্রিংকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।
২ ঘণ্টা আগে
এই নারীরা আমাদের চেনা। বহুবার তাঁদের ছবি দেখেছেন, তাঁদের কাজ দেখেছেন বা শুনেছেন। সোজা কথা, তাঁরা আমাদের অনেক চেনা। তাঁদের লাইফস্টাইল থেকে শুরু করে পোষা প্রাণীর নামও অনেকের জানা। কিন্তু ঝলমলে আলোর দুনিয়ার সফল এই নারীদের সম্পদের কথা জানেন কি? সেটা অনেকের অজানা। তাঁদের সম্পদের কথা শুনলে অনেকের চোখ...
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিবাসন আইন মানা নিশ্চিত করতেই এই ভিসা বন্ড চালু করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের বড় একটি অংশের মতে, এই নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে, যা অনেকের জন্য আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে