
পবিত্র রমজান মাস শুধু সংযম ও প্রার্থনার নয়, এটি প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ারও বিশেষ সময়। সেহরি ও ইফতারের মুহূর্তগুলো পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। পরিবারের সবার সঙ্গে একত্রে বসে ইফতার ও সেহরি করার অভিজ্ঞতা সবার জন্যই মধুর। এই মাসে প্রায়ই আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে ইফতারের দাওয়াত থাকে। তাতে কিছু উপহার নিয়ে গেলে মন্দ হয় না।

আধ্যাত্মিক প্রশান্তির উপহার
বই: রমজান হলো আত্মিক প্রতিফলনের সময়। তাই উপহার হিসেবে দিতে পারেন কোরআন, ইসলামের ইতিহাস বা শিক্ষার ওপর কোনো বই। ছোট-বড় সবার জন্য এটি অনন্য উপহার হতে পারে।
জায়নামাজ ও তসবিহ: সুন্দর ডিজাইনের জায়নামাজ উপহার দেওয়া মানে আপনি প্রিয়জনের আধ্যাত্মিক মঙ্গলের প্রতি যত্নশীল। যারা বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকেন, তাঁদের জন্য পকেট জায়নামাজ খুব উপযোগী। এর সঙ্গে প্রাকৃতিক পাথরের তৈরি তসবিহ (৩৩, ৬৬ বা ৯৯ দানার) উপহারে স্নিগ্ধতা যোগ করবে।
ডিজিটাল কোরআন: সুবিধামতো যেকোনো স্থানে কোরআন পড়ার বা শোনার জন্য ডিজিটাল কোরআন ডিভাইস একটি আধুনিক ও কার্যকরী উপহার।
সুগন্ধি, আগরবাতি ও মোমবাতি: রমজানের সন্ধ্যাগুলো সুরভিত করতে বখুর বা আগরবাতি এবং সুন্দর একটি আগরদানি উপহার দিতে পারেন। এ ছাড়া এসেনশিয়াল অয়েল মিশ্রিত সুগন্ধি মোমবাতি বা আতর (যেমন: উদ বা হালকা ফুলের সুগন্ধি) মনকে প্রশান্ত রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ফুল নিয়ে যেতে পারেন; যা ঘরের শোভাবর্ধনের পাশাপাশি হালকা মিষ্টি গন্ধে আবিষ্ট করে রাখবে চারপাশ।
ঘরের সাজসজ্জা ও ফানুস: আরবি ক্যালিগ্রাফি করা ওয়াল আর্ট বা কোরআনের আয়াত লেখা ধাতব ফ্রেম ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায়। এ ছাড়া রমজানের ঐতিহ্যবাহী লন্ঠন বা ল্যান্টার্ন উপহার দিতে পারেন, যা প্রিয়জনের ঘরে ইতিবাচক শক্তি ও উজ্জ্বলতা ছড়াবে।
ফ্যাশন-সচেতনদের জন্য পোশাক ও অ্যাকসেসরিজ
যাঁরা ফ্যাশন ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য শৈল্পিক ডিজাইনের হ্যান্ডব্যাগ হতে পারে দারুণ উপহার। এ ছাড়া এমব্রয়ডারি করা স্টাইলিশ কাফতান বা মার্জিত ঘরানার পোশাক ইফতারের দাওয়াত বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য আদর্শ।
স্মৃতিময় গয়না ও অ্যাকসেসরিজ
উপহার হিসেবে গয়না সব সময় সমাদৃত। ধর্মীয় আবেগ মিশিয়ে নকশা করা 'আয়াতুল কুরসি' লেখা ব্যাঙ্গেল বা ব্রেসলেট প্রিয়জনের জন্য একটি স্মরণীয় উপহার হতে পারে। এ ছাড়া সোনা, রুপা বা স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি বিভিন্ন ইসলামিক সিম্বলযুক্ত নেকলেস বা কানের দুল বিশ্বাসের প্রতি গর্ব প্রকাশের একটি চমৎকার মাধ্যম।
ভোজনরসিকদের জন্য সুস্বাদু উপহার
প্রিমিয়াম খেজুর: ইফতারে রোজা ভাঙার প্রধান খাবার হলো খেজুর। সাধারণ খেজুরের বদলে সুন্দর বক্সে পিনাট বাটার, আমন্ড বা পেস্তাবাদামের পুর দেওয়া অথবা চকলেটে মোড়ানো খেজুর উপহার দিতে পারেন।
অ্যারাবিক মিষ্টির প্ল্যাটার: ইফতার-পরবর্তী আড্ডায় বাকলাভা, কুনাফা, বাসবুসা বা কাতায়েফের মতো জিবে জল আনা মিষ্টির প্ল্যাটার আভিজাত্য যোগ করবে। মিষ্টির দোকানগুলোতেই এটা পেয়ে যাবেন। রমজানের উপহার দামি হওয়ার চেয়ে আপনার আন্তরিকতা থাকা বেশি জরুরি। উপহার যা-ই হোক, সেটি যদি যত্ন নিয়ে বাছাই করা হয় এবং মন থেকে দেওয়া হয়, তবে তা সম্পর্কের গভীরতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
সূত্র: ভোগ অ্যারাবিক

রমজান মাসে আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও ঘুমের রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। রোজা রেখে ভুল সময়ে বা অতিরিক্ত কফি পান পানিশূন্যতা এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। নিয়ম মেনে চললে কফি আপনাকে সারা দিনের ক্লান্তি শেষে চনমনে রাখতে সাহায্য করবে। রমজান আত্মশুদ্ধি ও শরীরের যত্ন নেওয়ার মাস। এই মাসে কফি ত্যাগ করার প্রয়োজন নেই।
৩১ মিনিট আগে
আজ আপনার পকেটে থাকা ওয়ালেটটা একটু বেশিই চঞ্চল। অর্থাগম ভালো হবে, তাই বলে হুট করে সোনার হরিণ কিনতে যাবেন না! ভাই-বোনেরা আজ আপনার প্রতি হঠাৎ খুব সদয় হতে পারে (হয়তো নতুন ফোন বা ট্রিট পাওয়ার আশায়)।
২ ঘণ্টা আগে
ইতালিয়ান খাবার পাস্তা অনেকেরই এখন প্রিয়। বিশেষ এই স্বাস্থ্যকর খাবারটি ইফতারিতে রাখতে পারেন। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৫ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসে। ইবাদত, সামাজিক অনুষ্ঠান এবং সেহরি ও ইফতারের সময়ের কারণে আমাদের ঘুমের নিয়মিত রুটিন বাধাগ্রস্ত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, রমজানে মানুষ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা কম ঘুমায়।
১৯ ঘণ্টা আগে