
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে রজব মাসের ২৯তম দিন চলছে। শাবান মাসের ১৫তম রাতে পালিত হয় মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় রাত পবিত্র শবে বরাত।
সংবাদমাধ্যম গালফ টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের (International Astronomy Center) হিসাবমতে, আজ মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও খালি চোখে শাবান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শওকত ওদেহ জানান, আজ শাবানের চাঁদের জন্ম হলেও তা সূর্যাস্তের আগেই অস্ত যাবে। ফলে খালি চোখে চাঁদ দেখা অসম্ভব।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আজ চাঁদ দেখা না গেলে রজব মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শাবান মাস শুরু হতে পারে। তবে আগামীকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে খালি চোখে চাঁদ দেখা যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ওমান, জর্ডান, সিরিয়া, লিবিয়া, মরক্কো ও মৌরিতানিয়ায় আগামীকাল টেলিস্কোপের মাধ্যমে শাবানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। যদি আগামীকাল চাঁদ দেখা যায়, তবে শাবান মাস শুরু হবে মঙ্গলবার।
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী:
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, শাবান মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই শবে বরাতের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে। ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা এখন মধ্যপ্রাচ্যসহ নিজ নিজ দেশে চাঁদ দেখার খবরের অপেক্ষায় রয়েছেন।

হজ একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ইবাদত। ইহরাম বাঁধার পর থেকে হজের প্রতিটি ধাপ সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পালন করতে হয়। হজের কোনো ওয়াজিব কাজ বাদ পড়লে বা ইহরামের নিষিদ্ধ কোনো কাজে লিপ্ত হলে তার প্রতিকার হিসেবে ‘দম’ বা কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব হয়ে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
সানা আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো প্রশংসা বা স্তুতি। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, নামাজের শুরুতে আল্লাহর গুণগান গাওয়ার যে বিশেষ দোয়া আছে, তাকে সানা বলা হয়। সানা পাঠ করা সুন্নতে মুআক্কাদা। একাকী নামাজ আদায়কারী হোক বা জামাতে—ইমাম ও মুক্তাদি সবার জন্যই সানা পড়া সুন্নত।
৬ ঘণ্টা আগে
হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। তবে অনেক সময় দেখা যায়, একজন ব্যক্তি আর্থিকভাবে ঋণগ্রস্ত থাকা সত্ত্বেও হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। এ ক্ষেত্রে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—ঋণ পরিশোধ না করে হজে গেলে তা কবুল বা শুদ্ধ হবে কি না।
৬ ঘণ্টা আগে
কোরবানি কবুল হওয়ার জন্য অন্যতম পূর্বশর্ত হলো সঠিক ও নিখুঁত পশু নির্বাচন। সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা এবং নিখুঁত পশুটি আল্লাহর নামে উৎসর্গ করাই প্রকৃত মুমিনের পরিচয়। কোরবানি দিতে হবে চতুষ্পদ জন্তু বা ‘বাহিমাতুল আনআম’ দিয়ে। এর বাইরে অন্য কোনো প্রাণী দিয়ে কোরবানি বৈধ নয়।
১২ ঘণ্টা আগে