কাউসার লাবীব

পবিত্র কোরআন—যে গ্রন্থের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে মুমিন হৃদয়। দিশেহারা মানুষ পায় সঠিক পথের দিশা। এ গ্রন্থে রয়েছে উপদেশ গ্রহণে আগ্রহীদের জন্য অনন্য উপদেশ। আর যারা মুখ ফিরিয়ে নেয় কোরআন থেকে, তাদের জন্য এতে বর্ণিত হয়েছে সতর্কবার্তা।
মানবজাতিকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য যুগে যুগে আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীদের কাছে কিতাব পাঠিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ১৪০০ বছর আগে আরবের মরু প্রান্তরে মক্কার হেরা গুহায় প্রথম নেমে আসে কোরআনের ওহি। আল্লাহর বাণী নিয়ে আসেন হজরত জিবরাইল (আ.)। মহানবী (সা.)-এর বয়স তখন ৪০। তিনি ধ্যানে মগ্ন হেরা গুহার অন্ধকারে। ধ্যান ভাঙে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর কথার আওয়াজে—‘ইকরা’ শব্দে। নাজিল হয় সুরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত।
এরপর দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প অল্প করে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ হয় এই মহাগ্রন্থ। এর মধ্যে নবুওয়াতের পর মহানবী (সা.) মক্কায় অবস্থানকালের ১৩ বছরে অবতীর্ণ হওয়া সুরাগুলো মাক্কি এবং মদিনায় অবস্থানকালের ১০ বছরে অবতীর্ণ সুরাগুলো মাদানি সুরা নামে পরিচিত। মাক্কি সুরাগুলোতে তাওহিদ, রিসালাত, পরকাল ও মৌলিক ইমানের আলোচনা প্রাধান্য পেয়েছে। আর মাদানি সুরাগুলোতে প্রাধান্য পেয়েছে রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার জন্য আইন ও বিধানের বর্ণনা।
পবিত্র কোরআনে রয়েছে মোট ১১৪টি সুরা—৯২টি মাক্কি ও ২২টি মাদানি। এ ছাড়া রয়েছে ৩০টি পারা এবং সাতটি মানজিল। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পবিত্র কোরআন শুধু ভাব বা অর্থগত দিক থেকে নয়; বরং ভাষা ও শব্দগত দিক থেকেও আল্লাহর বাণী।
কোরআনুল কারিম নাজিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থার দিকে পথ দেখানো, যাতে তারা পৃথিবীতে কল্যাণময় জীবন লাভ করে এবং পরকালের চিরস্থায়ী শান্তির খোঁজ পায়। কোরআন আল্লাহ তাআলার দেওয়া চিরন্তন জীবনবিধান, যা প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের হিদায়াতের পথ দেখায়।

পবিত্র কোরআন—যে গ্রন্থের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে মুমিন হৃদয়। দিশেহারা মানুষ পায় সঠিক পথের দিশা। এ গ্রন্থে রয়েছে উপদেশ গ্রহণে আগ্রহীদের জন্য অনন্য উপদেশ। আর যারা মুখ ফিরিয়ে নেয় কোরআন থেকে, তাদের জন্য এতে বর্ণিত হয়েছে সতর্কবার্তা।
মানবজাতিকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য যুগে যুগে আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীদের কাছে কিতাব পাঠিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ১৪০০ বছর আগে আরবের মরু প্রান্তরে মক্কার হেরা গুহায় প্রথম নেমে আসে কোরআনের ওহি। আল্লাহর বাণী নিয়ে আসেন হজরত জিবরাইল (আ.)। মহানবী (সা.)-এর বয়স তখন ৪০। তিনি ধ্যানে মগ্ন হেরা গুহার অন্ধকারে। ধ্যান ভাঙে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর কথার আওয়াজে—‘ইকরা’ শব্দে। নাজিল হয় সুরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত।
এরপর দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প অল্প করে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ হয় এই মহাগ্রন্থ। এর মধ্যে নবুওয়াতের পর মহানবী (সা.) মক্কায় অবস্থানকালের ১৩ বছরে অবতীর্ণ হওয়া সুরাগুলো মাক্কি এবং মদিনায় অবস্থানকালের ১০ বছরে অবতীর্ণ সুরাগুলো মাদানি সুরা নামে পরিচিত। মাক্কি সুরাগুলোতে তাওহিদ, রিসালাত, পরকাল ও মৌলিক ইমানের আলোচনা প্রাধান্য পেয়েছে। আর মাদানি সুরাগুলোতে প্রাধান্য পেয়েছে রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার জন্য আইন ও বিধানের বর্ণনা।
পবিত্র কোরআনে রয়েছে মোট ১১৪টি সুরা—৯২টি মাক্কি ও ২২টি মাদানি। এ ছাড়া রয়েছে ৩০টি পারা এবং সাতটি মানজিল। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পবিত্র কোরআন শুধু ভাব বা অর্থগত দিক থেকে নয়; বরং ভাষা ও শব্দগত দিক থেকেও আল্লাহর বাণী।
কোরআনুল কারিম নাজিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থার দিকে পথ দেখানো, যাতে তারা পৃথিবীতে কল্যাণময় জীবন লাভ করে এবং পরকালের চিরস্থায়ী শান্তির খোঁজ পায়। কোরআন আল্লাহ তাআলার দেওয়া চিরন্তন জীবনবিধান, যা প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের হিদায়াতের পথ দেখায়।

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৩ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ আদায় করেন, তাই একে জুমার নামাজ বলা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঊর্ধ্বাকাশ ভ্রমণ মানব ইতিহাসের একটি অলৌকিক ঘটনা। এই সফরে নবীজি (সা.) সপ্তম আকাশ পেরিয়ে আল্লাহ তাআলার এত নিকটবর্তী হয়েছিলেন, যেখানে কোনো ফেরেশতা এমনকি জিবরাইল (আ.)-ও যেতে পারেননি। নবীজি (সা.)-এর এই মহাযাত্রা উম্মতের জন্য আল্লাহর কুদরতের বিশেষ নিদর্শন হয়ে আছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে আমাদের দোরগোড়ায় হাজির হচ্ছে পবিত্র মাস শাবান। এটি চান্দ্রবর্ষের অষ্টম মাস। আরবিতে এ মাসকে বলা হয় আশ-শাবানুল মুআজ্জাম। ইতিহাস বলে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের দেড় বছর পর পূর্বতন কিবলা ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাসের...
৬ ঘণ্টা আগে