
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সৌন্দর্য কেবল বাহ্যিকেই সীমাবদ্ধ ছিল না; তাঁর অন্তরাত্মার দীপ্তি তাকে অনন্য করে তুলেছিল।
কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সুরা কলম: ৪)। অন্যএক আয়াতে এসেছে, ‘আমি তো তোমাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)।
এই আধ্যাত্মিক মর্যাদা তাঁর ব্যক্তিত্বকে আরও অনন্য ও দীপ্তিময় করে তোলে।
সাহাবায়ে কেরাম বর্ণনা করেছেন, তাঁর চেহারা ছিল পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল, চোখের জ্যোতি হৃদয়কে মুগ্ধ করত, আর মুখমণ্ডল থেকে উদ্ভাসিত মৃদু হাসি মানুষের মন ছুঁয়ে যেত। শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, তাঁর চরিত্রের সৌন্দর্য—সদাচরণ, নম্রতা, ধৈর্য, আন্তরিকতা ও দয়া—সমস্ত মানবজাতির জন্য এক অনন্য আদর্শ স্থাপন করেছিল।
রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন এমন এক মহৎ ব্যক্তিত্ব, যিনি সৌন্দর্য এবং নৈতিকতার এক অমোঘ সংমিশ্রণ হয়ে মানব ইতিহাসে চিরন্তন ছাপ রেখে গিয়েছেন। তাঁর জীবন ও চরিত্র আমাদের দেখায় কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, মানবিক নীতি ও নৈতিকতার দীপ্তিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এভাবে তিনি কেবল চরিত্রের মহিমায় নয়, সৌন্দর্য, সদাচরণ এবং মানবিক আদর্শে সমগ্র বিশ্বের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘হে ইমানদাররা, তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের আগের লোকদের প্রতি ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)। মুত্তাকি হওয়ার এই মহৎ যাত্রায় সিয়াম ও কিয়ামের পাশাপাশি মানবসেবা একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসলামি জ্ঞানের মহাসমুদ্রে যারা চিরভাস্বর নক্ষত্রের মতো দিক-নির্দেশনা দিয়ে গেছেন, মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) তাঁদের মধ্যে অন্যতম। বিংশ শতাব্দীতে উপমহাদেশের মুসলিম সমাজ যখন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটে নিমজ্জিত, তখন তিনি জ্ঞানের আলো নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন একাধারে বিশ্ববিখ্যাত তাফসির...
৫ ঘণ্টা আগে
মদিনার হাটবার। সবাই ব্যস্ত কেনাকাটায়। বাজারে মানুষ আর মানুষ। বিক্রেতারা বসেছেন সারি বেঁধে। ক্রেতা হাঁটছেন, দেখছেন, পছন্দ হলে কিনছেন। পছন্দ না হলে চলে যাচ্ছেন। এ সবের মাঝে এক খাদ্য বিক্রেতা তাঁর পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন। তাঁর সামনে সাজানো শস্যের স্তূপ—ওপরের অংশ মসৃণ আর ঝকঝকে।
৫ ঘণ্টা আগে
রমজানের রোজা রাখা প্রতিটি সুস্থ, প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর ফরজ। কোনো শরয়ি কারণ ছাড়া রোজা ভঙ্গ করা কবিরা গুনাহ। তবে ইসলাম একটি সহজ ও মানবিক জীবনবিধান। তাই বিশেষ কিছু অবস্থায় শরীয়ত রোজা না রাখার বা ভেঙে ফেলার অনুমতি দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে