পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নারীদের নানা ঘটনা বর্ণনা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে কোথাও যেমন সতর্কবাণী এসেছে, আবার এসেছে জান্নাত লাভের সুসংবাদ। লুত (আ.) ও নুহ (আ.)-এর স্ত্রীরা নবীর ঘরে থেকেও ইমান না আনায় জাহান্নামি হয়েছেন। অন্যদিকে, ইতিহাসের অভিশপ্ত জালিম ফেরাউনের স্ত্রী হয়েও হজরত আসিয়া ইমানের পথে অবিচল থেকে অর্জন করেছেন জান্নাতের সর্বোত্তম মর্যাদা।
আল্লাহর নবী মুসা (আ.)-এর লালন-পালনও করেছিলেন তিনি। নীল নদ থেকে ভেসে আসা শিশু মুসাকে পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়েছিলেন হজরত আসিয়া। ফেরাউন তাকে হত্যা করতে চাইলেও আসিয়া বলেছিলেন—‘এই শিশুটি আমার ও আপনার চক্ষু শীতলকারী হতে পারে।’ (সুরা কাসাস: ৯)
ফেরাউন নিজেকে খোদা দাবি করলেও তাঁর স্ত্রী আসিয়া ছিলেন এক আল্লাহর ইবাদতে মশগুল। মুসা (আ.)-এর অলৌকিকত্ব দেখে তিনি মনেপ্রাণে ইমান আনেন। হজরত আসিয়া (আ.) যখন প্রকাশ্যে ইমানের ঘোষণা দেন, ফেরাউন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে উত্তপ্ত মরুভূমিতে হাত-পা বেঁধে পেরেক দিয়ে আটকিয়ে অবর্ণনীয় নির্যাতন চালায়।
নির্যাতনের চূড়ান্ত পর্যায়েও তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন—‘হে আমার প্রতিপালক, আমার জন্য আপনার কাছে জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করুন। আমাকে ফেরাউন ও তাঁর দুষ্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে অত্যাচারী সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।’ (সুরা তাহরিম: ১১)
হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) জান্নাতবাসীদের মধ্যে চারজন নারীকে সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেছেন: ১. খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ, ২. ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ, ৩. মারিয়াম বিনতে ইমরান ও ৪. ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া বিনতে মুজাহিম। (মুসনাদে আহমাদ)।
হজরত আসিয়ার জীবন আমাদের শেখায় যে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ যেমনই হোক, সত্যের ওপর অবিচল থাকলে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভব।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
যেকোনো কঠিন বিপদে আল্লাহর দিকে ফিরে আন্তরিকভাবে দোয়া করা নবী-রাসুলদের অন্যতম সুন্নত। আর এমনই এক মহিমান্বিত ও বরকতময় আমল হলো ‘দোয়া ইউনুস’। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এই দোয়ার ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে বিশেষ সুসংবাদ দিয়েছেন।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
যারা আগেভাগে মসজিদে আসে এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনে—তাদের জন্য রয়েছে অতুলনীয় সওয়াবের প্রতিশ্রুতি। এমনকি কারও নামের পাশে লেখা হতে পারে উট সদকার সওয়াবও! হাদিস ও কোরআনের আলোকে আমরা জেনে নিতে পারি—এই দিনটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং তা কীভাবে যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায়।
২ দিন আগে