ইসলাম ডেস্ক

সৃষ্টিকর্তা হিসেবে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জানা-অজানা, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব বিষয় সম্পর্কে অবগত। তিনি জানেন, মানুষ ভুল করবে এবং পাপকাজে লিপ্ত হবে। তবে এ পাপ হয়ে যাওয়ার পর বান্দা যখন অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ফিরে আসে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে, তখন আল্লাহ অত্যন্ত খুশি হন। ক্ষমা চাওয়ার অসংখ্য পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হলো ‘সাইয়িদুল ইসতিগফার’ বা ক্ষমার শ্রেষ্ঠ দোয়া পাঠ করা।
সাইয়িদুল ইসতিগফার হলো আল্লাহর কাছে নিজের দুর্বলতা ও ভুল স্বীকার করার এক বিশেষ পদ্ধতি। এর ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুদৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সকালে সাইয়িদুল ইসতিগফার পাঠ করে, এরপর সে যদি সন্ধ্যা হওয়ার আগে মারা যায়, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি সুদৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সন্ধ্যায় এটি পাঠ করে এবং সে যদি সকাল হওয়ার আগে মারা যায়, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬৩২৩)
এ দোয়াটি পাঠের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তাঁর প্রতি নিজের দাসত্ব এবং কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা—সবকিছুই একসঙ্গে প্রকাশ করে। এর প্রতিটি বাক্য গভীর অর্থ বহন করে। দোয়াটি হলো:
‘আল্লাহুম্মা আন্তা রব্বি, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা; খলাকতানি ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু, আউজুবিকা মিন শাররি মা ছনাতু, আবুউ লাকা বিনিমাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবুউ লাকা বিজাম্বি; ফাগফিরলি, ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ-জুনুবা ইল্লা আন্তা।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই; আপনিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনারই দাস। আর আমি আপনার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের ওপর সাধ্যমতো অটল আছি। আমি যা কিছু মন্দ করেছি, তার অকল্যাণ থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। আমার প্রতি আপনার সব নিয়ামতের কথা আমি স্বীকার করছি এবং আমার সব অপরাধও আপনার সমীপে স্বীকার করছি। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করে দিন, কারণ আপনি ছাড়া আর কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।’

সৃষ্টিকর্তা হিসেবে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জানা-অজানা, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব বিষয় সম্পর্কে অবগত। তিনি জানেন, মানুষ ভুল করবে এবং পাপকাজে লিপ্ত হবে। তবে এ পাপ হয়ে যাওয়ার পর বান্দা যখন অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ফিরে আসে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে, তখন আল্লাহ অত্যন্ত খুশি হন। ক্ষমা চাওয়ার অসংখ্য পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হলো ‘সাইয়িদুল ইসতিগফার’ বা ক্ষমার শ্রেষ্ঠ দোয়া পাঠ করা।
সাইয়িদুল ইসতিগফার হলো আল্লাহর কাছে নিজের দুর্বলতা ও ভুল স্বীকার করার এক বিশেষ পদ্ধতি। এর ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুদৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সকালে সাইয়িদুল ইসতিগফার পাঠ করে, এরপর সে যদি সন্ধ্যা হওয়ার আগে মারা যায়, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি সুদৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সন্ধ্যায় এটি পাঠ করে এবং সে যদি সকাল হওয়ার আগে মারা যায়, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬৩২৩)
এ দোয়াটি পাঠের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তাঁর প্রতি নিজের দাসত্ব এবং কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা—সবকিছুই একসঙ্গে প্রকাশ করে। এর প্রতিটি বাক্য গভীর অর্থ বহন করে। দোয়াটি হলো:
‘আল্লাহুম্মা আন্তা রব্বি, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা; খলাকতানি ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু, আউজুবিকা মিন শাররি মা ছনাতু, আবুউ লাকা বিনিমাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবুউ লাকা বিজাম্বি; ফাগফিরলি, ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ-জুনুবা ইল্লা আন্তা।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই; আপনিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনারই দাস। আর আমি আপনার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের ওপর সাধ্যমতো অটল আছি। আমি যা কিছু মন্দ করেছি, তার অকল্যাণ থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। আমার প্রতি আপনার সব নিয়ামতের কথা আমি স্বীকার করছি এবং আমার সব অপরাধও আপনার সমীপে স্বীকার করছি। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করে দিন, কারণ আপনি ছাড়া আর কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।’

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াতসহ ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে পুণ্যময় এই রাতটি কাটিয়ে থাকেন।
৫ ঘণ্টা আগে
সুরা ফালাক পবিত্র কোরআনুল কারিমের ১১৩তম সুরা। আরবিতে সুরাটির নাম: سورة الفلق। মহান আল্লাহ তাআলা এই সুরার মাধ্যমে তাঁর কাছে আশ্রয় প্রার্থনার সর্বোত্তম পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন। মূলত জাদু-টোনা, হিংসা ও অনিষ্ট থেকে বাঁচতে সুরাটি মুমিনের জন্য এক শক্তিশালী হাতিয়ার। তাই সুরা ফালাক বাংলা উচ্চারণ, অর্থসহ...
৯ ঘণ্টা আগে
মুমিনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো ইমান। আর এই ইমানের মূল ভিত্তি হলো কালিমা তাইয়্যেবা। পরকালে মুক্তির জন্য ইমানের কোনো বিকল্প নেই; ইমান ছাড়া কোনো নেক আমলই আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না।
১৭ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে