আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজায় অবিলম্বে ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত একটি খসড়া প্রস্তাবে ষষ্ঠবারের মতো ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক ডেপুটি দূত মরগান ওরটাগাস বলেছেন, প্রস্তাবটিতে হামাসের নিন্দায় যথেষ্ট কিছু বলা হয়নি, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্য ১৪টি সদস্য দেশই এই খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। প্রস্তাবটিতে গাজার মানবিক পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে এবং ইসরায়েলের প্রতি সব ধরনের ত্রাণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিষদ ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই বৃহৎ শক্তিগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী (অথবা তাদের স্বীকৃত উত্তরসূরি রাষ্ট্র)। স্থায়ী সদস্যরা জাতিসংঘে নতুন সদস্য রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্তি বা মহাসচিব পদের জন্য মনোনীত করা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা পরিষদের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে ভেটো দিতে পারে। একটি দেশ ভেটো দিলেই সেই প্রস্তাব পাস হয় না। বাকি ১০ সদস্য দুই বছরের মেয়াদের জন্য আঞ্চলিক ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়।
এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয় সতর্ক করে দিয়েছে যে, ইসরায়েলের সামরিক অভিযান জোরদার করার কারণে গাজা সিটিতে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য শেষ আশাও ভেঙে পড়ছে। বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েল এবং তার সবচেয়ে কাছের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান নিরাপত্তা পরিষদকে ‘এই নৃশংসতার মুখে তার সঠিক ভূমিকা পালন’ করা থেকে বিরত রাখল।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসিম আহমেদ এই ভেটোকে ‘এই কক্ষে একটি অন্ধকার মুহূর্ত’ বলে বর্ণনা করেন। আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আমার বেন্দজামা ফিলিস্তিনি জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভাই ও বোনেরা, আমাদের ক্ষমা করুন, কারণ বিশ্ব অধিকারের কথা বলে, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে তারা সেটি অস্বীকার করে। আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যানের এই দেয়ালের কাছে বিফলে গেছে।’
কয়েক দিন পরেই বিশ্বনেতারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একত্রিত হবেন। সেখানে গাজা হবে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয়। সেই বৈঠকে যুক্তরাজ্যসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্ররা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গাজায় চলমান বর্বরতার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালাচ্ছে। ইসরায়েলি ট্যাংক এবং সেনারা স্থল অভিযানের তৃতীয় দিনেও বাধাহীনভাবে অগ্রসর হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয়ের মুখপাত্র ওলগা চেরেভকো বিবিসিকে বলেছেন, গাজা শহরের পরিস্থিতি ‘বিপর্যয়কর’।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজায় এই অভিযান শুরু করে। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুসারে, তখন থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তত ৬৫ হাজার ১৪১ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, যুদ্ধে অপুষ্টি ও অনাহারে এ পর্যন্ত আরও ৪৩৫ জন মারা গেছে।

ফিলিস্তিনের গাজায় অবিলম্বে ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত একটি খসড়া প্রস্তাবে ষষ্ঠবারের মতো ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক ডেপুটি দূত মরগান ওরটাগাস বলেছেন, প্রস্তাবটিতে হামাসের নিন্দায় যথেষ্ট কিছু বলা হয়নি, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্য ১৪টি সদস্য দেশই এই খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। প্রস্তাবটিতে গাজার মানবিক পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে এবং ইসরায়েলের প্রতি সব ধরনের ত্রাণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিষদ ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই বৃহৎ শক্তিগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী (অথবা তাদের স্বীকৃত উত্তরসূরি রাষ্ট্র)। স্থায়ী সদস্যরা জাতিসংঘে নতুন সদস্য রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্তি বা মহাসচিব পদের জন্য মনোনীত করা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা পরিষদের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে ভেটো দিতে পারে। একটি দেশ ভেটো দিলেই সেই প্রস্তাব পাস হয় না। বাকি ১০ সদস্য দুই বছরের মেয়াদের জন্য আঞ্চলিক ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়।
এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয় সতর্ক করে দিয়েছে যে, ইসরায়েলের সামরিক অভিযান জোরদার করার কারণে গাজা সিটিতে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য শেষ আশাও ভেঙে পড়ছে। বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েল এবং তার সবচেয়ে কাছের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান নিরাপত্তা পরিষদকে ‘এই নৃশংসতার মুখে তার সঠিক ভূমিকা পালন’ করা থেকে বিরত রাখল।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসিম আহমেদ এই ভেটোকে ‘এই কক্ষে একটি অন্ধকার মুহূর্ত’ বলে বর্ণনা করেন। আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আমার বেন্দজামা ফিলিস্তিনি জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভাই ও বোনেরা, আমাদের ক্ষমা করুন, কারণ বিশ্ব অধিকারের কথা বলে, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে তারা সেটি অস্বীকার করে। আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যানের এই দেয়ালের কাছে বিফলে গেছে।’
কয়েক দিন পরেই বিশ্বনেতারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একত্রিত হবেন। সেখানে গাজা হবে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয়। সেই বৈঠকে যুক্তরাজ্যসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্ররা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গাজায় চলমান বর্বরতার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালাচ্ছে। ইসরায়েলি ট্যাংক এবং সেনারা স্থল অভিযানের তৃতীয় দিনেও বাধাহীনভাবে অগ্রসর হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয়ের মুখপাত্র ওলগা চেরেভকো বিবিসিকে বলেছেন, গাজা শহরের পরিস্থিতি ‘বিপর্যয়কর’।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজায় এই অভিযান শুরু করে। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুসারে, তখন থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তত ৬৫ হাজার ১৪১ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, যুদ্ধে অপুষ্টি ও অনাহারে এ পর্যন্ত আরও ৪৩৫ জন মারা গেছে।

গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
১৩ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৩ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৪ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৪ ঘণ্টা আগে