আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের রক্ষণশীল দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরে এক রিপাবলিকান পরিবারে বড় হয়েছেন টাইলার রবিনসন। প্রতিবেশী ও সহপাঠীদের ভাষ্যমতে, তিনি ছিলেন চুপচাপ এবং বুদ্ধিমান। ভিডিও গেম, কমিক বই আর সমসাময়িক ঘটনাবলিতে ছিল তাঁর গভীর আগ্রহ।
কিন্তু গতকাল শুক্রবার বিকেলে, যাঁরা রবিনসনকে চিনতেন, তাঁরা তাঁদের স্মৃতির সঙ্গে তাঁর নতুন ভাবমূর্তি মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছিলেন; যিনি এই সপ্তাহের শুরুতে ইউটাহর একটি কলেজে রক্ষণশীল প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্ককে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
রবিনসনের হাইস্কুলের প্রাক্তন সহপাঠী ২২ বছর বয়সী কিটন ব্রুকসবি বলেন, ‘এটা সত্যিই দুঃখজনক যে এত বুদ্ধিমান একজন মানুষ তাঁর মেধার এমন অপব্যবহার করেছেন।’
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, রবিনসন সম্প্রতি তাঁর পরিবারের এক সদস্যকে বলেছিলেন, চার্লি কার্ক ইউটাহতে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছেন। তিনি ও তাঁর ওই আত্মীয় ‘কেন তারা তাঁকে (কার্ক) এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি পছন্দ করেন না’—তা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ডান ও বাম শিবির যখন কার্ককে হত্যার উদ্দেশ্য খুঁজতে ব্যস্ত, তখন রবিনসনের যে প্রাথমিক চিত্রটি ফুটে উঠেছে, তা মোটেই স্পষ্ট নয়। একজন বৃত্তিপ্রাপ্ত হাইস্কুলছাত্র থেকে শিক্ষানবিশ ইলেকট্রিশিয়ান এবং তারপর একজন সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁর এই পথচলা স্পষ্ট নয়।
ব্রুকসবি জানান, ইউটাহর রক্ষণশীল সেন্ট জর্জ এলাকায় বেড়ে ওঠার সময় সবাই রবিনসনকে শান্ত ছাত্র হিসেবেই জানত। তবে হাইস্কুলে একদিন দুপুরের খাবারের সময় লিবিয়ার বেনগাজি শহরে ২০১২ সালে মার্কিনদের ওপর হামলা নিয়ে আলোচনা ওঠে। বেনগাজিতে কী ঘটেছিল, সে সময় তা হাতে গোনা কয়েকজন ছাত্র জানতেন। তবে রবিনসন ওই ঘটনা সম্পর্কে তাঁর জানাবোঝায় নিশ্চিত ছিল।
ব্রুকসবি বলেন, ‘সে আমাদের পুরো ঘটনাটি বিস্তারিত বলেছিল। আমার শুধু মনে আছে, আমি তখন ভাবছিলাম, ১৪ বছর বয়সের একজন ছেলের কাছে এ বিষয়ে এত তথ্য কীভাবে থাকতে পারে।’
ওয়াশিংটন কাউন্টির ক্লার্কের তথ্য অনুযায়ী, রবিনসনের ইউটাহতে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করা থাকলেও তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং কোনো নির্বাচনে ভোট দেননি। তাঁর মা-বাবা রিপাবলিকান হিসেবে নিবন্ধিত। তাঁদের উভয়েরই শিকার করার লাইসেন্স রয়েছে।
বছরের পর বছর ধরে তাঁর পরিবারের পোস্ট করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ছবিতে রবিনসন এবং তাঁর দুই ছোট ভাইকে বন্দুক হাতে গুলি করতে এবং পোজ দিতে দেখা গেছে।
৩৩ ঘণ্টার টানা অভিযানের পর গত বৃহস্পতিবার রাতে নিজ শহরের পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন রবিনসন।
আদালতে দাখিলকৃত এক শপথপত্রে এক পুলিশ কর্মকর্তা লিখেছেন, রবিনসনের এক আত্মীয় তাঁকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘আরও বেশি রাজনৈতিক’ হয়ে ওঠা বলে বর্ণনা করেছেন। সম্প্রতি এক নৈশভোজে কার্ক ও তাঁর উটাহতে অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গও তুলেছিলেন রবিনসন।
ইউটাহ কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া অস্ত্রের সঙ্গে তারা অনাবিষ্কৃত গুলিও পেয়েছে; যেগুলোর গায়ে খোদাই করা ছিল ইন্টারনেট মিম থেকে নেওয়া রসিকতা ও স্ল্যাং। সঙ্গে লেখা ছিল, ‘এই ফ্যাসিস্ট! ধরো তো!’
২২ বছরের অ্যাড্রিয়ান রিভেরা, যিনি রবিনসনের সঙ্গে হাইস্কুলে কাঠের কাজের ক্লাসে ছিলেন। তিনি জানান, রবিনসন প্রায়ই জুনিয়র আরওটিসি (জুনিয়র রিজার্ভ অফিসার্স ট্রেনিং কর্পস) প্রোগ্রামে আগ্রহী অন্য ছাত্রদের সঙ্গে নির্দিষ্ট এলাকায় ঘোরাঘুরি করতেন।
তবে রবিনসন প্রকৃতপক্ষে এই কোরের সদস্য ছিলেন কি না, তা পরিষ্কার নয়।
রিভেরা বলেন, রবিনসন ছিলেন ‘বিশাল হালো ফ্যান’। জনপ্রিয় সাই-ফাই গেমের কথা উল্লেখ করে এমনটা বলেন তিনি।
তিনি জানান, রবিনসন কল অফ ডিউটি এবং অন্যান্য শুটার গেম খেলতেও পছন্দ করতেন।
রবিনসনের সঙ্গে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে পড়েছেন জাইদা ফাঙ্ক। ২২ বছর বয়সী এই তরুণী জানান, তিনি ছিলেন শিক্ষকপ্রিয় ছাত্রের স্বভাব। সব সময় সময়মতো আসতেন, শ্রদ্ধাশীল, কঠোর পরিশ্রমী এবং বুদ্ধিমান ছিলেন।
জাইদা বলেন, ‘সে এমন ধরনের ছেলে ছিল যে তুমি বন্ধু না হলেও গ্রুপ প্রজেক্টে তাকে দলে নেবে। যেভাবে সে নিজেকে উপস্থাপন করত আর অন্যদের সঙ্গে কথা বলত, আমার মনে হতো, একদিন সে সিইও বা ব্যবসায়ী হবে। তার মধ্যে ভালো নেতৃত্বের গুণাবলি ছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের রক্ষণশীল দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরে এক রিপাবলিকান পরিবারে বড় হয়েছেন টাইলার রবিনসন। প্রতিবেশী ও সহপাঠীদের ভাষ্যমতে, তিনি ছিলেন চুপচাপ এবং বুদ্ধিমান। ভিডিও গেম, কমিক বই আর সমসাময়িক ঘটনাবলিতে ছিল তাঁর গভীর আগ্রহ।
কিন্তু গতকাল শুক্রবার বিকেলে, যাঁরা রবিনসনকে চিনতেন, তাঁরা তাঁদের স্মৃতির সঙ্গে তাঁর নতুন ভাবমূর্তি মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছিলেন; যিনি এই সপ্তাহের শুরুতে ইউটাহর একটি কলেজে রক্ষণশীল প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্ককে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
রবিনসনের হাইস্কুলের প্রাক্তন সহপাঠী ২২ বছর বয়সী কিটন ব্রুকসবি বলেন, ‘এটা সত্যিই দুঃখজনক যে এত বুদ্ধিমান একজন মানুষ তাঁর মেধার এমন অপব্যবহার করেছেন।’
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, রবিনসন সম্প্রতি তাঁর পরিবারের এক সদস্যকে বলেছিলেন, চার্লি কার্ক ইউটাহতে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছেন। তিনি ও তাঁর ওই আত্মীয় ‘কেন তারা তাঁকে (কার্ক) এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি পছন্দ করেন না’—তা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ডান ও বাম শিবির যখন কার্ককে হত্যার উদ্দেশ্য খুঁজতে ব্যস্ত, তখন রবিনসনের যে প্রাথমিক চিত্রটি ফুটে উঠেছে, তা মোটেই স্পষ্ট নয়। একজন বৃত্তিপ্রাপ্ত হাইস্কুলছাত্র থেকে শিক্ষানবিশ ইলেকট্রিশিয়ান এবং তারপর একজন সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁর এই পথচলা স্পষ্ট নয়।
ব্রুকসবি জানান, ইউটাহর রক্ষণশীল সেন্ট জর্জ এলাকায় বেড়ে ওঠার সময় সবাই রবিনসনকে শান্ত ছাত্র হিসেবেই জানত। তবে হাইস্কুলে একদিন দুপুরের খাবারের সময় লিবিয়ার বেনগাজি শহরে ২০১২ সালে মার্কিনদের ওপর হামলা নিয়ে আলোচনা ওঠে। বেনগাজিতে কী ঘটেছিল, সে সময় তা হাতে গোনা কয়েকজন ছাত্র জানতেন। তবে রবিনসন ওই ঘটনা সম্পর্কে তাঁর জানাবোঝায় নিশ্চিত ছিল।
ব্রুকসবি বলেন, ‘সে আমাদের পুরো ঘটনাটি বিস্তারিত বলেছিল। আমার শুধু মনে আছে, আমি তখন ভাবছিলাম, ১৪ বছর বয়সের একজন ছেলের কাছে এ বিষয়ে এত তথ্য কীভাবে থাকতে পারে।’
ওয়াশিংটন কাউন্টির ক্লার্কের তথ্য অনুযায়ী, রবিনসনের ইউটাহতে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করা থাকলেও তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং কোনো নির্বাচনে ভোট দেননি। তাঁর মা-বাবা রিপাবলিকান হিসেবে নিবন্ধিত। তাঁদের উভয়েরই শিকার করার লাইসেন্স রয়েছে।
বছরের পর বছর ধরে তাঁর পরিবারের পোস্ট করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ছবিতে রবিনসন এবং তাঁর দুই ছোট ভাইকে বন্দুক হাতে গুলি করতে এবং পোজ দিতে দেখা গেছে।
৩৩ ঘণ্টার টানা অভিযানের পর গত বৃহস্পতিবার রাতে নিজ শহরের পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন রবিনসন।
আদালতে দাখিলকৃত এক শপথপত্রে এক পুলিশ কর্মকর্তা লিখেছেন, রবিনসনের এক আত্মীয় তাঁকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘আরও বেশি রাজনৈতিক’ হয়ে ওঠা বলে বর্ণনা করেছেন। সম্প্রতি এক নৈশভোজে কার্ক ও তাঁর উটাহতে অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গও তুলেছিলেন রবিনসন।
ইউটাহ কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া অস্ত্রের সঙ্গে তারা অনাবিষ্কৃত গুলিও পেয়েছে; যেগুলোর গায়ে খোদাই করা ছিল ইন্টারনেট মিম থেকে নেওয়া রসিকতা ও স্ল্যাং। সঙ্গে লেখা ছিল, ‘এই ফ্যাসিস্ট! ধরো তো!’
২২ বছরের অ্যাড্রিয়ান রিভেরা, যিনি রবিনসনের সঙ্গে হাইস্কুলে কাঠের কাজের ক্লাসে ছিলেন। তিনি জানান, রবিনসন প্রায়ই জুনিয়র আরওটিসি (জুনিয়র রিজার্ভ অফিসার্স ট্রেনিং কর্পস) প্রোগ্রামে আগ্রহী অন্য ছাত্রদের সঙ্গে নির্দিষ্ট এলাকায় ঘোরাঘুরি করতেন।
তবে রবিনসন প্রকৃতপক্ষে এই কোরের সদস্য ছিলেন কি না, তা পরিষ্কার নয়।
রিভেরা বলেন, রবিনসন ছিলেন ‘বিশাল হালো ফ্যান’। জনপ্রিয় সাই-ফাই গেমের কথা উল্লেখ করে এমনটা বলেন তিনি।
তিনি জানান, রবিনসন কল অফ ডিউটি এবং অন্যান্য শুটার গেম খেলতেও পছন্দ করতেন।
রবিনসনের সঙ্গে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে পড়েছেন জাইদা ফাঙ্ক। ২২ বছর বয়সী এই তরুণী জানান, তিনি ছিলেন শিক্ষকপ্রিয় ছাত্রের স্বভাব। সব সময় সময়মতো আসতেন, শ্রদ্ধাশীল, কঠোর পরিশ্রমী এবং বুদ্ধিমান ছিলেন।
জাইদা বলেন, ‘সে এমন ধরনের ছেলে ছিল যে তুমি বন্ধু না হলেও গ্রুপ প্রজেক্টে তাকে দলে নেবে। যেভাবে সে নিজেকে উপস্থাপন করত আর অন্যদের সঙ্গে কথা বলত, আমার মনে হতো, একদিন সে সিইও বা ব্যবসায়ী হবে। তার মধ্যে ভালো নেতৃত্বের গুণাবলি ছিল।’

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৮ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১১ ঘণ্টা আগে