
যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা সংস্থা ইউএসএআইডি–এর ১ হাজার ৬০০ পদ বিলুপ্ত করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। গতকাল রোববার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এনজিওটির নেতৃস্থানীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মী ছাড়া সব কর্মীকে সবেতন প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হচ্ছে।
বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন সরকারি দক্ষতা বিভাগ (ডিওজিই) ইউএসএআইডির কার্যক্রম গুটিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এই সংস্থাটিই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তার প্রধান বিতরণ ব্যবস্থা এবং এটিকে বিদেশে প্রভাব বিস্তারের জন্য মার্কিন ‘সফট পাওয়ার’–এর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কর্মীদের পাঠানো ই–মেইল পর্যালোচনা করে দেখেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। একটি ই–মেইলে একজন কর্মীকে বলা হয়েছে, ‘আমি দুঃখের সঙ্গে আপনাকে জানাচ্ছি যে, আপনি একটি কর্মী হ্রাস পদক্ষেপের কারণে প্রভাবিত হচ্ছেন।’ ই–মেইলে বলা হয়েছে, যারা এই নোটিশ পেয়েছেন তাঁরা আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে ফেডারেল সার্ভিস থেকে ছাঁটাই হবেন।
ইউএসএআইডি–এর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার মধ্যরাতের ঠিক আগে, গুরুত্বপূর্ণ কর্মী ছাড়া সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সব কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউএসএআইডির ১ হাজার ৬০০টি পদ বিলুপ্ত করা হবে।
রয়টার্সের পর্যালোচনা করা আগের একটি নোটিশে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২ হাজার পদ বিলুপ্ত করা হবে। হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। গত শুক্রবার একজন ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনকে হাজার হাজার ইউএসএআইডি কর্মীকে ছুটিতে রাখার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছেন। সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নগুলো এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল।
ইউএসএআইডির দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ধারণা করছেন, প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কর্মী, ক্যারিয়ার মার্কিন সিভিল সার্ভিস এবং ফরেন সার্ভিস স্টাফের বেশির ভাগকে প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হবে। সাবেক কর্মকর্তা মার্সিয়া ওং বলেন, ‘এই প্রশাসন এবং (পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো) রুবিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষতা এবং অনন্য সংকট মোকাবিলা সক্ষমতাকে দুর্বল করে অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। যখন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে, জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়, তখন এই ইউএসএআইডি বিশেষজ্ঞরা মাঠে থাকেন এবং প্রথমে স্থিতিশীলতা ও সহায়তার জন্য এগিয়ে আসেন।’
গত ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ৯০ দিনের জন্য বৈদেশিক সহায়তা স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য আশ্রয় থেকে শুরু করে ক্ষুধা এবং প্রাণঘাতী রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা কর্মসূচিগুলোর জন্য তহবিল স্থগিত করেন ট্রাম্প। রয়টার্সের পর্যালোচনা অনুযায়ী, এই স্থগিতাদেশের বাইরে রাখা হয়েছে ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের তহবিল, যা মূলত নিরাপত্তা এবং মাদকবিরোধী কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ। এর খুব সামান্য অংশই মানবিক ত্রাণের জন্য ব্যয় করা হবে।
স্থগিতাদেশের আগে ইউএসএআইডি প্রোগ্রামগুলো বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করত। কিন্তু স্থগিতাদেশের পরে পেয়েছে ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও কম।

যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা সংস্থা ইউএসএআইডি–এর ১ হাজার ৬০০ পদ বিলুপ্ত করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। গতকাল রোববার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এনজিওটির নেতৃস্থানীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মী ছাড়া সব কর্মীকে সবেতন প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হচ্ছে।
বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন সরকারি দক্ষতা বিভাগ (ডিওজিই) ইউএসএআইডির কার্যক্রম গুটিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এই সংস্থাটিই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তার প্রধান বিতরণ ব্যবস্থা এবং এটিকে বিদেশে প্রভাব বিস্তারের জন্য মার্কিন ‘সফট পাওয়ার’–এর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কর্মীদের পাঠানো ই–মেইল পর্যালোচনা করে দেখেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। একটি ই–মেইলে একজন কর্মীকে বলা হয়েছে, ‘আমি দুঃখের সঙ্গে আপনাকে জানাচ্ছি যে, আপনি একটি কর্মী হ্রাস পদক্ষেপের কারণে প্রভাবিত হচ্ছেন।’ ই–মেইলে বলা হয়েছে, যারা এই নোটিশ পেয়েছেন তাঁরা আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে ফেডারেল সার্ভিস থেকে ছাঁটাই হবেন।
ইউএসএআইডি–এর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার মধ্যরাতের ঠিক আগে, গুরুত্বপূর্ণ কর্মী ছাড়া সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সব কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউএসএআইডির ১ হাজার ৬০০টি পদ বিলুপ্ত করা হবে।
রয়টার্সের পর্যালোচনা করা আগের একটি নোটিশে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২ হাজার পদ বিলুপ্ত করা হবে। হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। গত শুক্রবার একজন ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনকে হাজার হাজার ইউএসএআইডি কর্মীকে ছুটিতে রাখার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছেন। সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নগুলো এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল।
ইউএসএআইডির দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ধারণা করছেন, প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কর্মী, ক্যারিয়ার মার্কিন সিভিল সার্ভিস এবং ফরেন সার্ভিস স্টাফের বেশির ভাগকে প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হবে। সাবেক কর্মকর্তা মার্সিয়া ওং বলেন, ‘এই প্রশাসন এবং (পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো) রুবিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষতা এবং অনন্য সংকট মোকাবিলা সক্ষমতাকে দুর্বল করে অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। যখন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে, জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়, তখন এই ইউএসএআইডি বিশেষজ্ঞরা মাঠে থাকেন এবং প্রথমে স্থিতিশীলতা ও সহায়তার জন্য এগিয়ে আসেন।’
গত ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ৯০ দিনের জন্য বৈদেশিক সহায়তা স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য আশ্রয় থেকে শুরু করে ক্ষুধা এবং প্রাণঘাতী রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা কর্মসূচিগুলোর জন্য তহবিল স্থগিত করেন ট্রাম্প। রয়টার্সের পর্যালোচনা অনুযায়ী, এই স্থগিতাদেশের বাইরে রাখা হয়েছে ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের তহবিল, যা মূলত নিরাপত্তা এবং মাদকবিরোধী কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ। এর খুব সামান্য অংশই মানবিক ত্রাণের জন্য ব্যয় করা হবে।
স্থগিতাদেশের আগে ইউএসএআইডি প্রোগ্রামগুলো বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করত। কিন্তু স্থগিতাদেশের পরে পেয়েছে ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও কম।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৬ ঘণ্টা আগে