
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। ৮০ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউএসএস হার্ডার নামের সাবমেরিনটি সমুদ্রের অতল গভীরে হারিয়ে গিয়েছিল।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি শুক্রবার (২৪ মে) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলের লুজন দ্বীপের কাছে সাবমেরিনটি পাওয়া গেছে। এটি পানির ৩ হাজার ফুট নিচে পড়ে ছিল। ১৯৪৪ সালের ২৯ আগস্ট ৭৯ জন পুরুষ ক্রু নিয়ে সাবমেরিনটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়ার আগে এই সাবমেরিনটি জাপানের তিনটি ডেস্ট্রয়ারকে পানিতে ডুবিয়ে দেয়। এ ছাড়া চারদিনের মধ্যে আরও দুটি ডেস্ট্রয়ারের ব্যাপক ক্ষতি করে এটি।
এর মাধ্যমে জাপানিরা তাদের যুদ্ধের পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। যা পরবর্তীতে যুদ্ধে জাপানের পরাজয় ডেকে আনে।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর হিস্টোরিক অ্যান্ড হেরিটেজ কমান্ডের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে.কক্স বলেছেন, ‘যুদ্ধে জয়ের সময় সাবমেরিনটি হারিয়ে যায়। আমাদের ভুললে চলবে না জয় পেতেও মূল্য দিতে হয়। যেমনটি দিতে হয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রশান্ত অঞ্চলে ফিলিপাইন ছিল যুদ্ধের অন্যতম বড় ময়দান। ওই সময় জাপানের কাছ থেকে ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে ব্যাপক যুদ্ধ করে মার্কিন বাহিনী।
ফিলিপাইনের সমুদ্র তলদেশে পড়ে আছে বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত অনেক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ।
হার্ডার নামের এই সাবমেরিনটি খুঁজে বের করেছে মার্কিন ‘লস্ট৫২ প্রজেক্ট’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের যে ৫২টি সাবমেরিন হারিয়ে গিয়েছিল সেগুলো খুঁজে পাওয়ার কাজ করছে সংস্থাটি। হার্ডার নামের সাবমেরিনটি অনেকটা অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। ৮০ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউএসএস হার্ডার নামের সাবমেরিনটি সমুদ্রের অতল গভীরে হারিয়ে গিয়েছিল।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি শুক্রবার (২৪ মে) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলের লুজন দ্বীপের কাছে সাবমেরিনটি পাওয়া গেছে। এটি পানির ৩ হাজার ফুট নিচে পড়ে ছিল। ১৯৪৪ সালের ২৯ আগস্ট ৭৯ জন পুরুষ ক্রু নিয়ে সাবমেরিনটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়ার আগে এই সাবমেরিনটি জাপানের তিনটি ডেস্ট্রয়ারকে পানিতে ডুবিয়ে দেয়। এ ছাড়া চারদিনের মধ্যে আরও দুটি ডেস্ট্রয়ারের ব্যাপক ক্ষতি করে এটি।
এর মাধ্যমে জাপানিরা তাদের যুদ্ধের পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। যা পরবর্তীতে যুদ্ধে জাপানের পরাজয় ডেকে আনে।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর হিস্টোরিক অ্যান্ড হেরিটেজ কমান্ডের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে.কক্স বলেছেন, ‘যুদ্ধে জয়ের সময় সাবমেরিনটি হারিয়ে যায়। আমাদের ভুললে চলবে না জয় পেতেও মূল্য দিতে হয়। যেমনটি দিতে হয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রশান্ত অঞ্চলে ফিলিপাইন ছিল যুদ্ধের অন্যতম বড় ময়দান। ওই সময় জাপানের কাছ থেকে ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে ব্যাপক যুদ্ধ করে মার্কিন বাহিনী।
ফিলিপাইনের সমুদ্র তলদেশে পড়ে আছে বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত অনেক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ।
হার্ডার নামের এই সাবমেরিনটি খুঁজে বের করেছে মার্কিন ‘লস্ট৫২ প্রজেক্ট’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের যে ৫২টি সাবমেরিন হারিয়ে গিয়েছিল সেগুলো খুঁজে পাওয়ার কাজ করছে সংস্থাটি। হার্ডার নামের সাবমেরিনটি অনেকটা অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪৩ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১২ ঘণ্টা আগে