
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পদের সিংহভাগ দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করবেন বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেজোস তাঁর এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।
জেফ বেজোসের সম্পদের পরিমাণ ১২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। তিনি সিএনএনকে বলেছেন, এই সম্পদের বেশির ভাগ তিনি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দিতে চান, যাতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও মানবতার প্রয়োজনে ব্যয় করা যায়।
বিশ্বের অনেক ধনী ব্যক্তিই দাতব্য প্রতিষ্ঠানে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে থাকেন। সে ক্ষেত্রে দাতব্য প্রতিষ্ঠানে নিজের সম্পদ ব্যয় না করার জন্য অতীতে সমালোচিত ছিলেন বিশ্বের এই অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের। এই প্রথমবারের মতো তিনি প্রকাশ্যে দাতব্য প্রতিষ্ঠানে সম্পদ দান করার ঘোষণা দিলেন।
স্থানীয় সময় শনিবার সিএনএনের সাংবাদিক ক্লোই মেলাসকে এই সাক্ষাৎকার দেন জেফ বেজোস। সাক্ষাৎকারটি ধারণ করা হয়েছে ওয়াশিংটন ডিসিতে বেজোসের বাড়িতে। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সমাজসেবক লরেন সানচেজ।
বেজোস তাঁর জীবদ্দশাতেই সম্পদের সিংহভাগ দান করতে চান কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তা করব।’
বেজোস দাতব্য কাজে ব্যবহারের জন্য সংগীত তারকা ও জনহিতৈষী ডলি পার্টনকে ১০ কোটি ডলার দান করার পরে নিজের এই পরিকল্পনার কথা জানান। প্রায় ২০ মিনিটের সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক বিষয়, সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দা, মহাকাশভ্রমণের পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ইত্যাদি বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন জেফ বেজোস।
এর আগে বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ ধনী যেমন ওয়ারেন বাফেট, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং বেজোসের সাবেক স্ত্রী ম্যাকেনজি স্কট নিজেদের সম্পদ দান করার ঘোষণা দিয়েছেন। এত দিন বেজোস এ ধরনের ঘোষণা না দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনিও দাতব্য কাজে সম্পদ ব্যয়ের ঘোষণা দিলেন।
ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ১৯৯৪ সালে আমাজন প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর বিশ্বব্যাপী আমাজনের ব্যবসা সম্প্রসারিত হলে তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনীতে পরিণত হন। তবে ২০২১ সালে আমাজনের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বেজোস। এখন তিনি প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন। আমাজন ছাড়াও প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এবং মহাকাশ পর্যটন কোম্পানি ব্লু অরিজিনের মালিক জেফ বেজোস।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পদের সিংহভাগ দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করবেন বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেজোস তাঁর এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।
জেফ বেজোসের সম্পদের পরিমাণ ১২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। তিনি সিএনএনকে বলেছেন, এই সম্পদের বেশির ভাগ তিনি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দিতে চান, যাতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও মানবতার প্রয়োজনে ব্যয় করা যায়।
বিশ্বের অনেক ধনী ব্যক্তিই দাতব্য প্রতিষ্ঠানে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে থাকেন। সে ক্ষেত্রে দাতব্য প্রতিষ্ঠানে নিজের সম্পদ ব্যয় না করার জন্য অতীতে সমালোচিত ছিলেন বিশ্বের এই অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের। এই প্রথমবারের মতো তিনি প্রকাশ্যে দাতব্য প্রতিষ্ঠানে সম্পদ দান করার ঘোষণা দিলেন।
স্থানীয় সময় শনিবার সিএনএনের সাংবাদিক ক্লোই মেলাসকে এই সাক্ষাৎকার দেন জেফ বেজোস। সাক্ষাৎকারটি ধারণ করা হয়েছে ওয়াশিংটন ডিসিতে বেজোসের বাড়িতে। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সমাজসেবক লরেন সানচেজ।
বেজোস তাঁর জীবদ্দশাতেই সম্পদের সিংহভাগ দান করতে চান কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তা করব।’
বেজোস দাতব্য কাজে ব্যবহারের জন্য সংগীত তারকা ও জনহিতৈষী ডলি পার্টনকে ১০ কোটি ডলার দান করার পরে নিজের এই পরিকল্পনার কথা জানান। প্রায় ২০ মিনিটের সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক বিষয়, সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দা, মহাকাশভ্রমণের পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ইত্যাদি বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন জেফ বেজোস।
এর আগে বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ ধনী যেমন ওয়ারেন বাফেট, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং বেজোসের সাবেক স্ত্রী ম্যাকেনজি স্কট নিজেদের সম্পদ দান করার ঘোষণা দিয়েছেন। এত দিন বেজোস এ ধরনের ঘোষণা না দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনিও দাতব্য কাজে সম্পদ ব্যয়ের ঘোষণা দিলেন।
ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ১৯৯৪ সালে আমাজন প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর বিশ্বব্যাপী আমাজনের ব্যবসা সম্প্রসারিত হলে তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনীতে পরিণত হন। তবে ২০২১ সালে আমাজনের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বেজোস। এখন তিনি প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন। আমাজন ছাড়াও প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এবং মহাকাশ পর্যটন কোম্পানি ব্লু অরিজিনের মালিক জেফ বেজোস।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৪৩ মিনিট আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
২ ঘণ্টা আগে