
যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ফোর্বসের মর্যাদাপূর্ণ ৩০ বছরের কম বয়সী ৩০ উদ্যোক্তার তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ সাকিব জামাল। উত্তর আমেরিকা অঞ্চল থেকে ২০২৪ সালে ফোর্বসের এই বার্ষিক তালিকার ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (স্টার্টআপ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান) ক্যাটাগরিতে নাম এসেছে তাঁর।
বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিল্পকলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ও প্রতিশ্রুতিশীল ভূমিকা রাখা সারা বিশ্বের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এগিয়ে থাকা ৩০ জনকে নিয়ে প্রতিবছর ‘অনূর্ধ্ব ৩০’ তালিকা প্রস্তুত করে ফোর্বস। এই তালিকায় আসা তরুণ-তরুণীদের বয়সও হতে হয় ৩০-এর কম।
ফোর্বসের প্রতিবেদনে সাকিব জামাল সম্পর্কে বলা হয়েছে, ক্রসবিম ভেঞ্চারস পার্টনার্সে কর্মচারী হিসেবে ২০২০ সালে যোগদানের পর থেকে ফার্মের দ্রুত বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। এরপর গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান দুটি তহবিলে যোগ হয়েছে ২৮ কোটি ডলারের মুনাফা, যাতে প্রধান ভূমিকা ছিল সাকিব জামালের।
ক্রসবিম ভেঞ্চারসের ৯টি বিনিয়োগে সরাসরি জড়িত ছিলেন সাকিব জামাল। পাশাপাশি আরও ১৪টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন তিনি। কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৩ সালের জুনে দ্বিতীয় পদোন্নতি পেয়ে ফার্মটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হন তিনি।
সাকিব জামালের জন্ম বাংলাদেশে। এ দেশে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের স্কুলগামী শিশুদের সহায়তার উদ্দেশ্যেও কাজ করছেন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী সাকিব জামাল।
চলতি বছরের শুরুতে ক্রেইনস নিউইয়র্ক বিজনেস ‘টোয়েন্টি আন্ডার টোয়েন্টি’ তালিকায়ও ছিলেন সাকিব জামাল।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৭ ঘণ্টা আগে