আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্টেট ডিপার্টমেন্টের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক ব্যুরো (পিআরএম) এখন থেকে বিদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেবে। এর আগে এই কাজটি করত ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি)। ট্রাম্প প্রশাসন ইউএসএআইডি ভেঙে দেওয়ায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিআরএম-এর এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও কর্মী নেই। রয়টার্স এক অভ্যন্তরীণ তারবার্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে মিয়ানমারে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সাড়া দিতে দেরি হতে পারে।
ইউএসএআইডি-এর মানবিক সহায়তা ব্যুরো এবং ইউএস ফরেন ডিজাস্টার রিলিফ অফিসে প্রায় ৫২৫ জন বিশেষজ্ঞ কাজ করতেন। কিন্তু পিআরএম এদের মধ্যে মাত্র ২০ জনকে নিয়োগ দিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এই সংখ্যা পর্যাপ্ত নয় এবং পিআরএম-এর নেতৃত্বের বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় কোনো ধারণা নেই।
মানবাধিকার সংগঠন রিফিউজিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট জেরেমি কোনিন্ডিক বলেছেন, ‘পিআরএম কোনো অপারেশনাল সংস্থা নয়। তারা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে, কিন্তু এটি তাদের কাজ নয়।’ তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আসন্ন ক্যারিবীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্র অতীতের মতো দ্রুততার সঙ্গে দুর্যোগ সহায়তা দল পাঠাতে পারবে না। কোনিন্ডিক এর আগে ইউএস ফরেন ডিজাস্টার রিলিফ অফিসের পরিচালক ছিলেন।
গত ২৫ মার্চ মিয়ানমারে এক মারাত্মক ভূমিকম্পের পর ট্রাম্প প্রশাসন দেরিতে ও অপর্যাপ্ত সাড়া দেওয়ায় অনেক বিশেষজ্ঞ সমালোচনা করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য এই সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, মিয়ানমার একটি কঠিন জায়গা এবং সেখানকার সামরিক জান্তা যুক্তরাষ্ট্রকে পছন্দ করে না। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রই বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
এক তারবার্তায় বলা হয়েছে, পিআরএম-এর অনুমোদন পেলে প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত ত্রাণ দেওয়া যেতে পারে। অতিরিক্ত সাহায্যের জন্য অন্যান্য স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফিসের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ইউএসএআইডি ভেঙে ফেলার কারণে হাজার হাজার ঠিকাদারকে ছাঁটাই করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের জীবন রক্ষাকারী কর্মসূচিও বাতিল করা হয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
কোনিন্ডিক সতর্ক করে বলেছেন, ডিএআরটিএস-এর কার্যপদ্ধতি পিআরএম-তে নকল করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘তারা কেবল একটি ‘পটেমকিন ডিএআরটি’ বা ছোট আকারের ডিএআরটি তৈরি করার চেষ্টা করছে।’ এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের দুর্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সাড়াদানের সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্টেট ডিপার্টমেন্টের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক ব্যুরো (পিআরএম) এখন থেকে বিদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেবে। এর আগে এই কাজটি করত ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি)। ট্রাম্প প্রশাসন ইউএসএআইডি ভেঙে দেওয়ায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিআরএম-এর এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও কর্মী নেই। রয়টার্স এক অভ্যন্তরীণ তারবার্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে মিয়ানমারে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সাড়া দিতে দেরি হতে পারে।
ইউএসএআইডি-এর মানবিক সহায়তা ব্যুরো এবং ইউএস ফরেন ডিজাস্টার রিলিফ অফিসে প্রায় ৫২৫ জন বিশেষজ্ঞ কাজ করতেন। কিন্তু পিআরএম এদের মধ্যে মাত্র ২০ জনকে নিয়োগ দিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এই সংখ্যা পর্যাপ্ত নয় এবং পিআরএম-এর নেতৃত্বের বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় কোনো ধারণা নেই।
মানবাধিকার সংগঠন রিফিউজিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট জেরেমি কোনিন্ডিক বলেছেন, ‘পিআরএম কোনো অপারেশনাল সংস্থা নয়। তারা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে, কিন্তু এটি তাদের কাজ নয়।’ তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আসন্ন ক্যারিবীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্র অতীতের মতো দ্রুততার সঙ্গে দুর্যোগ সহায়তা দল পাঠাতে পারবে না। কোনিন্ডিক এর আগে ইউএস ফরেন ডিজাস্টার রিলিফ অফিসের পরিচালক ছিলেন।
গত ২৫ মার্চ মিয়ানমারে এক মারাত্মক ভূমিকম্পের পর ট্রাম্প প্রশাসন দেরিতে ও অপর্যাপ্ত সাড়া দেওয়ায় অনেক বিশেষজ্ঞ সমালোচনা করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য এই সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, মিয়ানমার একটি কঠিন জায়গা এবং সেখানকার সামরিক জান্তা যুক্তরাষ্ট্রকে পছন্দ করে না। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রই বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
এক তারবার্তায় বলা হয়েছে, পিআরএম-এর অনুমোদন পেলে প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত ত্রাণ দেওয়া যেতে পারে। অতিরিক্ত সাহায্যের জন্য অন্যান্য স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফিসের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ইউএসএআইডি ভেঙে ফেলার কারণে হাজার হাজার ঠিকাদারকে ছাঁটাই করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের জীবন রক্ষাকারী কর্মসূচিও বাতিল করা হয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
কোনিন্ডিক সতর্ক করে বলেছেন, ডিএআরটিএস-এর কার্যপদ্ধতি পিআরএম-তে নকল করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘তারা কেবল একটি ‘পটেমকিন ডিএআরটি’ বা ছোট আকারের ডিএআরটি তৈরি করার চেষ্টা করছে।’ এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের দুর্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সাড়াদানের সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে