
কট্টরপন্থীদের রিপাবলিকানদের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের গতকাল শনিবার পাস হয়েছে ইউক্রেন, ইসরায়েল ও তাইওয়ানের জন্য ৯৫ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ সাড়ে ৯ হাজার কোটি ডলারের নিরাপত্তা সহায়তা বিল। বিলটি এখন পাঠানো হয়েছে ডেমোক্রেটিক সংখ্যাগরিষ্ঠ উচ্চকক্ষ সিনেটে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
সিনেটে এই ধরনের একটি বিল পাস করার পর কেটে গেছে দুই মাসেরও বেশি সময়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে সিনেটের শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল পর্যন্ত আইন প্রণেতারা বিলটিকে ঘিরে ভোট আয়োজনের জন্য হাউস স্পিকার মাইক জনসনকে আহ্বান জানিয়ে আসছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে বিলটি সিনেটে ৭০ শতাংশ সমর্থন পেলেও আটকে গিয়েছিল নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসে। রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের ইউক্রেনে সহায়তা দেওয়ায় আপত্তির কারণেই মূলত বিলটি আটকে ছিল।
সিনেটে আগামী মঙ্গলবার বিলটি পাসের জন্য তোলা হবে। সেদিন বিকেলেই হবে এ-সংক্রান্ত প্রাথমিক ভোট। পরবর্তী কাজ আগামী সপ্তাহে হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জন্য বিলটিতে স্বাক্ষর করে আইনে পরিণত করার পথ সুগম হবে।
ইউক্রেনের জন্য প্রায় ছয় হাজার কোটি ডলার তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়েছে বিলটিতে; যেখানে ইউক্রেন সেনাদের গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে। এই অর্থের বেশির ভাগই ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে সমর্থন করার জন্য এবং ফ্রন্টলাইনে পাঠানো অস্ত্র ও সরঞ্জামের মার্কিন সরবরাহ পুনরায় শুরু করতে ব্যয় করা হবে।
আরও ২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও মার্কিন সামরিক অভিযানের জন্য ব্যয় হবে। আর চীনের আগ্রাসন প্রতিরোধ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তাইওয়ানসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন অংশীদারদের সহায়তা করতে ব্যয় করা হবে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার।
এ ছাড়া ইউক্রেন, ইসরায়েল ও গাজায় মানবিক সহায়তার জন্য প্রায় ৯০০ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জনসংখ্যা অনাহারে রয়েছে এবং ভূখণ্ডের একটি বড় অংশ ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
দ্বিদলীয় ভোটে ২১০ জন ডেমোক্র্যাট এবং ১০১ জন রিপাবলিকান ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১১২ জন রিপাবলিকান। পক্ষে মোট ভোট পড়েছে ৩১১ এবং বিপক্ষে ১১২।
কট্টরপন্থী রিপাবলিকানরা ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার তীব্র সমালোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের যুক্তি, ৩৪ লাখ কোটি ডলারের জাতীয় ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই এই সহায়তা দিতে পারে না। তাঁরা বারবার মাইক জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
উগ্র ডানপন্থী রিপাবলিকান প্রতিনিধি মার্জোরি টেলর গ্রিন ভোটের পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাইক জনসন একজন খোঁড়া হাঁস...সে শেষ হয়ে গেছে।’
অন্যদিকে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সর্বদা বিশ্বব্যাপী তাৎপর্যপূর্ণ থাকবে এবং যতক্ষণ আমেরিকা এটিকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে, ততক্ষণ এটি কখনোই ব্যর্থ হবে না।’
জেলেনস্কি বলেন, এই সাহায্য যুদ্ধকে সম্প্রসারণ থেকে রক্ষা করবে এবং হাজার হাজার জীবন বাঁচাবে।
সহায়তা বিল পাসের পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। তিনি বলেছেন, ‘এই সহায়তা আমেরিকাকে সমৃদ্ধ করবে, তবে ইউক্রেনকে আরও ধ্বংস করবে এবং এর ফলে আরও বেশি ইউক্রেনীয়দের মৃত্যু হবে।’

কট্টরপন্থীদের রিপাবলিকানদের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের গতকাল শনিবার পাস হয়েছে ইউক্রেন, ইসরায়েল ও তাইওয়ানের জন্য ৯৫ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ সাড়ে ৯ হাজার কোটি ডলারের নিরাপত্তা সহায়তা বিল। বিলটি এখন পাঠানো হয়েছে ডেমোক্রেটিক সংখ্যাগরিষ্ঠ উচ্চকক্ষ সিনেটে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
সিনেটে এই ধরনের একটি বিল পাস করার পর কেটে গেছে দুই মাসেরও বেশি সময়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে সিনেটের শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল পর্যন্ত আইন প্রণেতারা বিলটিকে ঘিরে ভোট আয়োজনের জন্য হাউস স্পিকার মাইক জনসনকে আহ্বান জানিয়ে আসছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে বিলটি সিনেটে ৭০ শতাংশ সমর্থন পেলেও আটকে গিয়েছিল নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসে। রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের ইউক্রেনে সহায়তা দেওয়ায় আপত্তির কারণেই মূলত বিলটি আটকে ছিল।
সিনেটে আগামী মঙ্গলবার বিলটি পাসের জন্য তোলা হবে। সেদিন বিকেলেই হবে এ-সংক্রান্ত প্রাথমিক ভোট। পরবর্তী কাজ আগামী সপ্তাহে হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জন্য বিলটিতে স্বাক্ষর করে আইনে পরিণত করার পথ সুগম হবে।
ইউক্রেনের জন্য প্রায় ছয় হাজার কোটি ডলার তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়েছে বিলটিতে; যেখানে ইউক্রেন সেনাদের গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে। এই অর্থের বেশির ভাগই ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে সমর্থন করার জন্য এবং ফ্রন্টলাইনে পাঠানো অস্ত্র ও সরঞ্জামের মার্কিন সরবরাহ পুনরায় শুরু করতে ব্যয় করা হবে।
আরও ২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও মার্কিন সামরিক অভিযানের জন্য ব্যয় হবে। আর চীনের আগ্রাসন প্রতিরোধ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তাইওয়ানসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন অংশীদারদের সহায়তা করতে ব্যয় করা হবে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার।
এ ছাড়া ইউক্রেন, ইসরায়েল ও গাজায় মানবিক সহায়তার জন্য প্রায় ৯০০ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জনসংখ্যা অনাহারে রয়েছে এবং ভূখণ্ডের একটি বড় অংশ ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
দ্বিদলীয় ভোটে ২১০ জন ডেমোক্র্যাট এবং ১০১ জন রিপাবলিকান ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১১২ জন রিপাবলিকান। পক্ষে মোট ভোট পড়েছে ৩১১ এবং বিপক্ষে ১১২।
কট্টরপন্থী রিপাবলিকানরা ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার তীব্র সমালোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের যুক্তি, ৩৪ লাখ কোটি ডলারের জাতীয় ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই এই সহায়তা দিতে পারে না। তাঁরা বারবার মাইক জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
উগ্র ডানপন্থী রিপাবলিকান প্রতিনিধি মার্জোরি টেলর গ্রিন ভোটের পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাইক জনসন একজন খোঁড়া হাঁস...সে শেষ হয়ে গেছে।’
অন্যদিকে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সর্বদা বিশ্বব্যাপী তাৎপর্যপূর্ণ থাকবে এবং যতক্ষণ আমেরিকা এটিকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে, ততক্ষণ এটি কখনোই ব্যর্থ হবে না।’
জেলেনস্কি বলেন, এই সাহায্য যুদ্ধকে সম্প্রসারণ থেকে রক্ষা করবে এবং হাজার হাজার জীবন বাঁচাবে।
সহায়তা বিল পাসের পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। তিনি বলেছেন, ‘এই সহায়তা আমেরিকাকে সমৃদ্ধ করবে, তবে ইউক্রেনকে আরও ধ্বংস করবে এবং এর ফলে আরও বেশি ইউক্রেনীয়দের মৃত্যু হবে।’

তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৪২ মিনিট আগে
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ভিসা রয়েছে প্রায় ৮ হাজারের বেশি। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়...
৪ ঘণ্টা আগে
কানাডার সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের জন্য পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভার্চুয়াল অ্যাম্বাসি’ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘এখনই ইরান ত্যাগ করুন।’ এতে আরও বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর না করে ইরান ছাড়ার জন্য নিজস্ব পরিকল্পনা রাখুন।’
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, তাঁর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। চাইলে ওয়াশিংটন ‘যাচাই’ করে দেখতে পারে। তবে ইরান আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনের জবাবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার...
৫ ঘণ্টা আগে