আজকের পত্রিকা ডেস্ক

লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ একাধিক জায়গায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর আন্তর্জাতিক আইনের কোনো তোয়াক্কা না করেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে। ধরে নিয়ে যাওয়ার পর নিউইয়র্কে মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিইএর কার্যালয়ে নেওয়া হয় তাঁকে। মার্কিন বাহিনী প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ‘গুড নাইট’ ও ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ বলছেন মাদুরো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, এক নতুন ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলা মাদুরোকে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বা ডিইএর সদর দপ্তরের ভেতরে নিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর এক আকস্মিক অভিযানে মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বন্দী হন। জানা গেছে, ভোরের আলো ফোটার আগে যখন এই অভিযান চালানো হয়, তখন তাঁরা কারাকাসের অত্যন্ত সুরক্ষিত ফোর্ট টিউনা সামরিক কম্পাউন্ডের ভেতরে নিজেদের বাসভবনে ঘুমাচ্ছিলেন।
হোয়াইট হাউসের অফিশিয়াল র্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্ট র্যাপিড রেসপন্স-৪৭ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে লোয়ার ম্যানহাটানের ডিইএ অফিসে মাদুরোকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ৬৩ বছর বয়সী এই নেতার হাতে হাতকড়া, পরনে কালো হুডি। ডিইএ এনওয়াইডি—লেখা নীল কার্পেট বিছানো একটি করিডর দিয়ে তিনি হেঁটে যাচ্ছেন। ঘরের ভেতর থাকা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তাঁকে ‘গুড নাইট’ এবং ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ বলতেও শোনা যায়।
অন্য এক ভিডিওতে মাদুরোকে আমেরিকার মাটিতে নামতে দেখা যায়। শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমে তাঁকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে পরে পাঠানো হয় নিউইয়র্ক সিটিতে। মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘নারকো-টেররিজম’ বা মাদক সন্ত্রাস, যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ কোকেন পাচার এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ডিইএ অফিস থেকে মাদুরোকে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটি একটি ফেডারেল কারাগার। উল্লেখ্য, গত বছর বিচারের সময় র্যাপার শন ‘ডিডি’ কম্বসকেও এই একই জেলে রাখা হয়েছিল।

লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ একাধিক জায়গায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর আন্তর্জাতিক আইনের কোনো তোয়াক্কা না করেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে। ধরে নিয়ে যাওয়ার পর নিউইয়র্কে মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিইএর কার্যালয়ে নেওয়া হয় তাঁকে। মার্কিন বাহিনী প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ‘গুড নাইট’ ও ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ বলছেন মাদুরো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, এক নতুন ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলা মাদুরোকে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বা ডিইএর সদর দপ্তরের ভেতরে নিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর এক আকস্মিক অভিযানে মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বন্দী হন। জানা গেছে, ভোরের আলো ফোটার আগে যখন এই অভিযান চালানো হয়, তখন তাঁরা কারাকাসের অত্যন্ত সুরক্ষিত ফোর্ট টিউনা সামরিক কম্পাউন্ডের ভেতরে নিজেদের বাসভবনে ঘুমাচ্ছিলেন।
হোয়াইট হাউসের অফিশিয়াল র্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্ট র্যাপিড রেসপন্স-৪৭ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে লোয়ার ম্যানহাটানের ডিইএ অফিসে মাদুরোকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ৬৩ বছর বয়সী এই নেতার হাতে হাতকড়া, পরনে কালো হুডি। ডিইএ এনওয়াইডি—লেখা নীল কার্পেট বিছানো একটি করিডর দিয়ে তিনি হেঁটে যাচ্ছেন। ঘরের ভেতর থাকা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তাঁকে ‘গুড নাইট’ এবং ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ বলতেও শোনা যায়।
অন্য এক ভিডিওতে মাদুরোকে আমেরিকার মাটিতে নামতে দেখা যায়। শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমে তাঁকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে পরে পাঠানো হয় নিউইয়র্ক সিটিতে। মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘নারকো-টেররিজম’ বা মাদক সন্ত্রাস, যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ কোকেন পাচার এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ডিইএ অফিস থেকে মাদুরোকে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটি একটি ফেডারেল কারাগার। উল্লেখ্য, গত বছর বিচারের সময় র্যাপার শন ‘ডিডি’ কম্বসকেও এই একই জেলে রাখা হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি যদি রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখে, তবে ওয়াশিংটন ভারতের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে দেবে। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানতেন যে ‘তিনি (ট্রাম্প) খুশি নন’ এবং নয়াদিল্লি তাঁকে ‘খুশি করতে’ চেয়েছিল।
১৬ মিনিট আগে
কারাকাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার সময় নিজেদের ৩২ জন নাগরিকের মৃত্যুর কথা ঘোষণা করেছে কিউবা সরকার। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, কিউবায় হামলা চালানোর দরকার নেই। দেশটি এমনিতেই পড়ে যাবে।
১ ঘণ্টা আগে
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ভেনেজুয়েলার নেতাকে বন্দি করার ঘটনার প্রেক্ষাপটে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে হুমকি দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন যে, কিউবার সরকারেরও খুব শিগগির পতন হতে যাচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় বাড়ছে হতাহতের ঘটনা। এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে