
‘ফিলিস্তিনের গাজায় যেখানে গণহত্যা চালানো হয়েছে কিংবা বোমাবর্ষণ হয়েছে, খবর সংগ্রহে সেখানে যেতে আমরা ভয় পাই। কারণ, একই স্থানে আবারও হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল। প্রতিটি মুহূর্ত বিপদের। সাইদ আল-তাওয়েল, মোহাম্মদ সুব ও হিশাম আলনওয়াজার মতো আমাদের সহকর্মীরা তাঁদের জীবন দিয়ে এই মূল্য চুকিয়েছে।’ গাজা উপত্যকার একটি সাইবার ক্যাফেতে বসে এসব কথা বলছিলেন ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিক রাকান আবদেল রহমান।
তিনি ওই ক্যাফেতে বসেই তাঁর প্রতিবেদন লেখা কিংবা ছবি ও ভিডিও পাঠানোর কাজ করেন। এ সময় তাঁর পরনে ‘প্রেস’ লেখা একটি ভেস্ট দেখা যায়। তিনি জানান, যেকোনো মুহূর্তে আবার তাঁকে ঘটনাস্থলে যেতে হতে পারে। তাই এই প্রস্তুতি। ইসরায়েলের অব্যাহত বোমা হামলা ও অবরোধের কারণে গাজা উপত্যকায় ইন্টারনেট ও বিদ্যুতের সুবিধা নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তথ্য পাঠানো সাংবাদিকদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। আবদেল রহমান বলেন, ‘বাজে ইন্টারনেট সংযোগ এবং বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে আমরা রিয়েল টাইমে রিপোর্ট করতে পারি না। এমনকি রিপোর্ট করার মতো উপযুক্ত কোনো জায়গাও নেই এখানে। অনেক সময় প্রেস ভেস্ট ও হেলমেট পরা সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরায়েলি বাহিনী।’
কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানায়, ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় অন্তত ১১ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইদ আল-তাওয়েল, মোহাম্মদ সুব ও হিশাম আলনওয়াজার নামের ওই তিন সাংবাদিক ১০ অক্টোবর ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। ওই দিন গাজায় বোমা হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া একটি ভবনের ছবি তুলছিলেন তাঁরা। ওই ভবন থেকে সাংবাদিকেরা প্রায় ১০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন করে সাংবাদিকদের কাছাকাছি একটি ভবনে হামলা চালায়। এতে ওই তিন সাংবাদিক নিহত হন।

‘ফিলিস্তিনের গাজায় যেখানে গণহত্যা চালানো হয়েছে কিংবা বোমাবর্ষণ হয়েছে, খবর সংগ্রহে সেখানে যেতে আমরা ভয় পাই। কারণ, একই স্থানে আবারও হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল। প্রতিটি মুহূর্ত বিপদের। সাইদ আল-তাওয়েল, মোহাম্মদ সুব ও হিশাম আলনওয়াজার মতো আমাদের সহকর্মীরা তাঁদের জীবন দিয়ে এই মূল্য চুকিয়েছে।’ গাজা উপত্যকার একটি সাইবার ক্যাফেতে বসে এসব কথা বলছিলেন ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিক রাকান আবদেল রহমান।
তিনি ওই ক্যাফেতে বসেই তাঁর প্রতিবেদন লেখা কিংবা ছবি ও ভিডিও পাঠানোর কাজ করেন। এ সময় তাঁর পরনে ‘প্রেস’ লেখা একটি ভেস্ট দেখা যায়। তিনি জানান, যেকোনো মুহূর্তে আবার তাঁকে ঘটনাস্থলে যেতে হতে পারে। তাই এই প্রস্তুতি। ইসরায়েলের অব্যাহত বোমা হামলা ও অবরোধের কারণে গাজা উপত্যকায় ইন্টারনেট ও বিদ্যুতের সুবিধা নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তথ্য পাঠানো সাংবাদিকদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। আবদেল রহমান বলেন, ‘বাজে ইন্টারনেট সংযোগ এবং বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে আমরা রিয়েল টাইমে রিপোর্ট করতে পারি না। এমনকি রিপোর্ট করার মতো উপযুক্ত কোনো জায়গাও নেই এখানে। অনেক সময় প্রেস ভেস্ট ও হেলমেট পরা সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরায়েলি বাহিনী।’
কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানায়, ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় অন্তত ১১ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইদ আল-তাওয়েল, মোহাম্মদ সুব ও হিশাম আলনওয়াজার নামের ওই তিন সাংবাদিক ১০ অক্টোবর ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। ওই দিন গাজায় বোমা হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া একটি ভবনের ছবি তুলছিলেন তাঁরা। ওই ভবন থেকে সাংবাদিকেরা প্রায় ১০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন করে সাংবাদিকদের কাছাকাছি একটি ভবনে হামলা চালায়। এতে ওই তিন সাংবাদিক নিহত হন।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৫ মিনিট আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
২৫ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৩ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৪ ঘণ্টা আগে