
ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজায় হামাসের হাতে জিম্মি এক ইসরায়েলি-ব্রিটিশ নাগরিক মারা গেছেন। এক ভিডিওতে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কুদস ব্রিগেড এ তথ্য জানিয়েছে। ওই ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি গত ৭ অক্টোবর থেকে হামাসের জিম্মায় ছিলেন। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়া ওই ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকের নাম নাদাভ পপলওয়েল। গতকাল শনিবার ইজ্জুদ্দিন আল-কাসাম ব্রিগেড ১১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করে। যেখানে বন্দী নাদাভ পপলওয়েলকে জীবিত এবং নিজের পরিচয় দিতে দেখা গেছে।
ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তি নিজেকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কিব্বুৎজ নিরিমের বাসিন্দা ৫১ বছর বয়সী পপলওয়েল হিসাবে পরিচয় দেন। তাঁর চোখের আশপাশে কালো দেখা গেলেও তাঁর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। এ সময় ভিডিওতে আরবি ও হিব্রু ভাষায় লেখা ভাসতে থাকে এবং নেপথ্যে উচ্চারিত হতে থাকে, ‘সময় ফুরিয়ে আসছে। আপনার সরকার মিথ্যা বলছে।’
প্রকাশিত ভিডিওতে হামাস দাবি করেছে যে, পপলওয়েল ইসরায়েলি হামলায় অনেক আগেই আহত হন এবং পরে শনিবার মারা যান। আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা এক পৃথক বিবৃতিতে বলেন, ‘নাদাভ পপলওয়েল একজন ব্রিটিশ নাগরিক। যিনি এক মাস আগে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের (ইসরায়েলের) বিমান হামলার কারণে গুরুতর আহত হয়ে আজ (১১ মে) মারা গেছেন। তাঁর স্বাস্থ্যের ব্যাপক অবনতি হয়েছিল। কারণ তিনি নিবিড় চিকিৎসাসেবা পাননি। কারণ শত্রুরা গাজা উপত্যকা হাসপাতাল ধ্বংস করেছে।’
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি এক সংবাদ সম্মেলনে পপলওয়েলের কথা উল্লেখ না করে জানান, ইসরায়েলি সেনারা এখনো জিম্মিদের বাড়ি ফিরিয়ে আনতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিটি যোদ্ধা ও কমান্ডার জিম্মিদের কল্পনা করেন, তাদের দেখেন, তাদের কথা ভাবেন এবং তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রতিনিয়ত সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন।’

ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজায় হামাসের হাতে জিম্মি এক ইসরায়েলি-ব্রিটিশ নাগরিক মারা গেছেন। এক ভিডিওতে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কুদস ব্রিগেড এ তথ্য জানিয়েছে। ওই ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি গত ৭ অক্টোবর থেকে হামাসের জিম্মায় ছিলেন। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়া ওই ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকের নাম নাদাভ পপলওয়েল। গতকাল শনিবার ইজ্জুদ্দিন আল-কাসাম ব্রিগেড ১১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করে। যেখানে বন্দী নাদাভ পপলওয়েলকে জীবিত এবং নিজের পরিচয় দিতে দেখা গেছে।
ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তি নিজেকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কিব্বুৎজ নিরিমের বাসিন্দা ৫১ বছর বয়সী পপলওয়েল হিসাবে পরিচয় দেন। তাঁর চোখের আশপাশে কালো দেখা গেলেও তাঁর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। এ সময় ভিডিওতে আরবি ও হিব্রু ভাষায় লেখা ভাসতে থাকে এবং নেপথ্যে উচ্চারিত হতে থাকে, ‘সময় ফুরিয়ে আসছে। আপনার সরকার মিথ্যা বলছে।’
প্রকাশিত ভিডিওতে হামাস দাবি করেছে যে, পপলওয়েল ইসরায়েলি হামলায় অনেক আগেই আহত হন এবং পরে শনিবার মারা যান। আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা এক পৃথক বিবৃতিতে বলেন, ‘নাদাভ পপলওয়েল একজন ব্রিটিশ নাগরিক। যিনি এক মাস আগে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের (ইসরায়েলের) বিমান হামলার কারণে গুরুতর আহত হয়ে আজ (১১ মে) মারা গেছেন। তাঁর স্বাস্থ্যের ব্যাপক অবনতি হয়েছিল। কারণ তিনি নিবিড় চিকিৎসাসেবা পাননি। কারণ শত্রুরা গাজা উপত্যকা হাসপাতাল ধ্বংস করেছে।’
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি এক সংবাদ সম্মেলনে পপলওয়েলের কথা উল্লেখ না করে জানান, ইসরায়েলি সেনারা এখনো জিম্মিদের বাড়ি ফিরিয়ে আনতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিটি যোদ্ধা ও কমান্ডার জিম্মিদের কল্পনা করেন, তাদের দেখেন, তাদের কথা ভাবেন এবং তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রতিনিয়ত সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন।’

ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৮ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৩ ঘণ্টা আগে