
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস অধিকৃত পশ্চিম তীরের প্রায় সব গভর্নরকে বরখাস্ত করেছেন। স্বায়ত্তশানে ব্যর্থতা ও ফিলিস্তিনিতের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তনের লক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আব্বাস এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
পশ্চিম এলাকায় ফিলিস্তিন প্রশাসনের আওতাধীন আটটি প্রদেশের গভর্নরদের বরখাস্ত করে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন আব্বাস। এদের মধ্য রয়েছেন নাবলুস, জেনিন ও তুলকারেম, কালকিলিয়া, বেথলেহেম, হেব্রন, তুবাস এবং জেরিকো গভর্নরেরা।
এসব এলাকায় সম্প্রতি ‘জেনিন ব্রিগেডে’র উত্থান হয়েছে, এই বাহিনী মাহমুদ আব্বাসের নীতিকে অবজ্ঞা করায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বরখাস্ত করা গভর্নরদের স্থলে নতুন গর্ভনর নিয়োগের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছেন মাহমুদ আব্বাস। তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের রাজধানী রামাল্লাসহ তিনটি প্রদেশের গভর্নর দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।
তবে গভর্নরদের বরখাস্ত করা হলেও বাস্তব অবস্থার কোনো উন্নতি হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতি ফিলিস্তিনিদের তেমন কোনো সমর্থন নেই। এ ছাড়া ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি সরকার নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা আরও কমিয়ে দিয়েছে।
আব্বাস তার ডিক্রির মাধ্যমে গাজা উপত্যকার চার গভর্নরকেও বরখাস্ত করেছেন। তবে এর বাস্তব কোনো প্রভাব নেই। কারণ ২০০৭ সালে হামাস উপত্যকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এখানে আব্বাসের শাসনক্ষমতা কেবল প্রতীকীভাবেই রয়েছে।

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস অধিকৃত পশ্চিম তীরের প্রায় সব গভর্নরকে বরখাস্ত করেছেন। স্বায়ত্তশানে ব্যর্থতা ও ফিলিস্তিনিতের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তনের লক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আব্বাস এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
পশ্চিম এলাকায় ফিলিস্তিন প্রশাসনের আওতাধীন আটটি প্রদেশের গভর্নরদের বরখাস্ত করে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন আব্বাস। এদের মধ্য রয়েছেন নাবলুস, জেনিন ও তুলকারেম, কালকিলিয়া, বেথলেহেম, হেব্রন, তুবাস এবং জেরিকো গভর্নরেরা।
এসব এলাকায় সম্প্রতি ‘জেনিন ব্রিগেডে’র উত্থান হয়েছে, এই বাহিনী মাহমুদ আব্বাসের নীতিকে অবজ্ঞা করায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বরখাস্ত করা গভর্নরদের স্থলে নতুন গর্ভনর নিয়োগের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছেন মাহমুদ আব্বাস। তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের রাজধানী রামাল্লাসহ তিনটি প্রদেশের গভর্নর দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।
তবে গভর্নরদের বরখাস্ত করা হলেও বাস্তব অবস্থার কোনো উন্নতি হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতি ফিলিস্তিনিদের তেমন কোনো সমর্থন নেই। এ ছাড়া ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি সরকার নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা আরও কমিয়ে দিয়েছে।
আব্বাস তার ডিক্রির মাধ্যমে গাজা উপত্যকার চার গভর্নরকেও বরখাস্ত করেছেন। তবে এর বাস্তব কোনো প্রভাব নেই। কারণ ২০০৭ সালে হামাস উপত্যকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এখানে আব্বাসের শাসনক্ষমতা কেবল প্রতীকীভাবেই রয়েছে।

ইরানে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় বাড়ছে হতাহতের ঘটনা। এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলা থেকে গ্রেপ্তারের পর নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক ভয়ংকর কারাগারে নেওয়া হয়েছে। শিগগির তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। এদিকে মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি শপ
৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পরিবারকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য প্রকাশিত অভিযোগপত্রে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস এবং ছেলে নিকোলাস এরনেস্তো মাদুরো গেরার বিরুদ্ধে মাদক পাচার, নার্কো-সন্ত্রাসবাদ এবং
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে আটক করার পর দেশটি বর্তমানে কে পরিচালনা করছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। রোববার (৪ জানুয়ারি) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ অংশ নিয়ে তিনি এই প্রশ্ন
৯ ঘণ্টা আগে