
ব্রাজিলে সহকর্মীর হাতে এক নববধূ খুন হওয়ার ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত সিনথিয়া রিবেরিও বার্বোসা (৩৮) ও অভিযুক্ত মার্সেলো জুনিয়র বাস্তোস সান্তোস একটি কেয়ার-গিভার সেন্টারে কাজ করতেন। জোর করে চুমু দিতে গেলে মার্সেলো তাকে চড় দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সান্তোস তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম দ্য পিপলের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ বলছে, মাত্র ৮ দিন আগে বিবাহিত এই নারীকে প্রতিদিন কর্মস্থলে রেখে আসতেন তাঁর স্বামী। ঘটনার দিন কাজ শেষে হলেও সিনথিয়া বাড়িতে ফিরেননি। তার ফোনে কল করেও পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর তিনি থানায় অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কার্লোস আলফামা বলেন, ‘আমরা যখন তদন্তে যাই, পাশের একটি বিল্ডিংয়ের উঠানে মাটি খোঁড়া ছিল। একটি বৈদ্যুতিক বেড়া ভাঙা ছিল। এ দেখেই আমাদের সন্দেহ হয়। আমরা ধারণা করেছিলাম, সে (মার্সেলো) কারও সাহায্য নিয়ে লাশ পাশের বিল্ডিংয়ে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মার্সেলো একাই এ কাজ করেছে।’
তদন্তের পর পুলিশ সান্তোসকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সিনথিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। মার্সেলো জানান, সিনথিয়াকে চুমু খেতে চাইলে সে অস্বীকৃতি জানায় এবং তাকে চড় মারেন। এরপর তিনি তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম জি-১ জানায়, কেয়ার-গিভার সেন্টারে ব্যবহৃত ডায়াপার টেপ দিয়ে সিনথিয়ার হাত বাঁধেন মার্সেলো। হত্যার পর লাশ পাশের একটি ভবনে লুকিয়ে রাখেন। পরে পুলিশ তা খুঁজে বের করে।
কর্মকর্তা কার্লোস আলফামা বলেন, ‘অজ্ঞান হয়ে গেলে মার্সেলো ভেবেছিল সিনথিয়া মারা গেছে। তখন সে অন্য রুমে চলে যায়। কিন্তু পরক্ষণেই তার মনে হয়, সিনথিয়া এখনো বেঁচে আছে এবং পালানোর চেষ্টা করছে। তখন সে আবারও সিনথিয়াকে ধরে ফেলে। মাস্কিং টেপ দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সে এভাবেই চেপে ধরে থাকে।’
সিনথিয়ার স্বামী জানান, ৮ দিন আগে তাদের বিয়ে হয়। প্রতিদিন তিনি সিনথিয়াকে কর্মস্থলে রেখে আসতেন। সেদিন কাজ শেষে হলেও সিনথিয়া বাড়িতে ফিরেননি। তার ফোনে কল করেও পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর তিনি পুলিশে অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

ব্রাজিলে সহকর্মীর হাতে এক নববধূ খুন হওয়ার ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত সিনথিয়া রিবেরিও বার্বোসা (৩৮) ও অভিযুক্ত মার্সেলো জুনিয়র বাস্তোস সান্তোস একটি কেয়ার-গিভার সেন্টারে কাজ করতেন। জোর করে চুমু দিতে গেলে মার্সেলো তাকে চড় দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সান্তোস তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম দ্য পিপলের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ বলছে, মাত্র ৮ দিন আগে বিবাহিত এই নারীকে প্রতিদিন কর্মস্থলে রেখে আসতেন তাঁর স্বামী। ঘটনার দিন কাজ শেষে হলেও সিনথিয়া বাড়িতে ফিরেননি। তার ফোনে কল করেও পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর তিনি থানায় অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কার্লোস আলফামা বলেন, ‘আমরা যখন তদন্তে যাই, পাশের একটি বিল্ডিংয়ের উঠানে মাটি খোঁড়া ছিল। একটি বৈদ্যুতিক বেড়া ভাঙা ছিল। এ দেখেই আমাদের সন্দেহ হয়। আমরা ধারণা করেছিলাম, সে (মার্সেলো) কারও সাহায্য নিয়ে লাশ পাশের বিল্ডিংয়ে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মার্সেলো একাই এ কাজ করেছে।’
তদন্তের পর পুলিশ সান্তোসকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সিনথিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। মার্সেলো জানান, সিনথিয়াকে চুমু খেতে চাইলে সে অস্বীকৃতি জানায় এবং তাকে চড় মারেন। এরপর তিনি তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম জি-১ জানায়, কেয়ার-গিভার সেন্টারে ব্যবহৃত ডায়াপার টেপ দিয়ে সিনথিয়ার হাত বাঁধেন মার্সেলো। হত্যার পর লাশ পাশের একটি ভবনে লুকিয়ে রাখেন। পরে পুলিশ তা খুঁজে বের করে।
কর্মকর্তা কার্লোস আলফামা বলেন, ‘অজ্ঞান হয়ে গেলে মার্সেলো ভেবেছিল সিনথিয়া মারা গেছে। তখন সে অন্য রুমে চলে যায়। কিন্তু পরক্ষণেই তার মনে হয়, সিনথিয়া এখনো বেঁচে আছে এবং পালানোর চেষ্টা করছে। তখন সে আবারও সিনথিয়াকে ধরে ফেলে। মাস্কিং টেপ দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সে এভাবেই চেপে ধরে থাকে।’
সিনথিয়ার স্বামী জানান, ৮ দিন আগে তাদের বিয়ে হয়। প্রতিদিন তিনি সিনথিয়াকে কর্মস্থলে রেখে আসতেন। সেদিন কাজ শেষে হলেও সিনথিয়া বাড়িতে ফিরেননি। তার ফোনে কল করেও পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর তিনি পুলিশে অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে বিক্ষোভকারীরা সহিংস কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ’ অভিহিত করে তিনি বলেন, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
২৯ মিনিট আগে
ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১০ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে