
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ ভবন’ নামের জাদুঘরটি গত আগস্ট থেকে আর খোলা হয়নি। শুক্রবার ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে ভবনটি।
ছয় বছরেরও বেশি সময় আগে ২০১৮ সালের ২৫ মে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করা হয়েছিল। বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকেই বাংলাদেশ ভবনে একটি সংগ্রহশালার যাত্রা শুরু হয়েছিল।
বাংলাদেশের অর্থায়নে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪০ হাজার বর্গফুটের ওই ভবনটি নির্মিত হয়েছিল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বহু তথ্য, নথি ও নিদর্শন রয়েছে সেখানে। উদ্বোধনের পর এই জাদুঘর পরিচালনা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ওই টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখা হবে এবং এর থেকে পাওয়া সুদে ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ হবে।
ভবনটির সংগ্রহশালা ছাড়াও রয়েছে গ্রন্থাগার, সভাকক্ষ এবং প্রেক্ষাগৃহ। দুই বাংলার ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণারও বন্দোবস্ত রয়েছে সেখানে। বহু পর্যটক শান্তিনিকেতনে গেলে খুব আগ্রহ নিয়ে বাংলাদেশ ভবনও দেখতে যান।
হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ভবন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভবনটি কবে খুলে দেওয়া হবে—এই প্রশ্নের উত্তর নেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে ভবনটির অফিস ও গ্রন্থাগার খোলা রাখা আছে শিক্ষার্থীদের জন্য।
বাংলাদেশ ভবন নিয়ে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি ভবন সংক্রান্ত বেশ কিছু পরিকল্পনাও রাতারাতি বাতিল করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বাংলাদেশি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও নাট্যোৎসব বাতিল করা হয়েছে।
বিশ্বভারতীর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত প্রদর্শনীর পাশাপাশি জাদুঘরটিতে বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও শেখ হাসিনার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি ও প্রতিকৃতি রয়েছে।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘যেহেতু হাসিনা সরকার বাংলাদেশ ভবনে অর্থায়ন করেছে এবং ২০১৮ সালে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তিনি এটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেছিলেন, তাই বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ার আগ পর্যন্ত জাদুঘরটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এর মধ্যে চার মাস পেরিয়ে গেলেও কেন্দ্র বা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার কেউই আমাদের এটি আবারও চালু করতে বলেনি।’
জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট বাংলাদেশ ভবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। পরে ওই অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসের একটি খেলার মাঠে স্থানান্তর করা হয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ ভবন’ নামের জাদুঘরটি গত আগস্ট থেকে আর খোলা হয়নি। শুক্রবার ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে ভবনটি।
ছয় বছরেরও বেশি সময় আগে ২০১৮ সালের ২৫ মে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করা হয়েছিল। বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকেই বাংলাদেশ ভবনে একটি সংগ্রহশালার যাত্রা শুরু হয়েছিল।
বাংলাদেশের অর্থায়নে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪০ হাজার বর্গফুটের ওই ভবনটি নির্মিত হয়েছিল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বহু তথ্য, নথি ও নিদর্শন রয়েছে সেখানে। উদ্বোধনের পর এই জাদুঘর পরিচালনা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ওই টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখা হবে এবং এর থেকে পাওয়া সুদে ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ হবে।
ভবনটির সংগ্রহশালা ছাড়াও রয়েছে গ্রন্থাগার, সভাকক্ষ এবং প্রেক্ষাগৃহ। দুই বাংলার ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণারও বন্দোবস্ত রয়েছে সেখানে। বহু পর্যটক শান্তিনিকেতনে গেলে খুব আগ্রহ নিয়ে বাংলাদেশ ভবনও দেখতে যান।
হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ভবন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভবনটি কবে খুলে দেওয়া হবে—এই প্রশ্নের উত্তর নেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে ভবনটির অফিস ও গ্রন্থাগার খোলা রাখা আছে শিক্ষার্থীদের জন্য।
বাংলাদেশ ভবন নিয়ে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি ভবন সংক্রান্ত বেশ কিছু পরিকল্পনাও রাতারাতি বাতিল করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বাংলাদেশি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও নাট্যোৎসব বাতিল করা হয়েছে।
বিশ্বভারতীর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত প্রদর্শনীর পাশাপাশি জাদুঘরটিতে বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও শেখ হাসিনার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি ও প্রতিকৃতি রয়েছে।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘যেহেতু হাসিনা সরকার বাংলাদেশ ভবনে অর্থায়ন করেছে এবং ২০১৮ সালে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তিনি এটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেছিলেন, তাই বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ার আগ পর্যন্ত জাদুঘরটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এর মধ্যে চার মাস পেরিয়ে গেলেও কেন্দ্র বা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার কেউই আমাদের এটি আবারও চালু করতে বলেনি।’
জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট বাংলাদেশ ভবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। পরে ওই অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসের একটি খেলার মাঠে স্থানান্তর করা হয়।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
১২ মিনিট আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৩২ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৩ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৪ ঘণ্টা আগে