ঢাকা: ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের নারী কমিশনের সদস্য মীনা কুমারী বলেছেন, মেয়েদের মোবাইল ফোন দেওয়া উচিত না। কারণ এর ফলে মেয়েরা ফোনে কথা বলে এবং পরে ছেলেদের সঙ্গে পালিয়ে যায়। গতকাল বুধবার আলিগড়ে নারীদের বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গণশুনানিতে ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মীনা কুমারী এমনটি বলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
মীনা কুমারী বলেন, অভিভাবক বিশেষ করে মায়েদের উচিত নিজের মেয়েদের ওপর নজর রাখা। কারণ নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ মায়েদের ‘অসতর্কতার’ ফল। একই সঙ্গে তরুণীদের সব সময় চোখে চোখে রাখার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
নারী কমিশনের এই সদস্যের এমন মন্তব্যের পর দেশটিতে বিতর্কের ঝড় শুরু হয়েছে।
এ নিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআইকে মীনা কুমারী জানিয়েছেন, তাঁর বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি কখনো বলিনি যে মেয়েরা ফোন ব্যবহার করে ছেলেদের সঙ্গে পালিয়ে যায়।
মীনা কুমারীর এই বক্তব্যের কয়েক মাস করে ভারতের ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেনের সদস্য চন্দ্রমুখী দেবী উত্তর প্রদেশের এক নারীর ধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ৫০ বছর বয়সী ওই নারী সন্ধ্যায় বাড়ির বাইরে বের না হলে হয়তো ধর্ষণের শিকার হতেন না।

সরকারি পদে থাকাকালীন অসদাচরণের সন্দেহে গ্রেপ্তারের পর অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরকে তদন্তাধীন অবস্থায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। টেমস ভ্যালি পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে জানায়, তারা নরফোক থেকে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এবং বার্কশায়ার ও নরফোকের বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
১৮ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদের প্রথম সভায় জানিয়েছেন, নয়টি সদস্য দেশ গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন তহবিলে ৭ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একইসঙ্গে পাঁচটি দেশ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনে সম্মত হয়েছে।
৪২ মিনিট আগে
সভায় ট্রাম্প তাঁর ভাষণে বলেন, ‘আমি দুই দেশকেই বলেছিলাম, আমি তোমাদের প্রত্যেকের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছি। এর ফলে তারা কার্যত কোনো ব্যবসাই করতে পারত না। যখন তারা দেখল যে প্রচুর টাকা লোকসান হতে যাচ্ছে, তখন তারা বলল—আমরা আর লড়াই করতে চাই না। এভাবেই আমরা বিষয়টি সমাধান করেছি।’
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি হবে নাকি যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নেবে—তা আগামী ১০ দিনের মধ্যে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে নিজের নবগঠিত বোর্ড অব পিসের উদ্বোধনী সভায় তিনি এই সময়সীমার কথা উল্লেখ করেন।
১০ ঘণ্টা আগে