প্রতিনিধি, কলকাতা

সমালোচনা ও প্রতিবাদ গণতন্ত্রের অঙ্গ। কথাটি মনে করিয়ে দিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রমন। তাঁর মতে, সরকারের সমালোচনা করলেই সেটা দেশবিরোধী বলে ধরে নেওয়া অনুচিত। সেই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী বিচার ব্যবস্থার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্যকে সঠিক ও সময়োপযোগী বলে মনে করেন ভারতীয় আইনজীবীদের বড় অংশ।
বিরোধী শিবির থেকে প্রায়ই অভিযোগ করা হয়, ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বহুবার কটাক্ষ করেছেন, ‘দেশে সুপার ইমারজেন্সি চলছে। প্রতিবাদী কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে মোদি সরকার।’
সরকারের সমালোচনাকে রাষ্ট্রের সমালোচনা হিসেবে ধরে নিয়ে দেশবিরোধী মামলা হচ্ছে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে। এমন পর্যবেক্ষণ বিভিন্ন আদালত আগেই জানিয়েছেন। এই অবস্থায় ভারতের প্রধান বিচারপতি রমন গতকাল বুধবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সমালোচনা করাও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অঙ্গ।’ সেই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ‘ভোট দিয়ে সরকার বদল করলেই ভোটাররা স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তি পাবেন—এমন কোনো রক্ষাকবচও নেই।’
ভারতের প্রধান বিচারপতির মতে, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে সবারই উচিত বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। তিনি সব পক্ষকেই যুক্তিগ্রাহ্য ও দায়িত্বশীল আইনের শাসন মেনে চলার পরামর্শ দেন। বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর মতামতকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাবেক বিচারপতির মতে, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি। বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা বাড়াতে হলে গণতন্ত্রের প্রতিও মানুষকে শ্রদ্ধাশীল করতে হবে।’
প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও কলকাতার সাবেক মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ভারতের জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষের সদস্য বিকাশরঞ্জন মনে করেন, ‘নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। সেই সঙ্গে গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করার অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত থাকতে হবে। মানুষের বাক্স্বাধীনতা হরণ করে গণতন্ত্রকে বাঁচানো যায় না।’

সমালোচনা ও প্রতিবাদ গণতন্ত্রের অঙ্গ। কথাটি মনে করিয়ে দিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রমন। তাঁর মতে, সরকারের সমালোচনা করলেই সেটা দেশবিরোধী বলে ধরে নেওয়া অনুচিত। সেই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী বিচার ব্যবস্থার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্যকে সঠিক ও সময়োপযোগী বলে মনে করেন ভারতীয় আইনজীবীদের বড় অংশ।
বিরোধী শিবির থেকে প্রায়ই অভিযোগ করা হয়, ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বহুবার কটাক্ষ করেছেন, ‘দেশে সুপার ইমারজেন্সি চলছে। প্রতিবাদী কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে মোদি সরকার।’
সরকারের সমালোচনাকে রাষ্ট্রের সমালোচনা হিসেবে ধরে নিয়ে দেশবিরোধী মামলা হচ্ছে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে। এমন পর্যবেক্ষণ বিভিন্ন আদালত আগেই জানিয়েছেন। এই অবস্থায় ভারতের প্রধান বিচারপতি রমন গতকাল বুধবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সমালোচনা করাও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অঙ্গ।’ সেই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ‘ভোট দিয়ে সরকার বদল করলেই ভোটাররা স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তি পাবেন—এমন কোনো রক্ষাকবচও নেই।’
ভারতের প্রধান বিচারপতির মতে, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে সবারই উচিত বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। তিনি সব পক্ষকেই যুক্তিগ্রাহ্য ও দায়িত্বশীল আইনের শাসন মেনে চলার পরামর্শ দেন। বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর মতামতকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাবেক বিচারপতির মতে, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি। বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা বাড়াতে হলে গণতন্ত্রের প্রতিও মানুষকে শ্রদ্ধাশীল করতে হবে।’
প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও কলকাতার সাবেক মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ভারতের জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষের সদস্য বিকাশরঞ্জন মনে করেন, ‘নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। সেই সঙ্গে গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করার অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত থাকতে হবে। মানুষের বাক্স্বাধীনতা হরণ করে গণতন্ত্রকে বাঁচানো যায় না।’

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে