কলকাতা প্রতিনিধি

দলমত-নির্বিশেষে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার আপামর ভারতবাসীর। ভয়াল ২৬/১১-এর মুম্বাই জঙ্গি হামলার ১৪তম বর্ষপূর্তিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ সবাই নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এদিন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে নাগরিকেরা তাঁদের মত প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে জঙ্গিবাদকে মদদ দেওয়ায় পাকিস্তান ও চীনকে গালিও দিচ্ছেন তারা। ২৬/১১-এর মুম্বাই হামলায় ১৮ জন নিরাপত্তারক্ষীসহ ১৬৬ জন প্রাণ হারান এবং আহত হন তিন শতাধিক। হতাহতদের মধ্যে বিদেশিও ছিলেন অনেক।
২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বরের জঙ্গি হামলার জন্য ভারত প্রথম থেকেই পাকিস্তানকে দায়ী করছে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তানের মাটিতে বসেই লস্কর-ই-তাইয়্যেবার জঙ্গিরা মুম্বাই হামলার ষড়যন্ত্র করে এবং তা বাস্তবায়ন করে। মূল ষড়যন্ত্রকারীরা আজও বহাল তবিয়তেই রয়েছে পাকিস্তানে। হামলার মূল চক্রান্তকারী হিসেবে হাফিজ সাঈদ ও সাজিদ মীরের কঠোর শাস্তি চেয়েছে ভারত। পাকিস্তান তাঁদের জামাই আদরে রেখেছে বলে অভিযোগ।
আজ ভারতের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘মানবতার শত্রুরা ভারতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।’ ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর টুইটে বলেছেন, ‘যারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল এবং তদারক করেছিল, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।’ বিজেপি নেতাদের বাইরেও কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীও টুইট করে বলেছেন, ‘ভারত সব সময় হিংসার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে ছিল এবং থাকবেও।’
উল্লেখ্য, ১০ জন অস্ত্রধারী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ভারতে প্রবেশ করে টানা তিন দিন ধরে নাশকতা চালায়। ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীরা অবশ্য পরে তাদের ঘায়েল করতে সক্ষম হয়। জীবিত অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পড়েন পাকিস্তানি নাগরিক আজমল কাসাভ। পরে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁর ফাঁসি হয়।

দলমত-নির্বিশেষে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার আপামর ভারতবাসীর। ভয়াল ২৬/১১-এর মুম্বাই জঙ্গি হামলার ১৪তম বর্ষপূর্তিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ সবাই নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এদিন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে নাগরিকেরা তাঁদের মত প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে জঙ্গিবাদকে মদদ দেওয়ায় পাকিস্তান ও চীনকে গালিও দিচ্ছেন তারা। ২৬/১১-এর মুম্বাই হামলায় ১৮ জন নিরাপত্তারক্ষীসহ ১৬৬ জন প্রাণ হারান এবং আহত হন তিন শতাধিক। হতাহতদের মধ্যে বিদেশিও ছিলেন অনেক।
২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বরের জঙ্গি হামলার জন্য ভারত প্রথম থেকেই পাকিস্তানকে দায়ী করছে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তানের মাটিতে বসেই লস্কর-ই-তাইয়্যেবার জঙ্গিরা মুম্বাই হামলার ষড়যন্ত্র করে এবং তা বাস্তবায়ন করে। মূল ষড়যন্ত্রকারীরা আজও বহাল তবিয়তেই রয়েছে পাকিস্তানে। হামলার মূল চক্রান্তকারী হিসেবে হাফিজ সাঈদ ও সাজিদ মীরের কঠোর শাস্তি চেয়েছে ভারত। পাকিস্তান তাঁদের জামাই আদরে রেখেছে বলে অভিযোগ।
আজ ভারতের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘মানবতার শত্রুরা ভারতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।’ ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর টুইটে বলেছেন, ‘যারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল এবং তদারক করেছিল, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।’ বিজেপি নেতাদের বাইরেও কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীও টুইট করে বলেছেন, ‘ভারত সব সময় হিংসার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে ছিল এবং থাকবেও।’
উল্লেখ্য, ১০ জন অস্ত্রধারী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ভারতে প্রবেশ করে টানা তিন দিন ধরে নাশকতা চালায়। ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীরা অবশ্য পরে তাদের ঘায়েল করতে সক্ষম হয়। জীবিত অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পড়েন পাকিস্তানি নাগরিক আজমল কাসাভ। পরে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁর ফাঁসি হয়।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৩ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৭ ঘণ্টা আগে