
ঢাকা: চার ঘণ্টা ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বহুল আলোচিত প্রথম মুখোমুখি বৈঠক শেষ হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভার ভিলা লা গ্রেঞ্জে স্থানীয় সময় বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে বাইডেন ও পুতিন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, সাইবার হামলা থেকে শুরু করে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ও ইউক্রেন বিষয়ে মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও আরও স্থিতিশীল ও প্রত্যাশিত সম্পর্ক বজায় রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট বাইডেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে যা করতে এসেছিলাম, সেটাই করেছি। প্রথমত, উভয় দেশ একে অপরের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ক্ষেত্র খুঁজে বের করা। যার ফলে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং বাকি বিশ্বের জন্যও সেটা লাভজনক হবে। দ্বিতীয়ত, সরাসরি যোগাযোগ। আমরা বা আমাদের মিত্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্বার্থের ক্ষতি করার কর্মকাণ্ড চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র এর জবাব দেবে। আর তৃতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধ ও বিভিন্ন অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানানো এবং তিনি (পুতিন) নিজেই এসব আমার মুখ থেকে শুনেছেন।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সামগ্রিকভাবে বৈঠকটি ছিল ভালো এবং ইতিবাচক। সেখানে কোনো উচ্চবাচ্য হয়নি। মুখোমুখি বৈঠক হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে তাঁর (পুতিন) মনোভাব নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ থাকে না।
বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, তিনি মনে করেন না যে তাঁদের মধ্যে কোনো ধরনের বৈরী সম্পর্ক আছে। উভয় দেশের বহিষ্কৃত রাষ্ট্রদূতদের পুনরায় দুই দেশের দূতাবাসে ফেরাতে রাজি হয়েছেন তাঁরা।
তবে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পুতিনকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানাননি। পুতিনও জো বাইডেনকে মস্কোতে আমন্ত্রণ জানাননি।

ঢাকা: চার ঘণ্টা ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বহুল আলোচিত প্রথম মুখোমুখি বৈঠক শেষ হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভার ভিলা লা গ্রেঞ্জে স্থানীয় সময় বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে বাইডেন ও পুতিন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, সাইবার হামলা থেকে শুরু করে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ও ইউক্রেন বিষয়ে মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও আরও স্থিতিশীল ও প্রত্যাশিত সম্পর্ক বজায় রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট বাইডেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে যা করতে এসেছিলাম, সেটাই করেছি। প্রথমত, উভয় দেশ একে অপরের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ক্ষেত্র খুঁজে বের করা। যার ফলে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং বাকি বিশ্বের জন্যও সেটা লাভজনক হবে। দ্বিতীয়ত, সরাসরি যোগাযোগ। আমরা বা আমাদের মিত্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্বার্থের ক্ষতি করার কর্মকাণ্ড চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র এর জবাব দেবে। আর তৃতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধ ও বিভিন্ন অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানানো এবং তিনি (পুতিন) নিজেই এসব আমার মুখ থেকে শুনেছেন।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সামগ্রিকভাবে বৈঠকটি ছিল ভালো এবং ইতিবাচক। সেখানে কোনো উচ্চবাচ্য হয়নি। মুখোমুখি বৈঠক হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে তাঁর (পুতিন) মনোভাব নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ থাকে না।
বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, তিনি মনে করেন না যে তাঁদের মধ্যে কোনো ধরনের বৈরী সম্পর্ক আছে। উভয় দেশের বহিষ্কৃত রাষ্ট্রদূতদের পুনরায় দুই দেশের দূতাবাসে ফেরাতে রাজি হয়েছেন তাঁরা।
তবে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পুতিনকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানাননি। পুতিনও জো বাইডেনকে মস্কোতে আমন্ত্রণ জানাননি।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৫ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৮ ঘণ্টা আগে