
গত রোববার ডেনমার্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কেন হাওয়ারিকে মনোনীত করার সময় গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে আনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই আগ্রহের পর গ্রিনল্যান্ডের জন্য প্রতিরক্ষা বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ডেনমার্ক সরকার।
আজ বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন সুনির্দিষ্ট করে প্রতিরক্ষায় ঠিক কতটুকু বরাদ্দ দেওয়া হবে উল্লেখ করেননি। তবে দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ কোটি ক্রোন পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন জানান, এই প্রতিরক্ষা প্যাকেজের আওতায় কমপক্ষে ১৫০ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৭ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা) বরাদ্দ দেওয়া হবে। এমন সময় এ ধরনের ঘোষণা দিতে বাধ্য হওয়াকে ‘ভাগ্যের পরিহাস’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
পলসেন বলেন, এই বরাদ্দ দিয়ে দুটি নতুন পরিদর্শন জাহাজ, দুটি নতুন দূরপাল্লার ড্রোন এবং দুটি অতিরিক্ত কুকুর টানা স্লেজ টিমের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের আর্কটিক কমান্ডের কর্মী বাড়ানো হবে। দ্বীপটির তিনটি বেসামরিক বিমানবন্দরের মধ্যে একটিতে যেন এফ-৩৫ সুপারসনিক যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আর্কটিক অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে বিনিয়োগ করা হয়নি। এখন আমরা এ অঞ্চলে আমাদের জোরদার উপস্থিতি রাখার পরিকল্পনা করছি।’
ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ কেনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করার এক দিন পরই এ ঘোষণা দেওয়া হলো।
গত রোববার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতার স্বার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ একটি অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা।’
এর প্রতিক্রিয়ায় ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডের জনগণের।’
তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মুটে এগেডে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমাদের। আমরা বিক্রির জন্য নই এবং কখনো বিক্রির জন্য হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘ স্বাধীনতার সংগ্রাম হারাতে দেওয়া যাবে না। আমাদের সারা বিশ্ব, বিশেষ করে আমাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহযোগিতা এবং বাণিজ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।’
এই প্রথমবার নয় যে ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেন। এর আগেও, তিনি একবার এই ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। ট্রাম্প তাঁর প্রথম প্রশাসনের সময় বলেছিলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। পরে তাঁর মন্তব্যের জেরে ড্যানিশ কর্মকর্তারা বলেন, তাঁদের রাষ্ট্রের অংশ এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল বিক্রির জন্য নয়। ট্রাম্পের এ ধারণাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেন ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী। এর জেরে ট্রাম্প ডেনমার্কে তাঁর রাষ্ট্রীয় সফর বাতিল করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালের পর থেকে একাধিকবার গ্রিনল্যান্ড কেনার চেষ্টা করেছে বা বিষয়টি বিবেচনা করেছে। ইউরোপের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের ঘনিষ্ঠ ভূরাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এটি ডেনমার্কের মাধ্যমে ইইউ ব্লকের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ওভারসিজ টেরিটরি হিসেবে ইউরোপীয় তহবিল পেয়ে থাকে।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি পিটুফিক স্পেস বেস অবস্থিত। ১৯৫১ সালে ডেনমার্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে এই মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়।
গ্রিনল্যান্ড মূলত আর্কটিকের অংশ। গ্রিনল্যান্ডে সোনা, রুপা, তামা ও ইউরেনিয়ামের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে এবং এই অঞ্চলের পানিতে তেলের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্পদের জন্য বিভিন্ন জাতির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রিনল্যান্ডের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন পর্যন্ত অঞ্চল দাবি করার চেষ্টা করেছে রাশিয়া।

গত রোববার ডেনমার্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কেন হাওয়ারিকে মনোনীত করার সময় গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে আনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই আগ্রহের পর গ্রিনল্যান্ডের জন্য প্রতিরক্ষা বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ডেনমার্ক সরকার।
আজ বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন সুনির্দিষ্ট করে প্রতিরক্ষায় ঠিক কতটুকু বরাদ্দ দেওয়া হবে উল্লেখ করেননি। তবে দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ কোটি ক্রোন পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন জানান, এই প্রতিরক্ষা প্যাকেজের আওতায় কমপক্ষে ১৫০ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৭ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা) বরাদ্দ দেওয়া হবে। এমন সময় এ ধরনের ঘোষণা দিতে বাধ্য হওয়াকে ‘ভাগ্যের পরিহাস’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
পলসেন বলেন, এই বরাদ্দ দিয়ে দুটি নতুন পরিদর্শন জাহাজ, দুটি নতুন দূরপাল্লার ড্রোন এবং দুটি অতিরিক্ত কুকুর টানা স্লেজ টিমের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের আর্কটিক কমান্ডের কর্মী বাড়ানো হবে। দ্বীপটির তিনটি বেসামরিক বিমানবন্দরের মধ্যে একটিতে যেন এফ-৩৫ সুপারসনিক যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আর্কটিক অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে বিনিয়োগ করা হয়নি। এখন আমরা এ অঞ্চলে আমাদের জোরদার উপস্থিতি রাখার পরিকল্পনা করছি।’
ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ কেনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করার এক দিন পরই এ ঘোষণা দেওয়া হলো।
গত রোববার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতার স্বার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ একটি অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা।’
এর প্রতিক্রিয়ায় ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডের জনগণের।’
তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মুটে এগেডে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমাদের। আমরা বিক্রির জন্য নই এবং কখনো বিক্রির জন্য হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘ স্বাধীনতার সংগ্রাম হারাতে দেওয়া যাবে না। আমাদের সারা বিশ্ব, বিশেষ করে আমাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহযোগিতা এবং বাণিজ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।’
এই প্রথমবার নয় যে ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেন। এর আগেও, তিনি একবার এই ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। ট্রাম্প তাঁর প্রথম প্রশাসনের সময় বলেছিলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। পরে তাঁর মন্তব্যের জেরে ড্যানিশ কর্মকর্তারা বলেন, তাঁদের রাষ্ট্রের অংশ এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল বিক্রির জন্য নয়। ট্রাম্পের এ ধারণাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেন ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী। এর জেরে ট্রাম্প ডেনমার্কে তাঁর রাষ্ট্রীয় সফর বাতিল করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালের পর থেকে একাধিকবার গ্রিনল্যান্ড কেনার চেষ্টা করেছে বা বিষয়টি বিবেচনা করেছে। ইউরোপের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের ঘনিষ্ঠ ভূরাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এটি ডেনমার্কের মাধ্যমে ইইউ ব্লকের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ওভারসিজ টেরিটরি হিসেবে ইউরোপীয় তহবিল পেয়ে থাকে।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি পিটুফিক স্পেস বেস অবস্থিত। ১৯৫১ সালে ডেনমার্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে এই মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়।
গ্রিনল্যান্ড মূলত আর্কটিকের অংশ। গ্রিনল্যান্ডে সোনা, রুপা, তামা ও ইউরেনিয়ামের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে এবং এই অঞ্চলের পানিতে তেলের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্পদের জন্য বিভিন্ন জাতির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রিনল্যান্ডের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন পর্যন্ত অঞ্চল দাবি করার চেষ্টা করেছে রাশিয়া।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে