
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং দেশটি সফররত উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন পরস্পর উপহার বিনিময় করেছেন। সাইবেরিয়ার ভস্তকনি স্পেস সেন্টারে সাক্ষাতের সময় তাঁরা এই উপহার বিনিময় করেছেন বলে জানা গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পিয়ংইয়ং থেকে আনা দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি রাইফেল উপহার দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে। কিমের সম্মানার্থে পুতিনও দুটি উপহার দেন। পুতিন কিমকে মহাকাশচারীদের জন্য প্রস্তুত করা একটি বিশেষ দস্তানা বা গ্লাভ উপহার দেন। পাশাপাশি রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি উচ্চ মানের রাইফেলও উপহার দেন।
দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের উপহার বিনিময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ জানান, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিন রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি উচ্চ মানের রাইফেল এবং একটি মহাকাশ দস্তানা উপহার দেন। এই দস্তানাকে মহাকাশে বেশ কয়েকবার ব্যবহার করা হয়েছে।’ পেশকভ আরও বলেন, ‘জবাবে কিম পুতিনকে উত্তর কোরিয়ার তৈরি একটি রাইফেল উপহার দেন।’
এর আগে গত বুধবার রুশ মহাকাশযান উৎক্ষেপণকেন্দ্র ভস্তকনি কসমোড্রোমে বৈঠক হয় পুতিন ও কিমের। ট্রেনযোগে উত্তর কোরিয়া থেকে সেখানে যান কিম জং উন। বৈঠকে সামরিক অস্ত্রচুক্তির সম্ভাবনার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার স্যাটেলাইট কর্মসূচিতে সহযোগিতা নিয়ে দুই নেতার আলোচনা হয়।
রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ও গুরুত্ব পায় পুতিন ও কিমের আলোচনায়। সেখানে কিমকে ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেন পুতিন। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও দেশটির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদারের কথা ভাবছে রাশিয়া।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং দেশটি সফররত উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন পরস্পর উপহার বিনিময় করেছেন। সাইবেরিয়ার ভস্তকনি স্পেস সেন্টারে সাক্ষাতের সময় তাঁরা এই উপহার বিনিময় করেছেন বলে জানা গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পিয়ংইয়ং থেকে আনা দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি রাইফেল উপহার দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে। কিমের সম্মানার্থে পুতিনও দুটি উপহার দেন। পুতিন কিমকে মহাকাশচারীদের জন্য প্রস্তুত করা একটি বিশেষ দস্তানা বা গ্লাভ উপহার দেন। পাশাপাশি রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি উচ্চ মানের রাইফেলও উপহার দেন।
দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের উপহার বিনিময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ জানান, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিন রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি উচ্চ মানের রাইফেল এবং একটি মহাকাশ দস্তানা উপহার দেন। এই দস্তানাকে মহাকাশে বেশ কয়েকবার ব্যবহার করা হয়েছে।’ পেশকভ আরও বলেন, ‘জবাবে কিম পুতিনকে উত্তর কোরিয়ার তৈরি একটি রাইফেল উপহার দেন।’
এর আগে গত বুধবার রুশ মহাকাশযান উৎক্ষেপণকেন্দ্র ভস্তকনি কসমোড্রোমে বৈঠক হয় পুতিন ও কিমের। ট্রেনযোগে উত্তর কোরিয়া থেকে সেখানে যান কিম জং উন। বৈঠকে সামরিক অস্ত্রচুক্তির সম্ভাবনার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার স্যাটেলাইট কর্মসূচিতে সহযোগিতা নিয়ে দুই নেতার আলোচনা হয়।
রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ও গুরুত্ব পায় পুতিন ও কিমের আলোচনায়। সেখানে কিমকে ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেন পুতিন। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও দেশটির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদারের কথা ভাবছে রাশিয়া।

ইরানের শাসকদের জন্য চলমান গণবিক্ষোভ এক চরম সংকট তৈরি করেছে। কঠোর দমন-পীড়ন চালাতে গেলে জনগণের সঙ্গে গত বছরের ইসরায়েল ও আমেরিকার ১২ দিনের যুদ্ধের পর যে সমঝোতা গড়ে উঠেছিল, তা তছনছ হয়ে যেতে পারে। আবার এই বিক্ষোভকে বাড়তে দিলে তা উল্টো বিদেশি হস্তক্ষেপকে ডেকে আনতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানজুড়ে চলা বিক্ষোভ আজ রোববার তৃতীয় সপ্তাহে পা রেখেছে। রাজধানী তেহরান এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদসহ বিভিন্ন প্রান্তের রাজপথ এখন বিক্ষোভকারীদের দখলে। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, এই দুই সপ্তাহের সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না—এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি। সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও তরুণ প্রজন্মের ক্রমাগত চাপের কঠোর সমালোচনা করেন
২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নমনীয়তা মানেই আদর্শের সঙ্গে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী রাখার স্বার্থে প্রয়োজন হলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও সমর্থন করতে প্রস্তুত।
৩ ঘণ্টা আগে