আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চলমান বাণিজ্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান দাবি যদি কোনো সুরক্ষা গ্যারান্টি ছাড়া মেনে নেওয়া হয়, তবে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি আবারও ১৯৯৭ সালের মতো ভয়াবহ সংকটে পড়তে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং।
লি জানান, গত জুলাইয়ে সিউল ও ওয়াশিংটন মৌখিকভাবে বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপ করা শুল্ক কমাবে। বিনিময়ে দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। সঙ্গে আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ছিল। তবে এখনো সেটি লিখিত আকারে চূড়ান্ত হয়নি।
লি বলেন, ‘বিনিয়োগ কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে মতভেদ থেকেই আটকে আছে চুক্তি। লি সতর্ক করে বলেন, ‘কারেন্সি সুইপ ছাড়া যদি আমরা যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদামতো সরাসরি ৩৫০ বিলিয়ন ডলার তুলে সেখানে নগদ বিনিয়োগ করি, তবে দক্ষিণ কোরিয়া আবারও ১৯৯৭ সালের আর্থিক সংকটের মতো পরিস্থিতির মুখে পড়বে।’
তবে বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মিত্র এবং অন্যতম বড় অর্থনৈতিক অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা আলোচনা নিয়েই সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত আছেন লি। এ প্রেক্ষাপটেই তিনি আজ সোমবার নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন এবং প্রথমবারের মতো কোনো দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন।
গত জুনে অনুষ্ঠিত এক মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন লি জে মিয়ং। এর আগে রক্ষণশীল সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়ল অল্প সময়ের জন্য সামরিক আইন জারি করার প্রচেষ্টায় পদচ্যুত হন এবং কারাগারে যান। প্রেসিডেন্ট হয়ে লি দেশের অস্থির অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে বিশ্বকে জানাতে চান—‘গণতান্ত্রিক কোরিয়া আবারও ফিরে এসেছে।’
লি আগস্টে প্রথমবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। যৌথ বিবৃতি বা কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না হলেও, তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এর মধ্যেই চলতি মাসে ট্রাম্প প্রশাসন দক্ষিণ কোরিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার একটি হুন্দাই মোটরের ব্যাটারি কারখানা থেকে ৩০০ এর বেশি দক্ষিণ কোরীয় শ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়। মার্কিন ফেডারেল কর্মকর্তাদের অভিযোগ, তাঁরা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেছেন।
লি বলেন, দক্ষিণ কোরীয়রা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন ওই শ্রমিকদের সঙ্গে ‘কঠোর’ আচরণ দেখে। প্রশাসন তাঁদের হাতকড়া পরানো ছবিও প্রকাশ করেছে। তিনি সতর্ক করেন, এতে কোরীয় কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হতে পারে। তবে তিনি এটাও বলেন, এ ঘটনায় দ্বিপক্ষীয় জোটের কোনো ক্ষতি হবে না। বরং তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান ওই শ্রমিকদের থাকার অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার জন্য। লি বিশ্বাস করেন না যে ঘটনাটি ট্রাম্পের নির্দেশে ঘটেছে, বরং অতিরিক্ত উৎসাহী আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কারণে হয়েছে।
এদিকে, লির কার্যালয় জানিয়েছে—নিউইয়র্ক সফরে লির সঙ্গে ট্রাম্পের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই এবং বাণিজ্য আলোচনাও এ সফরের অ্যাজেন্ডায় নেই।
অপর দিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার উচিত জাপানের সঙ্গে হওয়া চুক্তির পথ অনুসরণ করা। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, কোরিয়াকে চুক্তি মেনে নিতে হবে, না হলে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। যদিও বাস্তবে এ শুল্ক পরিশোধ করে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকেরাই।
লি-কে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি চুক্তি থেকে সরে আসবেন? উত্তরে তিনি বলেন, ‘রক্তের বন্ধনে গড়া মিত্রদের মধ্যে অন্তত ন্যূনতম যুক্তিবোধ বজায় থাকবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।’ সিউল প্রস্তাব করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় চুক্তি (সোয়াপ লাইন) করা হোক। এতে ডলার বিনিয়োগে স্থানীয় মুদ্রা ওন বাজারে ধাক্কা কম পড়বে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এতে রাজি হবে কি না বা এতেই সমস্যার সমাধান হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি লি।
লি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থা জাপানের মতো নয়। জাপান জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে। তবে জাপানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিগুণেরও বেশি, ইয়েন আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সুইপ লাইনও রয়েছে।
লি জানান, সিউল ও ওয়াশিংটন লিখিতভাবে স্বীকার করেছে—যেকোনো বিনিয়োগ প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে টেকসই হতে হবে। কিন্তু বিস্তারিত নির্ধারণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘বাণিজ্যিক ন্যায্যতা নিশ্চিত করার মতো বিস্তারিত সমঝোতায় পৌঁছানো এখন মূল কাজ, আবার এটিই সবচেয়ে বড় অন্তরায়।’
লি আরও বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে দক্ষিণ কোরিয়ার অবদান বাড়ানো নিয়ে তাদের ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই। কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ হাজার ৫০০ সেো রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন চাইছে নিরাপত্তা ও বাণিজ্য আলোচনাকে আলাদা রাখতে। লি বলেন, ‘আমাদের যত দ্রুত সম্ভব এ অস্থির পরিস্থিতির অবসান ঘটানো উচিত।’

চলমান বাণিজ্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান দাবি যদি কোনো সুরক্ষা গ্যারান্টি ছাড়া মেনে নেওয়া হয়, তবে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি আবারও ১৯৯৭ সালের মতো ভয়াবহ সংকটে পড়তে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং।
লি জানান, গত জুলাইয়ে সিউল ও ওয়াশিংটন মৌখিকভাবে বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপ করা শুল্ক কমাবে। বিনিময়ে দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। সঙ্গে আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ছিল। তবে এখনো সেটি লিখিত আকারে চূড়ান্ত হয়নি।
লি বলেন, ‘বিনিয়োগ কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে মতভেদ থেকেই আটকে আছে চুক্তি। লি সতর্ক করে বলেন, ‘কারেন্সি সুইপ ছাড়া যদি আমরা যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদামতো সরাসরি ৩৫০ বিলিয়ন ডলার তুলে সেখানে নগদ বিনিয়োগ করি, তবে দক্ষিণ কোরিয়া আবারও ১৯৯৭ সালের আর্থিক সংকটের মতো পরিস্থিতির মুখে পড়বে।’
তবে বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মিত্র এবং অন্যতম বড় অর্থনৈতিক অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা আলোচনা নিয়েই সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত আছেন লি। এ প্রেক্ষাপটেই তিনি আজ সোমবার নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন এবং প্রথমবারের মতো কোনো দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন।
গত জুনে অনুষ্ঠিত এক মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন লি জে মিয়ং। এর আগে রক্ষণশীল সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়ল অল্প সময়ের জন্য সামরিক আইন জারি করার প্রচেষ্টায় পদচ্যুত হন এবং কারাগারে যান। প্রেসিডেন্ট হয়ে লি দেশের অস্থির অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে বিশ্বকে জানাতে চান—‘গণতান্ত্রিক কোরিয়া আবারও ফিরে এসেছে।’
লি আগস্টে প্রথমবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। যৌথ বিবৃতি বা কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না হলেও, তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এর মধ্যেই চলতি মাসে ট্রাম্প প্রশাসন দক্ষিণ কোরিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার একটি হুন্দাই মোটরের ব্যাটারি কারখানা থেকে ৩০০ এর বেশি দক্ষিণ কোরীয় শ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়। মার্কিন ফেডারেল কর্মকর্তাদের অভিযোগ, তাঁরা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেছেন।
লি বলেন, দক্ষিণ কোরীয়রা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন ওই শ্রমিকদের সঙ্গে ‘কঠোর’ আচরণ দেখে। প্রশাসন তাঁদের হাতকড়া পরানো ছবিও প্রকাশ করেছে। তিনি সতর্ক করেন, এতে কোরীয় কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হতে পারে। তবে তিনি এটাও বলেন, এ ঘটনায় দ্বিপক্ষীয় জোটের কোনো ক্ষতি হবে না। বরং তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান ওই শ্রমিকদের থাকার অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার জন্য। লি বিশ্বাস করেন না যে ঘটনাটি ট্রাম্পের নির্দেশে ঘটেছে, বরং অতিরিক্ত উৎসাহী আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কারণে হয়েছে।
এদিকে, লির কার্যালয় জানিয়েছে—নিউইয়র্ক সফরে লির সঙ্গে ট্রাম্পের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই এবং বাণিজ্য আলোচনাও এ সফরের অ্যাজেন্ডায় নেই।
অপর দিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার উচিত জাপানের সঙ্গে হওয়া চুক্তির পথ অনুসরণ করা। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, কোরিয়াকে চুক্তি মেনে নিতে হবে, না হলে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। যদিও বাস্তবে এ শুল্ক পরিশোধ করে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকেরাই।
লি-কে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি চুক্তি থেকে সরে আসবেন? উত্তরে তিনি বলেন, ‘রক্তের বন্ধনে গড়া মিত্রদের মধ্যে অন্তত ন্যূনতম যুক্তিবোধ বজায় থাকবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।’ সিউল প্রস্তাব করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় চুক্তি (সোয়াপ লাইন) করা হোক। এতে ডলার বিনিয়োগে স্থানীয় মুদ্রা ওন বাজারে ধাক্কা কম পড়বে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এতে রাজি হবে কি না বা এতেই সমস্যার সমাধান হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি লি।
লি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থা জাপানের মতো নয়। জাপান জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে। তবে জাপানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিগুণেরও বেশি, ইয়েন আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সুইপ লাইনও রয়েছে।
লি জানান, সিউল ও ওয়াশিংটন লিখিতভাবে স্বীকার করেছে—যেকোনো বিনিয়োগ প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে টেকসই হতে হবে। কিন্তু বিস্তারিত নির্ধারণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘বাণিজ্যিক ন্যায্যতা নিশ্চিত করার মতো বিস্তারিত সমঝোতায় পৌঁছানো এখন মূল কাজ, আবার এটিই সবচেয়ে বড় অন্তরায়।’
লি আরও বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে দক্ষিণ কোরিয়ার অবদান বাড়ানো নিয়ে তাদের ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই। কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ হাজার ৫০০ সেো রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন চাইছে নিরাপত্তা ও বাণিজ্য আলোচনাকে আলাদা রাখতে। লি বলেন, ‘আমাদের যত দ্রুত সম্ভব এ অস্থির পরিস্থিতির অবসান ঘটানো উচিত।’

চীন একটি সরকারি প্রতিবেদনে দাবি করেছে, জাপান খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সক্ষমতা রাখে এবং গোপনে অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম উৎপাদনও করে থাকতে পারে। ৩০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, জাপানের তথাকথিত ‘পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ ঠেকাতে...
৩২ মিনিট আগে
ইরানের রাজপথে এখন শুধু স্লোগান নয়, ছড়িয়ে পড়ছে প্রতিবাদের নতুন নতুন ভাষা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিট, এক্স, ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামে বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে— ইরানি নারীরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে সেই আগুনে সিগারেট ধরাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বৃহস্পতিবার দ্য হিউ হিউইট শো নামে এক পডকাস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি তাঁকে দেখেছি।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠী এখন গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সংকটের মুখোমুখি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মুদ্রার রেকর্ড দরপতনের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন সরাসরি সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি চাপ বাড়তে থাকায় দেশটির ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠী এক গভীর বৈধতার সংকটে পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে