
অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগাভাগি করে চীনকে মোকাবিলা করতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির কথা ঘোষণা করেছে। এই চুক্তির সমালোচনা করে চীন বলছে, এটা 'অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন' এবং 'সংকীর্ণ মনোভাব'।
এই চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণ করতে পারবে। চুক্তি অনুযায়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও সাইবার-সংক্রান্ত বিষয়গুলো এক দেশ অপর দেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া—তিনটি দেশই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের শক্তি বৃদ্ধি ও সামরিক উপস্থিতির বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের নকশা করা একটি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, 'জোটটি' আঞ্চলিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
ঝাও লিজিয়ান সমালোচনা করে এটাকে 'অপ্রচলিত শীতল যুদ্ধ' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। একই সঙ্গে নিজেদের এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ওই তিন দেশ নিজেদের স্বার্থকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেও জানিয়েছেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই চুক্তির নিন্দা করে সম্পাদকীয় লিখেছে। গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা বলেছে, অস্ট্রেলিয়া এখন চীনের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কারো সঙ্গে সাবমেরিন প্রযুক্তির বিষয়টি ভাগ করেছে। এর আগে এটি কেবল যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে।
নতুন এই চুক্তি সম্পর্কে গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এইউকেইউএস চুক্তির আওতায় প্রথম উদ্যোগ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর পারমাণবিক সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনে দেশটিকে সহায়তা দিতে আমরা কাজ করব।'
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'অস্ট্রেলিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিনের সক্ষমতা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে এবং আমাদের তিন দেশের যৌথ মূল্যবোধ ও স্বার্থরক্ষায় কাজে দেবে।'

অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগাভাগি করে চীনকে মোকাবিলা করতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির কথা ঘোষণা করেছে। এই চুক্তির সমালোচনা করে চীন বলছে, এটা 'অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন' এবং 'সংকীর্ণ মনোভাব'।
এই চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণ করতে পারবে। চুক্তি অনুযায়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও সাইবার-সংক্রান্ত বিষয়গুলো এক দেশ অপর দেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া—তিনটি দেশই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের শক্তি বৃদ্ধি ও সামরিক উপস্থিতির বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের নকশা করা একটি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, 'জোটটি' আঞ্চলিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
ঝাও লিজিয়ান সমালোচনা করে এটাকে 'অপ্রচলিত শীতল যুদ্ধ' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। একই সঙ্গে নিজেদের এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ওই তিন দেশ নিজেদের স্বার্থকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেও জানিয়েছেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই চুক্তির নিন্দা করে সম্পাদকীয় লিখেছে। গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা বলেছে, অস্ট্রেলিয়া এখন চীনের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কারো সঙ্গে সাবমেরিন প্রযুক্তির বিষয়টি ভাগ করেছে। এর আগে এটি কেবল যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে।
নতুন এই চুক্তি সম্পর্কে গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এইউকেইউএস চুক্তির আওতায় প্রথম উদ্যোগ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর পারমাণবিক সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনে দেশটিকে সহায়তা দিতে আমরা কাজ করব।'
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'অস্ট্রেলিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিনের সক্ষমতা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে এবং আমাদের তিন দেশের যৌথ মূল্যবোধ ও স্বার্থরক্ষায় কাজে দেবে।'

ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৪ ঘণ্টা আগে